শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জুন, ২০২১ ২৩:১৭

নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের গোপন লড়াই

নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের গোপন লড়াই
Google News

সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সম্পদ নিউজ সোর্স বা উৎস। আর এই সোর্স কারা তা জানতে মরিয়া মার্কিন প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করে গত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়। ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ কয় সপ্তাহজুড়ে দেশটির আইন মন্ত্রণালয় নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার ৪ সাংবাদিকের ইমেইল সংগ্রহ করতে গোপন আইনি লড়াইয়ে নামে। আর এই লড়াই অব্যাহত থাকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়েও। মূলত, টাইমস সাংবাদিকদের সূত্র কারা, তা খুঁজে বের করতেই ওই প্রচেষ্টা চালায় মার্কিন সরকার। নিউইয়র্ক টাইমসেরই এক আইনজীবী সম্প্রতি বিষয়টি খোলাসা করেছেন। পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন এই আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে টাইমসকে কিছু জানায়নি। অপরদিকে বাইডেন প্রশাসনও ওই লড়াই চালিয়ে যায় গত বছর পর্যন্ত। তবে এ বিষয়ে পত্রিকার কয়েকজন নির্বাহীকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও, এটি যেন প্রকাশ না করা হয়, সেজন্য আদালতের নির্দেশও সংগ্রহ করে বাইডেন প্রশাসন। ওই আদেশের কারণে ই-মেইল সংগ্রহের ওই প্রচেষ্টা সম্পর্কে টাইমসের নির্বাহীরা নিজেদের পত্রিকার কোনো সাংবাদিককেও বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করতে পারেননি। ডেভিড ম্যাকক্র নামে ওই আইনজীবী বলেন, অতি সম্প্রতি একটি কেন্দ্রীয় আদালত ওই আদেশ প্রত্যাহার করে। এ কারণেই তিনি প্রকাশ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে পারছেন। সরকার মূলত চেয়েছিল গুগল যেন টাইমসের ই-মেইল তাদের কাছে হস্তান্তর করে। তবে গুগল এতে সম্মত হয়নি। এরপরই বিষয়টি আদালতে গড়ায়। এর আগে ওয়াশিংটন পোস্ট ও সিএনএন-এর কয়েকজন সাংবাদিককেও একই রকম প্রচেষ্টার বিষয়ে জানায় বাইডেন প্রশাসন। আর তার দুই দিন পরই টাইমসের আইনজীবী পুরো বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করলেন। টাইমসের সম্পাদক ডিন ব্যাকুয়েট উভয় প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের এই কার্যকলাম বাকস্বাধীনতার ওপর আক্রমণের শামিল। তিনি বলেন, ‘গুগল সরকারের দাবিতে সম্মত না হয়ে সঠিক কাজ করেছে। তবে বিষয়টি এত দূর আসাই উচিত ছিল না।’