রংপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন হয়েছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৩৩টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৩৬ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার তাদের ভাগ্য পরীক্ষা। কে সংসদে যাবেন তা ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন জনগণ। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে কিছুটা উত্তেজনা ছিল। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও ছিল একাধিক প্রার্থীর বিরুদ্ধে। প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার সকালে। এখন প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন নিজ নিজ দলের নেতাকর্মীদের পোলিং এজেন্ট ও কোন নেতা কোন কেন্দ্রে থাকবেন তা নির্ধারণে।
বুধবার দুপুরে রংপুর নগরীর একাধিক প্রার্থীর কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে নেতা-কমীদের ভিড়। কে কোন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করে রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে রংপুর-৪ কাউনিয়া-পীরগাছা, রংপুর সদর-৩ আসনের একাধিক স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার শঙ্কা করছেন সাধারণ ভোটাররা। তেমননি কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুগাও, দিনাজপুর ও গাইবান্ধার একাধিক আসনে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে কালো টাকা ছড়াছড়ির গন্ধ।
জানা গেছে, রংপুর বিভাগে ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ৪১ লাখ ৮৪ হাজার ১২২ জন। ভোট প্রদানের কক্ষ রয়েছে ২৯ হাজার ৭৪০টি। এর মধ্যে অস্থায়ী কক্ষের সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ৮৭টি। এবার রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি ভোট কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সব কেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী তৎপর রয়েছেন এমনটা দাবি করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নিবার্চনের বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি দলের প্রাথীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জয়ের মালা কার গলায় পরবে এটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত