শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২০

গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মশার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিততে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্বে মানুষের অনেক ধরনের শত্রু আছে, তবে এই মুহূর্তে মানুষের জন্য ছোট আকারের সবচেয়ে বড় শত্রু মশা। অনেক ভয়ানক রোগের চেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় মশাবাহিত রোগে। তাই এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতে হবে। গতকাল বিকালে কালের কণ্ঠ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদফতর, কালের কণ্ঠ ও ব্র্যাক আয়োজিত ‘ম্যালেরিয়া নির্মূলে অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনায় মন্ত্রী প্রধান অতিথি ছিলেন। জাহিদ মালেক বলেন, দেশে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব অনেক কমে গেছে, আশা করি ২০৩০ সালের আগেই আমরা বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে ম্যালেরিয়ামুক্ত করতে সক্ষম হব। এ জন্য যা করা দরকার আমরা তা অবশ্যই করব। মন্ত্রী বলেন, ম্যালেরিয়া নির্মূলে ক্রস বর্ডার ট্রান্সমিশন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় রাতারাতি ব্যবস্থা নিয়ে আমরা সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছি। যদিও প্রশংসার তুলনায় সমালোচনা বেশি হয়েছে। তবে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশের মতো হয়তো আরও  বেশি সংখ্যক প্রাণহানি ঘটতে পারত। তবু আমরা একজনের মৃত্যুও দেখতে চাই না। সে জন্য আমাদের কার্যক্রম সবসময়ই অব্যাহত থাকবে। কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের সঞ্চালনায়  গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল। আরও বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের সহ-আয়োজক ব্র্যাকের কমিউনিকেবল ডিজিজেস ও ওয়াশ কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম, জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আক্তারুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক ও ম্যালেরিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের মেডিকেল অফিসার মিয়া সেপাল, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর