শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৯ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:২২, বুধবার, ০৯ জুলাই, ২০২৫

জুলাই অভ্যুত্থান : কী পেলাম! কী হারালাম

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
জুলাই অভ্যুত্থান : কী পেলাম! কী হারালাম

ইদানীং আমার কী হয়েছে বলতে পারব না। রাতে ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যায়। তারপর হালকা একটু তন্দ্রা এবং দুর্বোধ্য সব স্বপ্ন। বেশির ভাগ স্বপ্নই শিশুতোষ এবং ফোক ফ্যান্টাসি প্রকৃতির। শিশুবেলার মতো স্বপ্ন দেখে খিলখিলিয়ে হেসে উঠি। স্ত্রী মহোদয়া ভীষণ বিরক্ত হন। জিজ্ঞাসা করেন কী দেখলে। যখন বলি কিছুই মনে করতে পারছি না, তখন তার বিরক্তি চরমে পৌঁছে। এমনিতেই তিনি সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন। বুয়া কেন এলো না, বাজারে জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ে- কিন্তু আমি তো সংসার খরচ বাড়াই না। বয়স ষাটের কাছাকাছি পৌঁছায় কিছু শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে। কিন্তু দায়িত্ববান স্বামী হিসেবে আমি ওসবের ধার না ধেরে রাত-বিরাত খিলখিলিয়ে হাসি। ফলে আমাকে নিয়ে তার আতঙ্ক বেড়ে যায়।

জুলাই অভ্যুত্থান : কী পেলাম! কী হারালামঢাকার অদূরে সাভারে জঙ্গলঘেরা আমাদের একটি বাংলোবাড়ি আছে। সেখানে বড় বড় কয়েকটি লেক- তারপর বাঁশঝাড় এবং অন্যান্য বৃক্ষরাজির মধ্যে জিন-ভূতেরা বাস করে বলে আমাদের কেয়ারটেকার আমার স্ত্রী-সন্তানদের সতর্ক করেছে। রাতের বেলায় একাকী সেই বাঁশঝাড়ের কাছে যাওয়ার জন্য আমার বড় ছেলে জিদ ধরল। কিন্তু আমার ডাক্তার পুত্রবধূ কোনো অবস্থাতেই তাকে যেতে দিল না। আমার সাহসিনী মেয়েও যেতে চেয়েছিল। কিন্তু তার বর বারণ করায় সে হয়তো বেঁচে গেছে। আমি বহুবার সেখানে গিয়েছি রাত-বিরাতে। কখনো একাকী আবার কখনো সস্ত্রীক। এটা নিয়ে আমার বাড়ির কেয়ারটেকার ভীষণ বিরক্ত। আমাদের শিশুসুলভ আচরণ তার একেবারে অপছন্দ। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। একটির বয়স সাত, অপরটির এগারো। উভয়েই স্থানীয় একটি মাদরাসায় কোরআনে হিফজ শিখছে। ওরা আমাকে দাদুভাই ডাকে আর তাদের আব্বা ডাকে বাবা বলে। তো আমার নাতনিরা তাদের আব্বার পরামর্শে মাদরাসার হুজুরের সঙ্গে হয়তো তাবিজ নিয়ে কথাবার্তা বলেছে। হুজুর বুদ্ধি দিয়েছেন, চারটি তাবিজ বাড়ির চার কোনায় পুঁতে রাখতে হবে এবং আমাকে ঝাড়ফুঁক দিতে হবে।

আমার স্ত্রী উল্লিখিত ঘটনা শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। জিন-ভূত নেই- ওসব কুসংস্কার ইত্যাদি বলে ওদের হাই কোর্ট দেখিয়ে দেন। কিন্তু ইদানীং গভীর রাতে আমার হাসাহাসি দেখে তার সন্দেহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। রাতের বেলায় তেমন কিছু না বললেও সকালে নাশতার টেবিলে যখন জিন-ভূতের গল্প বলে এবং ইন্টারনেটে ওসব নিয়ে কী সব ঘাঁটাঘাঁটি করে তাতে করে আমি বিলক্ষণ টের পাই যে- আমার কিছু একটা হয়েছে।

ইদানীং আমি সময় পেলে বড় ছেলের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলি। তাকে বিদেশ থেকে ফিরে আসতে বলি। আর বলি দ্রুত সন্তান-সন্ততি নেওয়ার জন্য। আমাদের কথায় বউমা যোগ দেয়- বলে বাবা দোয়া করেন আমাদের যেন টুইন বেবি হয়। আমি দোয়া করি এবং সেই কা- দেখে আমার স্ত্রী রাগে গজগজ শুরু করেন। আমার মেয়ের বিয়ে হয়েছে প্রায় সাত বছর আগে। তার ঘরে সন্তান-সন্ততির জন্যও আমি উদগ্রীব হয়ে আছি। আমার খুব ইচ্ছা হয় নাতি-নাতনিদের সঙ্গে খুনসুটি করতে।

তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওয়া ওয়া চুয়া চুয়া করতে। আমার ইচ্ছা জাগে ওদের সঙ্গে চকলেট ললিপপ-আইসক্রিম ও খেলনা নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি করতে এবং জীবনের সব বেদনা-হতাশা সাগরে নিক্ষেপ করে ওদের হাত ধরে নতুন এক কল্পনার জগতের অভিযাত্রী হয়ে ভবলীলা সাঙ্গ করতে।

২০২৫ সালের জুলাই মাসে আমার যে হালহকিকত তা কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তখন ছিল না। আমার পেশাগত জীবন শুরু হয়েছিল সেই ১৯৮৬ সালে। পেশাগত কারণে তখন থেকেই দেশের প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী-আমলা-কামলা, কবি-সাহিত্যিক সুধীজনসহ আলেম-ওলামাদের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খানাপিনা-কথাবার্তা ও ভাব বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে। গত ৪০টি বছর শীত নেই- গ্রীষ্ম নেই- দিন নেই, রাত নেই শুধু কাজ আর কাজ করে এসেছি। জীবনযুদ্ধের সফলতা-ব্যর্থতা, জয়-পরাজয় কিংবা পিছু হটা কোনো কিছুই জীবনের গতিকে জিন-ভূত-ললিপপ অথবা তাবিজ-কবজের দরবারে নিতে পারেনি। আমার জীবনের বাস্তবতা এবং ব্যস্ততা এত বেশি ছিল যে- স্বপ্ন দেখার সময় হয়নি। কর্মের চূড়ান্ত সফলতা, জীবনের অভিজ্ঞতা এবং পদে পদে বাস্তব শিক্ষা লাভের সুযোগের কারণে অজানা ভয়-আতঙ্ক-সন্দেহ-দ্বিধা-দ্বন্দ্ব-সিদ্ধান্তহীনতা আমার ডিকশনারিতে ছিল না।

আমি সারাজীবন ঝুঁকি নিয়েছি। বিরূপ পরিস্থিতি সাহস দিয়ে মোকাবিলা করেছি। অসাধ্য বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করেছি। ফলে ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল অবধি কত রাজা গেছেন এবং কত রাজা এলেন তা নিয়ে চিন্তাভাবনার সময়ই হয়নি। বরং নিজের দৈনন্দিন কাজের চাপ-দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং চলার পথের স্বাভাবিক বিপদ-বিপত্তি, প্রতিযোগিতা-চক্রান্ত ইত্যাদি মোকাবিলা করতে গিয়ে শরীর ও মনে এক নতুন প্রাণশক্তি এবং উদ্ভাবনী শক্তির সঞ্চার হতো। শত শত রাজনৈতিক বিরোধী, অর্থনৈতিক সমস্যা, সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাগুলো জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই মনে হতো এবং সেগুলো সমাধানের জন্য একটার পর একটা উপায়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাজির হতো। আর এভাবেই ২০২৪ সালের জুলাই মাস আমার জীবনে এক নতুন অধ্যায় নিয়ে হাজির হয়।

গত এক বছরে আমার স্মরণশক্তির মহাসর্বনাশ হয়েছে। চারদিক থেকে শুধু একের পর এক বিপর্যয়ের সংবাদ। বন্ধু-বান্ধব বিশেষ করে বড় বড় ব্যবসায়ী, আমলা রাজনীতিবিদদের আহাজারি এবং তাদের জন্য কিছু করতে না পারার বেদনা আমাকে গত এক বছরে ক্রমশ নিস্তেজ ও নিষ্প্রভ করে ফেলেছে। আওয়ামী জমানাতে স্বয়ং শেখ হাসিনা যখন আমার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে আমার গাড়ি ভেঙে চুরমার করেছেন এবং দুদক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দিয়ে হয়রানি করেছেন তখনো আমি একটি মুহূর্তের জন্য হতোদ্যম হইনি। আমার বন্ধু ও শুভাকাক্সক্ষীরা যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাতে করে বিরূপ সময়েও আমার জীবনের সর্ব ক্ষেত্রে উন্নয়ন ছিল উল্লেখ করার মতো। কিন্তু গত এক বছরে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো ক্ষতি হয়নি বটে, কিন্তু আমার চারদিকের প্রকৃতি ও পরিবেশের যে সর্বনাশ ঘটেছে এবং মব সন্ত্রাসের নামে জংলি সন্ত্রাসের যে বিস্তার দেখছি তাতে করে আমার চিন্তার ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে, স্মরণশক্তি কমে গেছে, কাজ করার ক্ষমতা লোপ পেয়েছে এবং নতুন কিছু শুরু করার উদ্ভাবনী ক্ষমতা, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং বিনিয়োগের ইচ্ছা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। ফলে অখ- অবসরে যে আতঙ্ক অনুভব করছি যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একদমই ছিল না।

গত বছর জুলাই-আগস্ট মাসে আমি ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম। একটি প্রথম শ্রেণির জাতীয় দৈনিকে প্রতি সপ্তাহে শেখ হাসিনা সরকারকে তুলাধুনা করে যা ইচ্ছা তাই লিখতাম। প্রতিদিন ২-৩টা টকশো, অধিকন্তু নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য দৈনিক তিনটা ভিডিও রেকর্ডিং এডিটিং আপলোডসহ যাবতীয় কাজের পাশাপাশি ৩০ বছরের পুরোনো ব্যবসার তদারকি, রাজনীতি, সামাজিক যোগাযোগ এবং সর্বোপরি অবসর বিনোদন কোনো কিছুই বাদ যেত না। প্রতি রাতে বাসায় ফিরতাম একটা দেড়টার দিকে। উত্থাল রাজপথ, সরকারি বাহিনীর সতর্ক প্রহরা, ছাত্রলীগের মহড়া, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গ্রেপ্তার বাণিজ্য-গুম, খুনের হুমকি ইত্যাদি থাকা সত্ত্বেও ভয়হীন চিত্ত নিয়ে দুর্বার গতিতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট পার করেছি। কিন্তু আগস্ট মাসের ৫ তারিখ থেকে আজ অবধি আমার সেই গতি ধীরে ধীরে উধাও হয়ে কীভাবে আমাকে নির্জীব বানিয়ে ফেলেছে সে কথা বলে আজকের নিবন্ধ শেষ করব।

স্বাধীনতার পর আমার কোনোদিন মনে হয়নি আমার দেশ বিদেশি কোনো শক্তি দখল করতে আসবে। আমরা রোহিঙ্গা, সিরীয় মুসলমান কিংবা ফিলিস্তিনিদের মতো উদ্বাস্তু হতে পারি এমন দুঃস্বপ্ন কোনোকালে আমাদের তাড়া করেনি। আমাদের দেশে দুর্ভিক্ষ হবে আর ১৯৭৪ সালের দুর্বিষহ স্মৃতি অথবা ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের মতো দুর্ভাগ্য আমাদের দিকে ধেয়ে আসবে এমন আতঙ্ক মস্তিষ্কে স্থান পায়নি। ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গিবাদ, সমকামিতা, চট্টগ্রাম বন্দর মার্কিনি কোম্পানিকে পরিচালনা, জাতিসংঘকে করিডর দেওয়ার নামে টেকনাফ সীমান্তে অরাজকতা, সেন্ট মার্টিন নিয়ে কলিজা ছিদ্র করা কথাবার্তা শোনার পর আমার শরীর মন মস্তিষ্কের ওপর যে চাপ পড়ছে তা গত এক বছরে আমার জীবন ও কবরকে খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

আমি সারাজীবন ধনীদের কাঁদতে দেখিনি। সমাজের গুরুজন শ্রদ্ধাভাজন সমাজপতিদের ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে কলা পাতার মতো থরথর করে কাঁপতে দেখিনি। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের দেউলিয়া হওয়ার ভয়ে সমস্বরে আহাজারি করতে দেখিনি। দেশের পুলিশের একদল ভয় পাচ্ছে, সাবেক দল পালিয়ে গেছে, একাংশ জেলে এবং অপর অংশ জেলের ভয়ে কাঁপছে। লোকজনের সেই আগের বিশ্বাস ও আস্থা নেই। মব সন্ত্রাসীরা এখনো রাগ হলে পুলিশ যাত্রাবাড়ী মডেলে পিটিয়ে মেরে টানিয়ে ঝুলিয়ে রাখার হুমকি দিচ্ছে। এমন কেউ নেই যার প্রতি জনগণের আস্থা ও নির্ভরতা রয়েছে। জাতীয় জীবনে এমন প্রিয়মুখ নেই অথবা প্রিয় কণ্ঠস্বর নেই যার জাদুকরি কণ্ঠ ও ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। উল্লিখিত কারণে সমাজের স্বাভাবিক বন্ধন আলগা হয়ে যাচ্ছে। মাত্র এক বছরের মাথায় বিয়েশাদি-সন্তান উৎপাদন, খানাপিনা-আহার নিদ্রা, ব্যবসাবাণিজ্য বিনোদন এবং বেঁচে থাকার আগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়েছে। সমাজের হাসি-কান্নার স্বাভাবিক সুর পরিবর্তন হয়ে উগ্র উল্লাস কিংবা অতিচিৎকারে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। পাপাচার-অনাচারের শত বছরের ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ভেদ করে নতুন এক জঘন্য ভ্রষ্টাচার শুরু হয়েছে, যা ইতিপূর্বে ছিল না। গত কয়েক মাসের ধর্ষণ, বিয়েবাড়িতে হামলা, গভীর রাতে গেরস্থের ঘরে ঢুকে যা ইচ্ছা তা করা এবং সমাজকে জঙ্গল বানানোর যে পরাকাষ্ঠা দেখা দিয়েছে, তা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সবকিছু ভুলে অবোধ শিশু হওয়া ছাড়া আমার মতো অধমের আর কীইবা করার আছে।

♦ লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

 

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ
বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস
আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’
ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী
রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী

২৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি
সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা
এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা

২৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’

৩৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক
নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার
হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার

৪১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের
ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই
টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস
গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ
গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা
লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি
সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন