শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:৪৯

করোনাযুদ্ধে জয়ী হয়ে ১৩ উপসর্গের কথা জানালেন নারী সাংবাদিক

করোনাযুদ্ধে জয়ী হয়ে ১৩ উপসর্গের কথা জানালেন নারী সাংবাদিক
ক্যাথি অ্যারুই

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এই ভাইরাস জানার আগেই গোটা বিশ্বকে তছনছ করে দিয়েছে। বেশুমার মানুষ মরছে, সৃষ্টিকর্তার কৃপায় কেউ কেউ বেঁচে উঠছেন। করোনা থেকে যারা সুস্থ হয়ে ফিরছেন তাদের অভিজ্ঞতাই বা কী, সেটা জানতেও উদগ্রীব মানুষ। শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর, গা ও গলায় ব্যথা, পেটের সমস্যাকে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এবার করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে নতুন ১৩টি উপসর্গের কথা জানালেন মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজের একজন নারী সাংবাদিক। ক্যাথি অ্যারুই নামের এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক যখন কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন করোনার সাধারণ যে লক্ষণগুলো বলা হচ্ছে তার একটিও অনুভব করতে পারেননি। করোনাযুদ্ধে তিনি যেসব নতুন উপসর্গ ও অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন সেগুলো পাঠকদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ফ্লোরিডা থেকে তিনি ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস ফার্স্ট’ নামের একটু অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বলেন, ‘আমি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত ছিলাম। আমার জন্য রেসপিরেটর দরকার ছিল না, কারণ আমার শ্বাসকষ্ট হয়নি। তবে আমি ১৩টি লক্ষণ পেয়েছি, যেগুলোর বেশিরভাগই নতুন। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ দিন পর্যন্ত অ্যারুই যে লক্ষণগুলো পেয়েছেন যেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- স্বাদ এবং ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, মাথা ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, চোখ জ্বলা এবং জ্বর। সুস্থ হওয়ার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই, তার দুই কন্যা করোনায় সংক্রামিত হয়েছিল। বড় কন্যা ক্রিস্টিনার মধ্যে যেসব লক্ষণ ছিল তা হচ্ছে- জ্বর, ঠান্ডা লাগা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, গলা ব্যথা, ক্লান্তি এবং মাথাব্যথা এবং ছোট কন্যা সোফিয়ার শ্বাসকষ্ট, শুকনো কাশি, প্রচন্ড বুক ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং ক্লান্তি ছিল। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে করোনায় আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি এমন একটি ভাইরাস যেটা আপনার দুর্বলতাগুলো জানে এবং তার মতো করেই আক্রমণ করে। ফলে একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম লক্ষণ দেখা যায়। তিনি বলেন, আমি প্রতিদিন তিনটি করে নতুন উপসর্গের মুখোমুখি হয়েছি এবং চার দিনের মধ্যে আমি কেবল বলেছিলাম যে, আগামীকাল কী নিয়ে আসবে তা আমি জানি না। অ্যারুই আরও বলেছিলেন, ‘চিকিৎসক এবং মহামারী বিশেষজ্ঞরা উভয়েই বলেছিলেন, আগামীকাল কী উপসর্গ নিয়ে আসবে তা আমরা জানি না। এটি আমাদের কাছেও সত্যই নতুন। হ্যাঁ, পরের দিন কী নিয়ে এসেছিল তা কেউ জানত না।’ অ্যারুই বলেছিলেন যে, ভাইরাসে সংক্রমণের আগে তিনি খুব সতর্ক ছিলেন। সেলফ-কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন এবং কোনো জরুরি প্রয়োজনেও বাইরে যেতেন না, এমনকি মুদি দোকানেও না। সুতরাং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যে লক্ষণগুলো উল্লেখ করে চলেছেন সেই শীর্ষ তিনটি লক্ষণের একটিও অবশ্যই আমার লক্ষণ ছিল না।


আপনার মন্তব্য