শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৪০

সু চির বিরুদ্ধে একাট্টা বিরোধীরা

সু চির বিরুদ্ধে একাট্টা বিরোধীরা

মিয়ানমারে আগামী বছর নির্বাচন। এই নির্বাচনে দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বিরোধী দলগুলো। এতে নতুন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি। সু চি এনএলডি দলেন প্রধান। জাতিগত সংঘাত এবং ধীরগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জেরে ইতিমধ্যে দেশটিতে তার অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। আসন্ন নির্বাচনে সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ে নতুন জোট গঠনে একাট্টা হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও তারা সরকার গঠনে প্রয়োজনে জোট বাঁধবে বলে জানিয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে দেশটির আঞ্চলিক এক উপনির্বাচনে দেশটির সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট দলগুলো ১৩টি আসনের মধ্যে ছয়টিতে জয়লাভ করে।

এনএলডি দলের নেতাদের অদক্ষতার কারণে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাছে বেশ কাঠ-খড় পোড়াতে হয়।

 মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাচিন প্রদেশের এনএলডির নেতা দেশি লা স্যাং বলেন, এখন ওই জাতিগত দলগুলো পরস্পরের সঙ্গে জোট বেঁধেছে, প্রস্তুত হচ্ছে। আমরা দলের শক্তির ওপর ভরসা রাখতে পারছি না। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কাচিনে নভেম্বরের উপনির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে যায় সু চির এনএলডি। মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পালা বদলের ভবিষ্যৎ এখন সংকটাপন্ন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ভূমিধস জয়ে ক্ষমতায় আসে এনএলডি। দেশটির পার্লামেন্টে সেনাবাহিনীর ২৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সু চির এই রাজনৈতিক দল।

অন্য দলগুলোর চেয়ে আগামী নির্বাচনে এনএলডি ভালো ফলের প্রত্যাশা করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তাগং ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল সায়েন্সের বিশ্লেষক ইয়ে মিও হেইন বলেন, সরকার গঠনের জন্য এনএলডি প্রয়োজনীয় আসনে জয় পাবে কিনা সেটা এখন প্রশ্নসাপেক্ষ। যদি তারা ব্যর্থ হয় তাহলে জোট গঠন অথবা অন্য দলগুলোর সঙ্গে নতুন বোঝাপড়া করতে হবে এনএলডিকে।


আপনার মন্তব্য