শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪৫, সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

ব্যাংক লুট ও চোরাচালানের টাকা পাচার বিদেশে

বাইরে ফিটফাট সাইফুজ্জামান আসলে ‘মহাদুর্নীতিবাজ’ - প্রথম পর্ব
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ব্যাংক লুট ও চোরাচালানের টাকা পাচার বিদেশে

সাইফুজ্জামান চৌধুরী আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরীর পুত্র। প্রয়াত আখতারুজ্জামান ছিলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা অঞ্চলের অন্যতম চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি, অনিয়ম এবং সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল। সেই পথেই উত্থান ঘটে তার পুত্র সাইফুজ্জামান চৌধুরী ওরফে জাভেদের। তিনি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বিনা ভোটে এমপি হওয়ার পর তাকে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে তিনি পদোন্নতি পেয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হন। পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতার জয়গান গেয়েছিলেন। ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না’, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা’ ইত্যাদি নানা স্লোগানে মন্ত্রণালয় ভরিয়ে  দিয়েছিলেন, নিজের একটা ক্লিন ইমেজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয়ে তিনি ছিলেন স্বচ্ছতার প্রতীক। ভূমি মন্ত্রণালয়কে তিনি দুর্নীতিমুক্ত করেছেন বলেও দাবি করতেন। কিন্তু বাইরে ফিটফাট এই ভদ্র মানুষটির আড়ালে ছিল একজন ‘মহাদুর্নীতিবাজ’ অর্থ পাচারকারী। মজার ব্যাপার হলো, অন্যরা যেমন দুর্নীতির টাকা দিয়ে দেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি। বরং তিনি দুর্নীতির টাকা পুরোটাই বিদেশে পাচার করেছেন। বিদেশে তার এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার হদিস পাওয়া গেছে। এসব অর্থ তিনি বিনিয়োগ করেছেন যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, কানাডা, ব্রুনাই, ম্যাকাওসহ বিভিন্ন দেশে। প্রতিটি দেশেই আবাসন খাতে তার বিপুল বিনিয়োগের খবর এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়। প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে সাইফুজ্জামান জাভেদ এ অর্থ পেলেন? বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তার এই অর্থের প্রধান উৎস হলো ব্যাংক লুট এবং চোরাচালান। সাইফুজ্জামান চৌধুরী পৈতৃকসূত্রে ইউসিবি ব্যাংক পেয়েছিলেন। যদিও বিএনপির আমলে এ ব্যাংক হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হওয়ার পর আবারও ইউসিবি ব্যাংক দখল করেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এটিকে মূলত পারিবারিক সম্পত্তিতে পরিণত করেন। ইউসিবির সাম্প্রতিক সময়ের অডিটে দেখা গেছে, এখান থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বেনামে পাচার করেছেন। বেসরকারি খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ২ হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়েছে জেনেক্স ইনফোসিসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমামের চার প্রতিষ্ঠান। এ ঋণ দিতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা কমিটি কোনো সুপারিশ না করলেও পরিচালনা পর্ষদে তা অনুমোদিত হয়েছে। এর বাইরে যথাযথ প্রক্রিয়া না মেনে জেনেক্স ইনফোসিসের শেয়ার কিনেও লোকসানে পড়ে ব্যাংকটি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই সময়ে এসব অনিয়ম হয়।

ইউসিবিতে যখন এসব অনিয়ম ঘটে, তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ওরফে জাভেদের স্ত্রী রুকমিলা জামান ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তার ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী। মোহাম্মদ আদনান ইমাম যুক্তরাজ্যের নাগরিক, সে দেশে আবাসন খাতে তার ব্যবসা রয়েছে। ইউসিবি সূত্রে জানা গেছে, জেনেক্স ইনফোসিসকে যে ঋণ দেওয়া হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তা খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংককে শরীফ জহির ইউসিবি ব্যাংক সম্পর্কে একটি চিঠি দিয়েছেন। শরীফ জহিরের চিঠিতে ব্যাংক দখল হওয়ার পর সাইফুজ্জামান চৌধুরী কীভাবে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ভূমিকা পালন করেছেন, তা তুলে ধরা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ করা হয়েছে বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড, জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড, এ অ্যান্ড পি ভেঞ্চার লিমিটেড, এডব্লিউআর ডেভেলপমেন্ট এবং এডব্লিউআর রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের স্বার্থে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করা হয়। ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের সুপারিশ ছাড়াই এ ঋণগুলো অনুমোদিত হয় বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে। এডব্লিউআর ডেভেলপমেন্ট এবং এডব্লিউআর রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান আদনান ইমামের বাবা চৌধুরী ফজলে ইমাম। চিঠিতে বলা হয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর চাচাতো ভাই আলমগীর কবীর অপুকে সম্পূর্ণ ‘অযৌক্তিকভাবে’ ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ থেকে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তিনিই ব্যাংক কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিয়মবহির্ভূত ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ নিশ্চিত করেন। সরকার পতনের পরপরই তিনি বিদেশে পালিয়ে যান এবং ইমেইলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মজার ব্যাপার হলো- ‘হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা যেরকম করেন, সেরকমই ধুরন্ধর প্রকৃতির ছিলেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। নিজের নামে কোনো ঋণ নেই, কিন্তু তিনি বেনামে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ঋণ পাইয়ে দিয়েছেন এবং সেসব ঋণের টাকা পুরোটাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন। ইউসিবি ব্যাংকের সাম্প্রতিক অডিটে দেখা গেছে সেখানে যে খেলাপি ঋণগুলো আছে তার সবটার সঙ্গেই সাইফুজ্জামান চৌধুরী জড়িত। তার সুপারিশে এবং তার সভাপতিত্বে বোর্ড সভায় এসব ব্যক্তিদের ঋণ দিয়েছেন। যারা কোনো না কোনোভাবে তার সঙ্গে সংযুক্ত। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ছিল নামসর্বস্ব, প্যাডসর্বস্ব এবং তাদের ঠিকানাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দিয়ে পুরো টাকাটা নিজে আত্মসাৎ করেছেন এবং পাচার করেছেন। শুধু ইউসিবি ব্যাংক নয়, মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে তিনি অন্যান্য ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। সাইফুজ্জামান চৌধুরীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেমন ঠিক তেমনি ইউসিবির চারিত্রিক বৈশিষ্টকেও তিনি তেমনি তৈরি করেছেন। ইউসিবি ব্যাংককে বাইরে থেকে দেখা যায় যে ব্যাংকটি খুব ভালো এবং চমৎকার কাজ করছে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে ব্যাংকের হিসাবনিকাশে ভয়াবহ গরমিল। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব ব্যাংকের ওপর কঠিন নজরদারি রাখছে তার মধ্যে ইউসিবি অন্যতম। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যে কোনো ঋণগ্রহীতারা ঋণের আবেদন করলে সেই বিষয়টি সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কাছে আসত। তিনি ওই ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটা অঘোষিত চুক্তির পর ঋণ প্রদান করতেন। ইউসিবি ব্যাংকের সাম্প্রতিক সময় হিসাবনিকাশে দেখা গেছে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তথ্য গোপন করে লাভ দেখানো হয়েছে এবং শেয়ার মার্কেট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা তোলা হয়েছে।

সাইফুজ্জামান চৌধুরীদের মূল পারিবারিক ব্যবসা হলো চোরাচালান। আনোয়ারা অঞ্চল ছিল বিদেশি মদ এবং মাদকদ্রব্য আনার অন্যতম রুট। শুধু তাই নয়, এই রুটের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র আসত। এসব অবৈধ অস্ত্র এবং মাদকের লাভ অনেক বেশি। ৫০০ থেকে ১০০০ গুণ লাভের এসব মাদক কেনাবেচা হতো। যার পুরো নিয়ন্ত্রণ করতেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। আর যেহেতু তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন, সেজন্য এসব মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে কোনোরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেত না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মাদকের বিরুদ্ধে একটি অপারেশন পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কথা ছিল এক মাসে সব মাদকদ্রব্যের রুট বন্ধ করা হবে এবং মাদক চোরাচালানের উৎসমুখ বন্ধ করা হবে। কিন্তু চার দিনের মাথায় এই অপারেশন বন্ধ করা হয়।

২০১৬ সালে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চাপ বাড়ার পর মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আলগা হয়ে যায়। তখন সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কপাল আরও খুলে যায়। তিনি তখন তার মাদক এবং অন্যান্য চোরাচালানের সিন্ডিকেট নতুন করে শুরু করেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মিয়ানমার থেকে নানারকম মাদকদ্রব্য, অস্ত্র নিয়ে এসে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। যে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে উপার্জন করেন হাজার হাজার কোটি টাকা। আর এ টাকা তিনি পুরোটাই হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। আর এ কারণেই মন্ত্রণালয়ে তিনি একটা ক্লিন ইমেজ নিয়েছিলেন। মন্ত্রণালয়ের কাজে তিনি দুর্নীতি করেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো- সাইফুজ্জামান চৌধুরী বিদেশে যে অর্থ পাচারগুলো করতেন, সেই অর্থ পাচারের টাকা দিয়ে বিদেশে তিনি অনেকগুলো কোম্পানি খুলেছেন। যে কোম্পানিগুলোর মূল নিয়ন্ত্রণ ছিল তার কাছে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হিসাব তিনি তার নির্বাচনি হলফনামায় দেননি। সাইফুজ্জামান চৌধুরী হলেন সেই ব্যতিক্রমী অর্থ পাচারকারী এবং দুর্নীতিবাজ, যিনি বাইরে থেকে নিজের একটি ক্লিন ইমেজ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি অর্থ পাচারের নিত্যনতুন কলাকৌশল আবিষ্কার করে বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এ মহাদুর্নীতিবাজের এখন যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে একযোগে তদন্ত চলছে। যুক্তরাজ্যে তদন্তের মাধ্যমে তার কিছু সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। বর্তমানে সাইফুজ্জামান চৌধুরী দুবাইতে আরাম-আয়েশে জীবনযাপন করছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
দুই দেশের অনন্য সেতুবন্ধ সংগীত
দুই দেশের অনন্য সেতুবন্ধ সংগীত
শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশ
সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশ
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন
ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
কাজী নজরুল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস
কাজী নজরুল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা: দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা: দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক
কুড়িগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি প্রস্তুতি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি প্রস্তুতি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক
অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান
বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা
১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার
মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল
লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ
ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬
বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ
জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১
মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু
লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস
টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান
স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট
নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন
সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক
কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ
নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

১৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি
বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এলপি গ্যাসের দাম কমল
এলপি গ্যাসের দাম কমল

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ
ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের
ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ
বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে
১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স
জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির
আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির

মাঠে ময়দানে

হাজার হাজার ভুয়া আসামি
হাজার হাজার ভুয়া আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার
নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা
শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইংল্যান্ড যাবে কত দূর
ইংল্যান্ড যাবে কত দূর

মাঠে ময়দানে

পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর
২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর

দেশগ্রাম

ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ
ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন
‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো

সাহিত্য

উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই
উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই

নগর জীবন

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

সম্পাদকীয়

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম

প্রথম পৃষ্ঠা

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

সাহিত্য

সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি
সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা
মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা

মাঠে ময়দানে

মেঘমেদ
মেঘমেদ

সাহিত্য

দুটি কবিতা
দুটি কবিতা

সাহিত্য

বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা
বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা

দেশগ্রাম

গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু
গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া

মাঠে ময়দানে