শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২২:৪৩

ঘরে মা না থাকলে বোঝা যায় আমি কতটা এলোমেলো

ঘরে মা না থাকলে বোঝা যায় আমি কতটা এলোমেলো

অভিনেতা সজল। অভিনয়গুণে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ইদানীং ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাটক, বিজ্ঞাপন আর চলচ্চিত্রে রয়েছে সরব উপস্থিতি। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এই তারকার সঙ্গে কথা বলেছেন -পান্থ আফজাল

 

শুভ সকাল! মনে হচ্ছে গাড়িতে?

আপনাকেও শুভ সকাল। হুমম... গাড়িতে, ড্রাইভ করছি। একটি নাটকের শুটিংয়ে যাচ্ছি। ২১ ফেব্রুয়ারির জন্য নির্মাতা স্বাধীনের একটি নাটকের শুটিংয়ে।

নাটকের শুটিংয়ে নেপাল গেলেন। কেমন হলো?

কিছুদিন আগেই নেপাল থেকে আসলাম। অনেক ভালো একটি কাজ করেছি। এটি সরদার রোকনের একটি কাজে। নাটকের নাম ‘রহস্যজনক’। আমার সহশিল্পী ছিলেন অর্পণা ঘোষ ও কল্যাণ কোরাইয়া।

দেশে এসেই আরও কিছু কাজ করেছেন...

হুম...বেশ কিছু কাজ করেছি, এখনো করছি। উল্লেখ করার মতো নাটকের মধ্যে অর্ষার সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘বুনোফুল’ টেলিছবি করেছি। আবির ফেরদৌস ও সহিদ উন নবীর রচনায় এটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা সহিদ উন নবী। সারিকার সঙ্গে করেছি ‘তুই কে আমার’। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন শরিফুল ইসলাম শামীম।

নতুন বছরে উল্লেখযোগ্য কাজ কী করেছেন?

অনেক নাটকেই তো কাজ করেছি। এর মধ্যে ‘নাকফুল’ নামের একটি নাটকে ট্যাক্সিক্যাব চালক চরিত্রে অভিনয় করেছি। আর আমার স্ত্রী হিসেবে গার্মেন্টকর্মী চরিত্রে অভিনয় করেছেন শবনম ফারিয়া। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন স্বপন বিশ্বাস। ফারিয়ার সঙ্গে আরেকটি কাজ করেছি, ‘সে আসে ফিরে ফিরে’। রাজীব আহমেদের রচনায় এবং সকাল আহমেদের নির্মাণে মৌসুমী হামিদ ও সামিয়া অথৈর সঙ্গে করেছি ‘তোমার অপেক্ষা’। এ ছাড়াও উল্লেখ করার মতো তো অনেক নাটকই আছে।

সেসব নাটকে সাড়া কেমন পেয়েছিলেন?

সবার কাছ থেকে কিছু নাটক নিয়ে অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি। সবাই চায় একটু ভিন্ন ধরনের নাটক, ভিন্ন চরিত্র, ভিন্ন গল্প ও নির্মাণের নাটক। সেটা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

কিছুদিন আগে জন্মদিন ছিল। সেদিন তো একসঙ্গে নুশরাত ইমরোজ তিশা আর অপি করিমেরও জন্মদিন ছিল। জন্মদিনটি কীভাবে গেল?

ঘুমিয়ে! হা হা হা...আগের দিন পর্যন্ত রাত জেগে কাজ করার পর সেদিন প্রচুর ঘুুমিয়েছি। আর জানেনই তো, আমি সেইরকম ঘুমকাতুরে! তবে জন্মদিনের আগের দিন শুটিং ছিল। সেখানে শুটিং ইউনিটের সবাই মিলে কেক কেটেছে। এ ছাড়া রাতে কাছের মানুষ, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবী আমাকে উয়িস করেছে। চমৎকার কিছু সারপ্রাইজ ছিল। পরদিন আবার সেই শুটিং! এটাই জীবন।

কাজ নিয়ে সন্তুষ্টি কতটুকু?

সন্তুষ্টি মাঝামাঝি। নামেই শুধু গল্পের পরিবর্তন। সব গল্প একরকম মনে হয়। তাই বেছে বেছে কাজ করছি।

আঁকাআঁকি চলছে কেমন?

ব্যস্ততার কারণে তেমন আঁকাআঁকি হচ্ছে না। তবে ঘরের দেয়াল ও টিভির নিচের জায়গাজুড়ে ভাগ্নির পেনসিলে আঁকাআঁকি খুব উপভোগ করি।

নিজেকে বিশ্লেষণ করুন...

খুবই অগোছালো একজন মানুষ। ঘরে মা না থাকলে বোঝা যায় আমি কতটা এলোমেলো।


আপনার মন্তব্য