Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২১ মে, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ মে, ২০১৬ ২৩:৩৩

ক্রোক করতে গিয়ে বিস্ময়

দামি জিনিস নেই এমপি রানার বাড়িতে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

দামি জিনিস নেই এমপি রানার বাড়িতে
টাঙ্গাইলের এমপি রানা ও তার তিন ভাইয়ের বাড়িতে গতকাল দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মালামাল ক্রোক করে —বাংলাদেশ প্রতিদিন

টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানার সব অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করেছে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ। একই সঙ্গে তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ আরও নয়জনের সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। গতকাল বেলা ১টার সময় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির কলেজপাড়ার বাসভবনে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরপর মামলার সব পলাতক আসামির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল ক্রোক করা হয়। তবে অভিযানে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মালামাল ক্রোক করতে পারেনি পুলিশ। বিস্ময় প্রকাশ করে টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ভুঁইয়া জানান, মালামাল ক্রোকের বিষয়ে আদালতের আদেশের খবর পাওয়ার পরপরই আসামিরা তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র বাসা থেকে সরিয়ে ফেলেছে। এ সময় মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির বাসার ভাড়াটিয়ার ঘর থেকে একটি ফ্রিজ, বেশ কিছু কাপড় ক্রোক করা হয়। এর আগে সোমবার জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া পলাতক ১০ আসামির মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন। অন্য আসামিরা হচ্ছে এমপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির হোসেন, দারোয়ান বাবু ওরফে দাঁতভাঙা বাবু, যুবলীগের তৎকালীন নেতা আলমগীর হোসেন চান, নাসির উদ্দিন নুর, ছানোয়ার হোসেন ও সাবেক কমিশনার মাসুদুর রহমান। ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে রানা ও তার ছোট ভাই বাপ্পা তাদের কলেজপাড়ার বাসভবনের কাছে গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে আসামি আনিছুল ইসলামের মাধ্যমে ফারুক আহমদকে ডেকে আনে বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়। সেখানে তাকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থিতা থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন বাপ্পা। কিন্তু তিনি রাজি হননি। একপর্যায়ে ফারুক কক্ষ থেকে বের হয়ে শৌচাগারে যান। শৌচাগার থেকে ফেরার পথে আসামি কবির হোসেন পিস্তল দিয়ে ফারুক আহমদকে গুলি করে। এরপর এমপি আমানুরের নির্দেশে আনিছুল, মোহাম্মদ আলী, আবদুল হক, সমীর ও কবির মৃতদেহ ফারুকের বাসার সামনে ফেলে আসে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর