Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২১ মে, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মে, ২০১৬ ০০:২১

কৃত্রিম চোখ কি ও কেন?

কৃত্রিম চোখ কি ও কেন?

চোখ, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে অন্যতম। অনেকেই এর মূল্য বুঝতে পারি না। বুঝতে পারি তখন; যখন এটি হারাই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম চোখের চাহিদা বেড়েই চলেছে। জন্মগত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যাদের একটি চোখ নেই বা তুলে ফেলতে হয়েছে তাদের জন্যই প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম চোখ। বর্তমানে অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে অ্যাক্রিলিক পলিমার ফাইবার দিয়ে চোখ বানানো হচ্ছে। কৃত্রিম এই চোখ লাগানোর পরও মুখের গড়নের কিন্তু কোনো অস্বাভাবিকতা আসে না। প্রচলিত চিকিৎসা সত্ত্বেও যাদের একটি চোখ সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে চোখটি তুলে ফেলতে হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেই প্রয়োজন এই কৃত্রিম চোখ প্রতিস্থাপনের। আবার অনেক সময় জন্মগত কারণেও এরকম হয়ে থাকে। অকুলোপ্লাস্টি সার্জনরা চোখ তুলে ফেলার পর বল ইমপ্লান্ট করেন যাতে মুভমেন্ট ভালো হয়। ছয় সপ্তাহের জন্য কনফরমার পরিয়ে দেন যাতে চোখ বুজে না যায়, তারপর আরটিফিশিয়াল আই ফিটিংয়ের জন্য রেফার করে থাকেন। এই কৃত্রিম চোখ প্রস্তুত করতে প্রধানত দু’দিন ট্রায়ালের প্রয়োজন হয়। যাদের চোখ তোলা হয়নি অর্থাৎ থাইসিকাল আই তাদের ক্ষেত্রেও কাস্টমমেড আরটিফিসিয়াল আই লাগানো যায়। যাদের ক্যান্সার হয়ে চোখ নষ্ট হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে লাগানো হয় সিলিকন রাবার প্রসথেসিস বা স্পেক্টেকল প্রসথেসিস। বর্তমানে পিএমএমএ মেটেরিয়াল দিয়ে চোখ বানিয়ে স্টেরেলাইজ করে এই চোখ বসানো হয়, যা অত্যন্ত মেডিকেটেড এবং ইনফেকশন হওয়ার চান্স থাকে না। ডিসচার্জ সম্ভবত কম হয়। অন্যদিকে ক্ষীণদৃষ্টিদের জন্যও আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বিভিন্ন প্রযুক্তি। বর্তমানে যে এইড দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায় তা হলো আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ডিভাইস অকুটেক ভেসপোর্ট। এছাড়া আরও আছে ম্যাগনি ফায়ার, হ্যান্ড ম্যাগনি ফায়ার ইত্যাদি। তবে যে চিকিৎসাই নেওয়া হোক না কেন অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে নেওয়া উচিত।

ডা. শুভাশিস চৌধুরী, অপটোমেট্রিস্ট। ফোন: ০১৬৮৩৮৯২৪৮৫


আপনার মন্তব্য