শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ মার্চ, ২০১৯ ২৩:১৭

বাংলাদেশিসহ ১০ সাহসী নারী যুক্তরাষ্ট্রে পুরস্কৃত

প্রতিদিন ডেস্ক

Google News

বাংলাদেশি রাজিয়া সুলতানাসহ বিভিন্ন দেশের ১০ সাহসী রমণীকে পুরস্কৃত করল যুক্তরাষ্ট্র। ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার স্টেট ডিপার্টমেন্টে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে ‘ত্রয়োদশ বার্ষিক ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অব কারেজ’ অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল রিচার্ড পম্পেয়ো। এ সময় বিশ্বশান্তি, মানবতা, ন্যায়বিচার, লিঙ্গ সমতা এবং নারী ক্ষমতায়নে অসাধারণ অবদানের জন্য অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান আমেরিকার ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ‘সাহসী বলতে বুঝানো হয়েছে, যারা পরিবর্তনের জন্য সত্যিকার অর্থে কাজ করছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, সামাজিক বঞ্চনা উপেক্ষা করে। যারা কাজের পরিবর্তে শুধু বক্তৃতা করেন, তাদের নয়। উল্লেখ করেন মেলানিয়া ট্রাম্প। খবর এনবিআর নিউজের। ২০০৭ সালের মার্চে চালুর পর থেকে এই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৬৫ দেশের ১২০ নারী। স্ব স্ব দেশের মার্কিন দূতাবাস থেকে একজন সাহসী নারীর মনোনয়ন দেওয়া হয়। চূড়ান্ত তালিকা করেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ১৯৭৩ সালে বার্মার মোঙডোতে রোহিঙ্গা পরিবারে জন্মগ্রহণকারী রাজিয়া সুলতানা দেশত্যাগের পর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেও বার্মার মানুষের অধিকার প্রশ্নে আপসহীন রয়েছেন।

ব্যক্তিজীবনে আইনজীবী, শিক্ষক এবং মানবাধিকার সংগঠক। এদিকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের পরই ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণ সমাবেশে অংশ নিয়ে জাতিরজনক শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজিয়া সুলতানা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মতো নেতা থাকলে বার্মা থেকে রোহিঙ্গাদের কেউই বিতাড়িত করতে পারত না। বঙ্গবন্ধুর সাহসী নেতৃত্বের কারণেই বাঙালিরা আজ স্বাধীন একটি ভূখ  পেয়েছেন।’ ‘রোহিঙ্গারা নাগরিকের অধিকারসহ নিজ বসতভিটায় ফিরতে চায়’-উল্লেখ করেন মানবাধিকার কর্মী রাজিয়া।