শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১১:৫৫
আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:০০
প্রিন্ট করুন printer

ভূমধ্যসাগরে ১৩ শ' অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

ভূমধ্যসাগরে ১৩ শ' অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

ইতালির কোস্টগার্ডের পৃথক ১৩টি মিশন অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভূমধ্যসাগর থেকে একদিনে ১৩শ'-এরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে। এ নিয়ে তিনদিনে সাগরে ভাসমান মোট ২৬শ জন ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এলেন ইতালির উপকূলরক্ষীরা। 

ইতালির কোস্টগার্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার উদ্ধারকৃতরা আলাদা ১৩টি নৌযানে ছিলেন। ইতালির কোস্টগার্ড এবং ইতালি ও যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর জাহাজ, বাণিজ্যিক জাহাজ, বেসরকারি সংস্থার নৌকাযোগে তাদের উদ্ধার করা হয়। খবর- দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি, আল জাজিরা'র।

এর আগে গত বুধবার আরও প্রায় ১৩শ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়। 

প্রতিনিয়ত লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালির পথে যাত্রা করছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। ইউরোপমুখী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটা প্রধান রুটে পরিণত হয়েছে ভূমধ্যসাগরের এই এলাকা। ২০১৬ সালে এ পথ পাড়ি দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক এক লাখ ৮১ হাজার শরণার্থী। এদের অধিকাংশই সমুদ্রযাত্রা করেছেন পাচারকারীদের ডিঙি নৌকায়। আর সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ। 

জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত এভাবেই স্বপ্নভূমির উদ্দেশে দেশ ছাড়ছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাহাজ বা নৌকায় চড়ে বসছেন অসংখ্য শরণার্থী। আর উত্তাল সাগরের বুকে একের পর নৌকাডুবিতে প্রাণ যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। 

জাতিসংঘের হিসাবে, ২০১৫ সালে অধিকতর ভালো জীবনের সন্ধানে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ হাজারের অধিক নারী, পুরুষ ও শিশু। মানব পাচারকারীদের শিকারে পরিণত হয়েছেন ১০ সহস্রাধিক মানুষ। আর বিদেশি বিদ্বেষী নীতি এবং বিদ্যমান ভয়-আতঙ্কে বলির পাঁঠায় পরিণত হয়েছে ১০ লক্ষাধিক মানুষ। 

বিডি প্রতিদিন/৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

পুতিনকে বাইডেনের ফোন

অনলাইন ডেস্ক

পুতিনকে বাইডেনের ফোন
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় যাওয়ার পর জো বাইডেন মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো ফোন করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। সেখানে বাইডেন নিউ স্টার্ট পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি আরো পাঁচ বছর বাড়ানোর পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেন। আর এরপরই রাশিয়ার সংসদে এই চুক্তি বাড়ানোর জন্য একটি বিল উত্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে এই চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফোনালাপে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সাই নাভালনির পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাইডেন। পাশাপাশি রাশিয়াকে ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন বন্ধের আহ্বানও জানিয়েছেন বাইডেন।

২০০৯ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতা গ্রহণের পর মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ২০১০ সালে ওবামা রাশিয়ার সঙ্গে ‘নিউ স্টার্ট’ নামে ঐতিহাসিক পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি করেন। বিশ্লেষকরা এই চুক্তিকে ওবামা প্রশাসানের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক জয় হিসবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:৩১
প্রিন্ট করুন printer

দিল্লিতে সংঘর্ষে আহত ৮৬ পুলিশ, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লিতে সংঘর্ষে আহত ৮৬ পুলিশ, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন

ভারতে আন্দোলনরত কৃষকদের হামলায় ৮৬ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদের রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক জনের অবস্থা সঙ্কটজনক।

মঙ্গলবার দিল্লির বুকে আন্দোলনকারী কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে মিছিল করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে জোর করে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। অভিযোগ, পাল্টা কৃষকরাও মারমুখী হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ৩০০টি ব্যারিকেড ভাঙেন আন্দোলনকারীরা। ১৭টি সরকারি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আটটি ডিটিসি-র বাসে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে পাণ্ডব নগর ও সীমাপুরী এবং গাজীপুর থানায় মোট চারটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

রাজধানীতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরিস্থিতি সামলাতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:২২
প্রিন্ট করুন printer

দিল্লি দাপিয়ে বেড়াল ট্রাক্টর, পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লি দাপিয়ে বেড়াল ট্রাক্টর, পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

এক বছরের মাথায় ফের অশান্তির সাক্ষী ভারতের রাজধানী দিল্লি। প্রশ্ন উঠলো দিল্লি পুলিশের দক্ষতা নিয়ে। ঠিক এক বছর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘর্ষ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল পুলিশ। 

মঙ্গলবার রাজধানীর রাজপথ ধরে দাপিয়ে বেড়াল বিক্ষোভকারী কৃষকদের ট্রাক্টর। এমনকি দুপুরের পর থেকে বিক্ষোভকারীরা দখল নেয় লালকেল্লার। সেখানে তোলা হয় সংগঠনের পতাকা। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রের অধীনে হওয়ায় প্রশ্নের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকা। রাতে দিল্লি পুলিশের উপর ভরসা না রেখে উপদ্রুত এলাকাগুলিতে আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক স্থানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও।

এমন নয় যে, দিল্লি পুলিশের কাছে বিক্ষোভকারীদের অবস্থা নিয়ে কোনও গোয়েন্দা তথ্য ছিল না। সব জানা সত্ত্বেও কেন তাহলে মিছিলের অনুমতি দিল প্রশাসন! কৃষকদের দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি না দিলেই রাজধানীতে আমেরিকার ক্যাপিটল হিল দখলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হত না। আর অনুমতি যখন দেওয়াই হল, তখন কৃষকেরা যাতে রুট মেনে মিছিল করেন, তা নিশ্চিত করতে কেন ব্যর্থ হল পুলিশ! যে আধাসামরিক বাহিনী রাতে মোতায়েন করা হয়েছে, তাদের কেন গতকাল থেকেই স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হল না, সে প্রশ্নও উঠেছে।

এক দিকে যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি জল্পনা শুরু হয়েছে, জেনেশুনেই কি আজ দিল্লিতে কৃষকদের তাণ্ডব চালাতে দিয়েছে পুলিশ? রাজধানী জুড়ে গোলমাল থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে বিক্ষোভকারীদের উপরে কৃষক নেতাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:০৯
প্রিন্ট করুন printer

‘ইরানের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখবে কাতার’

অনলাইন ডেস্ক

‘ইরানের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখবে কাতার’
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোলওয়াহ আল-খাতের

গণমাধ্যমে প্রকাশিত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান ‘চমৎকার সম্পর্ক’ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। সম্প্রতি কোনও কোনও গণমাধ্যম দাবি করেছিল, কাতার সম্প্রতি সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করায় তেহরানের সঙ্গে দোহার সম্পর্কের অবনতি হবে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোলওয়াহ আল-খাতের মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করছে এবং আমরা মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান স্থিতিশীলতায় সন্তুষ্ট।”

সৌদি নেতৃত্বাধীন কঠোর অবরোধের দিনগুলোতে যেসব দেশ কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছিল সেসব দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আল-খাতের।

সৌদি আরব ও তার তিন মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর ২০১৭ সালের জুন মাসে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটির ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। সৌদি আরব যেসব দাবিতে এই জোট পাকায় তার মধ্যে ছিল- ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কমাতে হবে, তুরস্কের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং আল-জাযিরা টেলিভিশন বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু কাতার এসব দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন দেশগুলোর তীব্র অবরোধের দিনগুলোতে কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান ও তুরস্ক। তেহরান ও আঙ্কারার সহযোগিতায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর করে দিয়েছে দোহা।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে ওই চার আরব দেশ কাতারের সঙ্গে সেই শত্রুতার পরিবেশের অবসান ঘটিয়েছে। কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির ভিত্তিতে দু’দেশের মধ্যে আবার বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এ সম্পর্কে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তার দেশের সঙ্গে চার আরব দেশ যে সংকট তৈরি করেছিল তার ফলে কোনও দেশের লাভ হয়নি বরং প্রত্যেক দেশের ক্ষতি হয়েছে। আল-খাতের বলেন, গত ৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে কাতার চুক্তি সই করার পর পশ্চিমা ও আরব গণমাধ্যম খবর দিয়েছিল, এবার ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কের অবনতি হবে। কিন্তু বাস্তবে ওই দুই দেশই সবার আগে এ চুক্তি সই করাকে স্বাগত জানিয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:০৫
প্রিন্ট করুন printer

বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা নেয়নি ইরান

অনলাইন ডেস্ক

বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা নেয়নি ইরান
আলী রাবিয়ি

ইরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসার জন্য নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের জন্য সুযোগ চিরদিন অপেক্ষা করবে না।

মঙ্গলবার তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ইরান সরকারের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ হয়নি এবং আমরা এখনো ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ব্যাপারে বাইডেন প্রশাসনের নীতি-অবস্থান জানার অপেক্ষায় রয়েছি। আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা এখনো ইরানের নেই; তবে পুরো বিষয়টি মার্কিন সরকারের বাস্তব পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।

ইরান সরকারের মুখপাত্র বলেন, পরমাণু সমঝোতায় দেয়া নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য শুধু আমেরিকা নয় সেইসঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্যও খুব সীমিত সুযোগ অপেক্ষা করছে। বাইডেন প্রশাসন সদিচ্ছার পরিচয় দিয়ে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং এরপর পরমাণু সমঝোতায় ফিরে বাকি প্রতিশ্রুতিগুলিও বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর