Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০১৯ ২৩:৪৮

নোয়াখালী হাসপাতালে ছাদ ধসে ৫ শিশুসহ আহত ১০

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী হাসপাতালে ছাদ ধসে ৫ শিশুসহ আহত ১০

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পলেস্তারা খসে পড়ে পাঁচ শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন- কবিরহাট উপজেলার নলুয়া গ্রামের ইব্রাহিম (৫০), সুমাইয়া (১২), ইসমাইল (৫), সদর উপজেলার মনসাদপুর গ্রামের ইমাম উদ্দিন (৫), সোনাপুরের পারুল বেগম (৪৭), সুবর্ণচর উপজেলার রাসেল (১৬), সাদ্দাম (৩৫) ও রাফি (২)। ভুক্তভোগীরা জানান, সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ৪নং শিশু  ওয়ার্ডের ছাদের পলেস্তারা ভেঙে নিচে থাকা শিশু ও রোগীদের গায়ে পড়ে। এ সময় রোগী ও স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিন রোগী শিশু ও তাদের স্বজনসহ ১০ জনের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফেটে গিয়ে জখম হয়। খবর পেয়ে মাইজদি ফায়ার স্টেশনের লোকজন ঘটনাস্থল গিয়ে অন্য রোগীদের বের করে আনে। আহতদের মধ্যে ১ শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এতে সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে রোগী ভর্তি কার্যক্রম। এ হাসপাতালটি ৭০ দশকে স্থাপিত হয়। ২০১৫ সালে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরেও এ ভবনের দোতলায় দুটি শিশু একটি মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডে চলছে চিকিৎসা। শুধু তাই নয় এ ভবনের নিচতলায় জরুরি বিভাগে আসা রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গত বছর তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ তলা ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের স্থলে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালেও এ হাসপাতালের পুরনো ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ওয়ার্ডের ছাদ ধসে দুই নার্স আহত হয়েছেন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, আহতদের উদ্ধার করে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম আর চলবে না ওয়ার্ড সিলগালা করা হবে।

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান জানান, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালটি ২০১৫ সালে পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরেও এ ভবনে দোতলায় চলছে চিকিৎসা সেবা।


আপনার মন্তব্য