শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৪

কোনো চাপে সরকার সরবে না : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোনো চাপে সরকার সরবে না : কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো চাপেই নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন থেকে সরকার সরে আসবে না। এ আইন প্রয়োগে যেন অযথা বাড়াবাড়ি না হয় সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল সচিবালয়ে সড়ক বিভাগের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, যত চাপই থাক আইনটি বাস্তবায়ন করতেই হবে। সড়কের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলার স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের আইন মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো প্রকার ধর্মঘট-বনধ্ এসব থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। পরিবহন ধর্মঘট প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, আমি সেটা জানি, তাদের সঙ্গে আমাদের সচিব আলোচনা করেছেন, আমিও কথা বলেছি। তাই বলে আইন প্রয়োগ না করে সরে যাব এটি কি আপনারা চান? আপনারাও সহযোগিতা করুন, তারা তো চাপ দেবেই। তিনি বলেন, আইনটি রবিবার থেকে মাঠপর্যায়ে কার্যকর শুরু হয়েছে। সচেতনতার জন্য প্রথমে সাত দিন, পরে আরও সাত দিন সময় দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি, এতদিন আগে আইনটি হয়েছে, বাস্তবায়ন না হলে জনস্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথম পর্যায়ে আইনটি সহনীয়ভাবে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে আইনটি সংযুক্ত করে যে বিষয়টি অসম্পূর্ণ ছিল গতকাল গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, আজ থেকে মোবাইল কোর্ট কার্যকর হচ্ছে। আইন প্রয়োগে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অযথা হয়রানি কিংবা বাড়াবাড়ি বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। পার্কিং সুবিধা নেই বা পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই, রিকশা চালকদের লাইসেন্স নেই- এসব ছাড়া আইনটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ আইন শুধু ঢাকার জন্য নয়। ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য তাদের অন্যদিকে মনোযোগ ছিল। তারা শিগগিরই মিটিং করবে, আমি নিজেই মিটিং ডেকেছি। মন্ত্রী বলেন, আইনটি বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায় রয়েছে। আইনটি কঠোর করার উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়, সবার কল্যাণে সড়ককে নিরাপদ করা, দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা। আইনটিতে একটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে, তা হলো চালকদের জন্য পয়েন্ট সিস্টেম, উন্নত বিশ্বের মতো আইন অমান্য করলে চালকদের পয়েন্ট কর্তন করা হবে। পরিবহন মালিকদেরও আইনের আওতায় আনা হয়েছে, অভিযুক্ত যিনিই হোন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারকে আর্থিক সহয়তা দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, আইনটি বাস্তবায়নে বিআরটিএ অতিরিক্ত সময় কাজ করছে। বিআরটিএতে জনবলও বাড়ছে, এটি একটা চ্যালেঞ্জ। সবাই সহযোগিতা করলে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর