শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০২:১১
আপডেট : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০২:২৯
প্রিন্ট করুন printer

বর্ণবৈষম্য বিরোধী আইন পাস না হওয়ায় আনন্দ মিছিল!

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি:

বর্ণবৈষম্য বিরোধী আইন পাস না হওয়ায় আনন্দ মিছিল!

জাতিসংঘের বর্ণবাদবিরোধী প্রস্তাব সরকার আইনে রূপান্তরিত না করায় আনন্দিত হয়েছেন মালয়েশীয় মালয় মুসলমানরা! শনিবার (৮ ডিসেম্বর) হাজার হাজার মালয় কুয়ালালামপুরের রাস্তায় নেমে এসে আনন্দ উদযাপন করেছেন। তাদেরকে যেমন ধন্যবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ তেমনি তাতে সশরীরে যোগ দিয়েছেন ৩৬টি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকও । 

মালয় মুসলমানরা দেশটিতে বিভিন্ন কোটা সুবিধা পায়। বর্ণবৈষম্য নিরসনে জাতিসংঘের গৃহীত প্রস্তাব আইন হিসেবে পাস হয়ে গেলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয় জনগোষ্ঠী এবং ইসলাম ধর্মের একক প্রভাব ক্ষুণ্ন হবে, এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করতে অসম্মতি জানিয়েছেন। 

প্রণীত জাতিসংঘের প্রস্তাবটির আনুষ্ঠানিক নাম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন দ্য এলিমিনেশন অব অল ফরমস অব রেসিয়াল ডিসক্রিমিনেশন’ (আইসিআরডি) মালয়েশিয়া প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবার কারণ দেখিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ  মালয়রা আইসি আরডি বিরোধী আন্দোলন শুরু করে। কয়েক সপ্তাহ ধরেই বেশ কয়েকটি সংগঠন মাহাথিরের সরকারের ওপর চাপ দিয়ে আসছিল। গত মাসে সরকার জানিয়ে দেয়, প্রাস্তবটি আইনে পরিণত করা হবে না। কেন জাতিসংঘের প্রাস্তাবিত বর্ণবৈষম্য বিলুপ্তের প্রস্তাব আইনে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেখানে থেকে সরে গেলেন মাহাথির তার কোনও কারণ দেখানো হয়নি সরকারের পক্ষ থেকে।

গত নির্বাচনে হেরে যাওয়া এবং দুর্নীতির ৩০টিরও বেশি মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ও তার দল এই সুযোগকে কাজে লাগাতে মাঠে নেমেছে। আইন পাসের বিরুদ্ধে থাকা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মিলে তারা বিশাল আনন্দ মিছিল বের করেছে। আবার জনসমর্থন পক্ষে আনতে ব্যগ্র নাজিব রাজাক, তার দল ইউনাইটেড মালয় ন্যাসিওনাল অর্গানাইজেশনের’ (উমনো) প্রধান আহমাদ জাহিদ হামিদি এবং পার্টি ইসলাম সে মালয়েশিয়ার (পাস) নেতার শনিবারের আনন্দ মিছিলে অংশ নিয়েছেন।

মালয়রা মালয়েশিয়ার মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ। তারা আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিল, প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হলে মালয়দের বেশি সুবিধা পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। একইসঙ্গে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে। মিছিল আয়োজনের খবর জেনে গত শুক্রবারই মাহাথির এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন, ‘ধন্যবাদ জানানোর উদ্দেশেই যদি এই মিছিল আয়োজন করা হয়ে থাকে তাহলে ধন্যবাদ পেয়ে আমরা ধন্য।’

সাদা পোশাক পরে তাদের সমর্থকরা রাজধানীর মারদেকা স্কয়ারে জোহরের নামাজের পর সমবেত হয়। তারা কেউ কেউ আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর স্লোগান দিচ্ছিল। জাতিসংঘের বিরুদ্ধেও তাদেরকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। এসময় তারা  মালয়দের অধিকার’ ও সম্মানের’ দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে।

পুলিশের বরাতে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে। এ আনন্দ মিছিলে প্রায় ৫০ হাজার মালয় অংশ নিয়েছে। মিছিলে অংশ নেওয়া ফারিদাহ হারুন (৫৯) সাত সন্তানের জননী। স্বামীর সঙ্গে উত্তরের প্রদেশ পেরাক থেকে তিনি গিয়েছিলেন কুয়ালালামপুরে। তার ভাষ্য, মালয় হিসেবে আমাদের অধিকার রক্ষার জন্য আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেশকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছি। কিন্তু এখন অন্য কিছু লোক এসে জবরদখল নিতে চাইছে। তারা মারার মতো সংস্থাকে বন্ধ করে দিতে চায়। মারা (মাজলিস আমানাহ রাকিয়াত) একটি সরকারি সংস্থা যা মালয় এবং অন্যান্য আদিবাসীদের ব্যাবসা-বাণিজ্যের বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেয়।

১৯৬০ সালের দাঙ্গার পর মালয়দের জন্য মালয়েশিয়ার সরকার শেয়ারের মালিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোটা, বাসস্থানের ওপর মূল্য ছাড়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় সঞ্চয় প্রকল্পের মতো সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিল। গত নির্বাচনে মাহাথির চীনা ও ভারতীয় সম্প্রদায়গুলোর কাছ থেকে প্রচুর ভোট পেলেও বর্ণবৈষম্য বিরোধী আইন পাসের সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন না। সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয়রা এখনও উমনো ও পাসের প্রতি অনুগত। রাজনীতির মাঠে তাদের আনুগত্য মাহাথিরের দরকার।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

পুতিনকে বাইডেনের ফোন

অনলাইন ডেস্ক

পুতিনকে বাইডেনের ফোন
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় যাওয়ার পর জো বাইডেন মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো ফোন করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। সেখানে বাইডেন নিউ স্টার্ট পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি আরো পাঁচ বছর বাড়ানোর পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেন। আর এরপরই রাশিয়ার সংসদে এই চুক্তি বাড়ানোর জন্য একটি বিল উত্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে এই চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফোনালাপে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সাই নাভালনির পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাইডেন। পাশাপাশি রাশিয়াকে ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন বন্ধের আহ্বানও জানিয়েছেন বাইডেন।

২০০৯ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতা গ্রহণের পর মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ২০১০ সালে ওবামা রাশিয়ার সঙ্গে ‘নিউ স্টার্ট’ নামে ঐতিহাসিক পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি করেন। বিশ্লেষকরা এই চুক্তিকে ওবামা প্রশাসানের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক জয় হিসবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:৩১
প্রিন্ট করুন printer

দিল্লিতে সংঘর্ষে আহত ৮৬ পুলিশ, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লিতে সংঘর্ষে আহত ৮৬ পুলিশ, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন

ভারতে আন্দোলনরত কৃষকদের হামলায় ৮৬ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদের রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক জনের অবস্থা সঙ্কটজনক।

মঙ্গলবার দিল্লির বুকে আন্দোলনকারী কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে মিছিল করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে জোর করে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। অভিযোগ, পাল্টা কৃষকরাও মারমুখী হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ৩০০টি ব্যারিকেড ভাঙেন আন্দোলনকারীরা। ১৭টি সরকারি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আটটি ডিটিসি-র বাসে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে পাণ্ডব নগর ও সীমাপুরী এবং গাজীপুর থানায় মোট চারটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

রাজধানীতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরিস্থিতি সামলাতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:২২
প্রিন্ট করুন printer

দিল্লি দাপিয়ে বেড়াল ট্রাক্টর, পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লি দাপিয়ে বেড়াল ট্রাক্টর, পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

এক বছরের মাথায় ফের অশান্তির সাক্ষী ভারতের রাজধানী দিল্লি। প্রশ্ন উঠলো দিল্লি পুলিশের দক্ষতা নিয়ে। ঠিক এক বছর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘর্ষ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল পুলিশ। 

মঙ্গলবার রাজধানীর রাজপথ ধরে দাপিয়ে বেড়াল বিক্ষোভকারী কৃষকদের ট্রাক্টর। এমনকি দুপুরের পর থেকে বিক্ষোভকারীরা দখল নেয় লালকেল্লার। সেখানে তোলা হয় সংগঠনের পতাকা। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রের অধীনে হওয়ায় প্রশ্নের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকা। রাতে দিল্লি পুলিশের উপর ভরসা না রেখে উপদ্রুত এলাকাগুলিতে আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক স্থানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও।

এমন নয় যে, দিল্লি পুলিশের কাছে বিক্ষোভকারীদের অবস্থা নিয়ে কোনও গোয়েন্দা তথ্য ছিল না। সব জানা সত্ত্বেও কেন তাহলে মিছিলের অনুমতি দিল প্রশাসন! কৃষকদের দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি না দিলেই রাজধানীতে আমেরিকার ক্যাপিটল হিল দখলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হত না। আর অনুমতি যখন দেওয়াই হল, তখন কৃষকেরা যাতে রুট মেনে মিছিল করেন, তা নিশ্চিত করতে কেন ব্যর্থ হল পুলিশ! যে আধাসামরিক বাহিনী রাতে মোতায়েন করা হয়েছে, তাদের কেন গতকাল থেকেই স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হল না, সে প্রশ্নও উঠেছে।

এক দিকে যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি জল্পনা শুরু হয়েছে, জেনেশুনেই কি আজ দিল্লিতে কৃষকদের তাণ্ডব চালাতে দিয়েছে পুলিশ? রাজধানী জুড়ে গোলমাল থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে বিক্ষোভকারীদের উপরে কৃষক নেতাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:০৯
প্রিন্ট করুন printer

‘ইরানের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখবে কাতার’

অনলাইন ডেস্ক

‘ইরানের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখবে কাতার’
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোলওয়াহ আল-খাতের

গণমাধ্যমে প্রকাশিত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান ‘চমৎকার সম্পর্ক’ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। সম্প্রতি কোনও কোনও গণমাধ্যম দাবি করেছিল, কাতার সম্প্রতি সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করায় তেহরানের সঙ্গে দোহার সম্পর্কের অবনতি হবে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোলওয়াহ আল-খাতের মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করছে এবং আমরা মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান স্থিতিশীলতায় সন্তুষ্ট।”

সৌদি নেতৃত্বাধীন কঠোর অবরোধের দিনগুলোতে যেসব দেশ কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছিল সেসব দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আল-খাতের।

সৌদি আরব ও তার তিন মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর ২০১৭ সালের জুন মাসে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটির ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। সৌদি আরব যেসব দাবিতে এই জোট পাকায় তার মধ্যে ছিল- ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কমাতে হবে, তুরস্কের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং আল-জাযিরা টেলিভিশন বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু কাতার এসব দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন দেশগুলোর তীব্র অবরোধের দিনগুলোতে কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান ও তুরস্ক। তেহরান ও আঙ্কারার সহযোগিতায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর করে দিয়েছে দোহা।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে ওই চার আরব দেশ কাতারের সঙ্গে সেই শত্রুতার পরিবেশের অবসান ঘটিয়েছে। কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির ভিত্তিতে দু’দেশের মধ্যে আবার বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এ সম্পর্কে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তার দেশের সঙ্গে চার আরব দেশ যে সংকট তৈরি করেছিল তার ফলে কোনও দেশের লাভ হয়নি বরং প্রত্যেক দেশের ক্ষতি হয়েছে। আল-খাতের বলেন, গত ৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে কাতার চুক্তি সই করার পর পশ্চিমা ও আরব গণমাধ্যম খবর দিয়েছিল, এবার ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কের অবনতি হবে। কিন্তু বাস্তবে ওই দুই দেশই সবার আগে এ চুক্তি সই করাকে স্বাগত জানিয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:০৫
প্রিন্ট করুন printer

বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা নেয়নি ইরান

অনলাইন ডেস্ক

বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা নেয়নি ইরান
আলী রাবিয়ি

ইরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসার জন্য নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের জন্য সুযোগ চিরদিন অপেক্ষা করবে না।

মঙ্গলবার তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ইরান সরকারের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ হয়নি এবং আমরা এখনো ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ব্যাপারে বাইডেন প্রশাসনের নীতি-অবস্থান জানার অপেক্ষায় রয়েছি। আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা এখনো ইরানের নেই; তবে পুরো বিষয়টি মার্কিন সরকারের বাস্তব পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।

ইরান সরকারের মুখপাত্র বলেন, পরমাণু সমঝোতায় দেয়া নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য শুধু আমেরিকা নয় সেইসঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্যও খুব সীমিত সুযোগ অপেক্ষা করছে। বাইডেন প্রশাসন সদিচ্ছার পরিচয় দিয়ে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং এরপর পরমাণু সমঝোতায় ফিরে বাকি প্রতিশ্রুতিগুলিও বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর