শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৭, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

শয়তান কুকর্মের সূক্ষ্ম কারিগর

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ
অনলাইন ভার্সন
শয়তান কুকর্মের সূক্ষ্ম কারিগর

‘শয়তান’ এক অদৃশ্য অপশক্তি। আরবি ‘শাতানুন’ থেকে শয়তান শব্দের উৎপত্তি। অর্থ কূপ থেকে পানি ওঠানোর লম্বা দড়ি। কেননা শয়তান ওর কূটকৌশলের মাধ্যমে মানুষকে অন্যায়-অকর্মের দিকে ধাবিত করে, তাই ওকে শয়তান বলা হয়। গ্রিক ভাষায় ওর নাম আজাজিল, যা আরবি ভাষায় হারিস (তাফসিরে কুরতুবি)।

ধূর্ত ও কপট অপশক্তি ‘শয়তান’ মানুষকে ধাপে ধাপে বিভ্রান্ত, পাপগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত করে জাহান্নামি বানায়। পবিত্র কোরআনে শয়তানকে ইবলিস নামে ১১ বার উল্লেখসহ প্রায় ৮৮টি স্থানে শয়তান শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ওর পরিচয় জানিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৬)

“শয়তান জিন জাতির অংশ, ‘ইবলিস’ তো জিনদের একজন...।” (সুরা : কাহফ, আয়াত : ৫০)

মানব-দানবের কুপ্রবৃত্তির আড়ালে ঘরবসতি তোলে শয়তান। মন্দ মানবিক চরিত্রের রূপধারণ করে শয়তান ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব’কে পাপ ও পতনের দিকে টেনে নিয়ে যায়। মহান আল্লাহর সতর্কবাণী, ‘বলো, আমি আশ্রয় চাচ্ছি...আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ঠ থেকে, যে মানুষকে কুমন্ত্রণা দেয়-মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকেও।’ (সুরা : নাস, আয়াত : ১-৬)

শয়তানের মৌলিক বৈশিষ্ট্য

১. শয়তান মহান আল্লাহর আদেশ পালনে অস্বীকৃতির মাধ্যমে চির অবাধ্যতাকারী হয়

২. শয়তান মানুষের পরম ও প্রকাশ্য শত্রু

৩. ফেরেশতার মর্যাদায় পৌঁছা শয়তান মূলত জিন জাতির অন্তর্ভুক্ত

৪. ওর চারটি প্রধান পাখনা রয়েছে

৫. শয়তানের রয়েছে মানুষরূপী অসংখ্য সহযোগী

৬. শয়তান মানুষকে বিভ্রান্তি ও পাপের পথে ধাবিত করে।

অভিশপ্ত শয়তান ইসলাম ও মুসলমানের চরম ক্ষতিসাধনের জন্য পৃথিবীর আনাচকানাচে ‘মানব-দানব’রূপে সদাতৎপর। আমল বিনষ্টকারী শয়তান অত্যন্ত সুচতুর ও শ্লথগতির বিরামহীন কৌশলে মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। প্রিয় নবী (সা.) সতর্ক করে বলেন, ‘শয়তান মানবদেহে রক্ত প্রবাহের ন্যায় শিরা-উপশিরায় চলাচল করে...।’ (বুখারি-মুসলিম)

শয়তান-ওর চেলাপেলা বা কাফির-ফাসিকদের ভয় ঈমানদারদের অন্তরে জাগিয়ে দেয়। মহান আল্লাহর সতর্কবাণী, ‘শয়তান তোমাদের ওর বন্ধুদের ভয় দেখায়...।’ (সুরা : আল-ইমরান, আয়াত : ১৭৫)

শয়তান ঈমানদারদের অন্তরে অভাব-দারিদ্র্যের ভয় উদ্রেক করে ‘ব্যবসায় না হলে, চাকরিটা চলে গেলে তখন কী হবে?’ এমন আশঙ্কা দেখিয়ে শয়তান মানুষের মধ্যে মহান আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা (তাওয়াক্কুল)-এর চেতনা হ্রাস করে দেয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘শয়তান তোমাদের দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং কার্পণ্যের নির্দেশ দেয়।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৬২)

অত্যাচারী, দুরাচারী, অবৈধ অর্থ-অস্ত্রের অধিকারী ও ক্ষমতাধরদের ভয় ঈমানদারদের অন্তরে জাগিয়ে দেওয়া শয়তানেরই কাজ। শয়তান বলে : ‘সাবধান, এরা খুবই ক্ষমতাধর-এদের অনেক টাকা, এদের অনেক লোকজন, এদের সঙ্গে কী পারা সম্ভব?’

বর্ণিত হয়েছে শয়তান-

ছিল আশি হাজার বছর ফেরেশতাদের সঙ্গে,

চল্লিশ হাজার বছর জান্নাতের প্রহরী,

ত্রিশ বছর ছিল নিকটভাজন ফেরেশতাদের দলনেতা,

করেছিল চৌদ্দ হাজার বছর আরশ প্রদক্ষিণ,

১ম আকাশে ওর নাম ছিল-আবেদ,

২য় আকাশে-জাহেদ,

৩য় আকাশে-আরেফ,

৪র্থ আকাশে-ওলি,

৫ম আকাশে-তক্বি,

৬ষ্ঠ আকাশে-খাজিন,

৭ম আকাশে-আজাজিল।

পবিত্র কোরআন-হাদিসে শয়তানের অপকৌশল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তা থেকে বাঁচার পথও দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ঈমান, ইলম, ইখলাস-এই তিন শক্তি হলো শয়তান প্রতিরোধের সুসমন্বিত অস্ত্র, যা শাণিত হয় ‘জিকরুল্লাহ’ বা মহান আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে। ফলে মহান আল্লাহর দেওয়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঈমানদাররা থাকেন সুরক্ষিত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাদের প্ররোচিত করে তা হলে আল্লাহর শরণাপন্ন হও...।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০০)

শয়তানের অপকৌশল, অপতৎপরতা, মোহনীয় প্রলোভন, বিভ্রান্তি, বিতর্ক, বিভেদ-বিভক্তির অনাচার থেকে সতর্ক থাকা মুমিন বান্দার সব সময়ের কর্তব্য।

শয়তানের অপকৌশল

(ক) মানুষকে শিরক ও কুফরে লিপ্ত করা

(খ) বিদআতে (ধর্মীয় নতুনত্বে) জড়িয়ে দেওয়া

(গ) কবিরা গুনাহে আকৃষ্ট করা

(ঘ) ন্যূনতম হলেও ছগিরা গুনাহে উদ্বুদ্ধ করা

(ঙ) ‘মুবাহ’ তথা করলে সওয়াব নেই, না করলে গুনাহ নেই এমন কাজে ব্যস্ত রাখা এবং প্রয়োজনীয় জরুরি ইবাদতকে গৌণভাবে দেখানো

(চ) ফরজ ছেড়ে সুন্নত নিয়ে ব্যস্ত রাখা এবং অধিক পুণ্যময় আমলের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ তৎপরতায় মানুষকে ক্লান্ত করা।

[ইবনু কাইয়্যুম জাওজিয়াহ (রহ.)]

পরিশেষে পবিত্র কোরআনের ভাষায় মোনাজাত, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।’ (সুরা : মুমিন, আয়াত : ৯৭)

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ
কাপাসিয়া, গাজীপুর

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
সর্বশেষ খবর
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

১৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

২১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

৩৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক