শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১ আপডেট:

আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা অধরা

গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন পরিচ্ছন্ন নিরাপদ স্মার্ট সিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা অধরা

‘আমরা এমনভাবে ফুটপাথ তৈরি করেছি যাতে একজন অন্ধ বা প্রতিবন্ধী মানুষ নির্বিঘ্নে চলতে পারেন। সারা বিশ্ব থেকে লোকজন আমাদের রাস্তা-ফুটপাথ দেখতে আসবেন। শহর অনেক নিরাপদ হয়ে যাবে। ঢাকা শহর বদলে যেতে শুরু করেছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, কে কোন কাজ করছেন তার সব আমি জানি।’ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তির প্রাক্কালে ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঢাকাকে নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র আনিসুল হক। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের আগেই মৃত্যুর হাতে জীবন সপে দিয়েছেন স্বপ্নবাজ মেয়র আনিসুল হক। পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, স্মার্ট ঢাকার স্বপ্ন দেখেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম মেয়র আনিসুল হক। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস চালুর পরিকল্পনা, কারওয়ান বাজার কাঁচা বাজার সরানো, তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অকালে চলে গেলেন তিনি। অধরাই থেকে গেছে স্বপ্নবাজ মেয়র আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা। গত ৩০ নভেম্বর আনিসুল হকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আনিসুল হকের অসম্পূর্ণ কাজ আমরা সম্পন্ন করছি। তিনি নিরাপদ, স্মার্ট ঢাকা গড়তে চেয়েছিলেন। আমরা সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি।’ ঢাকাকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মেয়র আনিসুল হকের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেছেন, আনিসুল হক ঢাকাকে বদলে দিতে অসংখ্য প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন, যেগুলোর বেশ কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তাকে খুব কাছে থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল। মেয়রের কাজের বাইরে গিয়ে তিনি যানজট নিরসনে মহাখালী-গাজীপুর পর্যন্ত ইউটার্নের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ৪ হাজার বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। শাহাবুদ্দিন পার্ক, বনানী পার্ক ও মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড মাঠে পার্কের নকশা আমাকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছিলেন। ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, আনিসুল হক হাতিরঝিলের মতো আরও তিনটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। উত্তরার দিকে জলনিসর্গ নামে প্রকল্প ছিল তাঁর। এ ছাড়া কল্যাণপুরের পেছনে গিয়ে গাবতলীর পাশে এবং রামপুরা কাটাসুর খালকে কেন্দ্র করে প্রকল্পের অনুমোদন প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এতে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্র পেত নগরীর মানুষ। জলাধার সংরক্ষণে বিশেষ নজর ছিল তাঁর। আনিসুল হক বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মোবাইল লাইব্রেরির অনুকরণে মোবাইল স্কুল খোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁর মৃত ছেলে সারাফের নামে তিনি এ প্রকল্পের নামকরণ করেছিলেন। ঢাকার সর্বস্তরের মানুষই ছিল মেয়রের পরিকল্পনার ভিতরে। সবাইকে নিয়ে স্মার্ট ঢাকা গড়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। ঢাকার নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ২৬টি প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন আনিসুল হক। গার্মেন্ট শ্রমিকদের নামমাত্র সুদে ঋণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের আবাসনের ব্যবস্থা হাতে নিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে তিনি তিনটির অনুমোদন পেয়েছিলেন। এর একটি ছিল তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদী গ্রুপ।

যানজট নিরসনে মহাখালী-গাজীপুর পর্যন্ত ইউটার্নের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ৪ হাজার বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। শাহাবুদ্দিন পার্ক, বনানী পার্ক ও মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড মাঠে পার্কের নকশা করেছিলেন

এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে স্থায়ী বাসস্থান পেত অবহেলিত মানুষগুলো। স্মার্ট নগরীর পরিকল্পনার বিষয়ে ইকবাল হাবিব বলেন, নাগরিক সুবিধা সহজ করতে স্মার্টকার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মেয়র আনিসুল হক। ডিজিটাল কার্ডে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করে খুব দ্রুত সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। একটি নিরাপদ, আধুনিক ও নারীবান্ধব মহানগর গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ মে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেন আনিসুল হক। সিটি মেয়রের দায়িত্ব নিয়েই রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করেন তিনি। রাজধানীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর হৃদয়ে ঠাঁই নিয়েছিলেন আনিসুল হক। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনা সমর্থিত সরকার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তার মোড় থেকে ট্রাকস্ট্যান্ড, গাবতলীতে ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করতে না পারলেও মেয়র হিসেবে তা উচ্ছেদ করে দেখিয়েছেন তিনি। শুধু উচ্ছেদই নয়, এগুলো সরিয়ে রাস্তা সংস্কার করে দিয়েছেন নগরবাসীর সুবিধার্থে। কূটনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গুলশান-বারিধারার নিরাপত্তা জোরদার, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোর দখলে থাকা ফুটপাথ জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা, গুলশান-বনানী এলাকা থেকে পুরনো বাস সরিয়ে ‘ঢাকা চাকা’ নামের নতুন এসি বাস সার্ভিস চালু, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনভুক্ত এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, ‘সবুজ ঢাকা’ নামের বিশেষ সবুজায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে নাগরিক মহলে বিশেষ প্রশংসিত হন তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ফিরিয়ে এনেছেন জনগণের সম্পত্তি। নগরীকে নিরাপদ করতে তাঁর উত্তর সিটি এলাকায় প্রায় ৫ হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগিয়েছেন তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সমস্যায় দিনে-রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নাগরিকবাসীর আস্থাভাজন হয়েছেন মেয়র আনিসুল হক। যে কোনো নতুন ভাবনা মাথায় এলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে তার উপযোগিতা যাচাই করতেন তিনি। সাতরাস্তা থেকে উত্তরা পর্যন্ত ইউটার্ন প্রকল্প নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন আনিসুল হক। প্রকল্প সম্পন্ন হয়ে ইতিমধ্যে চালু হয়ে গেছে। এর সুফল পেতে শুরু করেছে মানুষ। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীতে ছয়টি কোম্পানির আওতায় বাস নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। বাস মালিকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করে প্রায় গুছিয়ে এনেছিলেন সবকিছু। তাঁর মৃত্যুর চার বছর পার হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি কোম্পানিভিত্তিক বাস প্রকল্প। সড়কে ঝরছে প্রাণ, রাস্তায় আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

কারওয়ান বাজার কাঁচাবাজার সরিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। কাঁচাবাজার সরিয়ে গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী নবনির্মিত মার্কেটে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কোটি টাকা ব্যয়ে মার্কেট নির্মাণ হলেও কাঁচাবাজার সরানোর কোনো কার্যক্রম নেই। আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা নির্মাণ এখনো প্রায় স্বপ্ন পর্যায়েই আছে।

এই বিভাগের আরও খবর
দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে ৫৯ প্রতিষ্ঠানের চুক্তি স্বাক্ষর
দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে ৫৯ প্রতিষ্ঠানের চুক্তি স্বাক্ষর
পোশাক কারখানার স্টোরে কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ
পোশাক কারখানার স্টোরে কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ
শ্রীপুরে ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার, ব্যাগে ৭০ হাজার টাকা
শ্রীপুরে ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার, ব্যাগে ৭০ হাজার টাকা
মুক্তিতে বাধা নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের
মুক্তিতে বাধা নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের
উত্থানে হাজার কোটি ছাড়াল লেনদেন
উত্থানে হাজার কোটি ছাড়াল লেনদেন
তিনজনের ফাঁসি যাবজ্জীবন ছয়জনের
তিনজনের ফাঁসি যাবজ্জীবন ছয়জনের
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
অনুপ্রবেশ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নয়
অনুপ্রবেশ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নয়
এমপিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার পরামর্শ
এমপিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার পরামর্শ
শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনের খুনিরা পুলিশের ছকে : ডিবি
শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনের খুনিরা পুলিশের ছকে : ডিবি
আর্থিক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নয়
আর্থিক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নয়
জামায়াতের ব্যয় সাড়ে ৪ কোটি টাকা
জামায়াতের ব্যয় সাড়ে ৪ কোটি টাকা
সর্বশেষ খবর
৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন দিল চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক
৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন দিল চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

প্রতারণা এড়াতে নির্ধারিত অ্যাপ থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ
প্রতারণা এড়াতে নির্ধারিত অ্যাপ থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে মন্দিরের দেওয়াল ধসে ছয় জনের মৃত্যু
ভারতে মন্দিরের দেওয়াল ধসে ছয় জনের মৃত্যু

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারকে নিয়ে কড়া বার্তা আনচেলত্তির
নেইমারকে নিয়ে কড়া বার্তা আনচেলত্তির

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের দু’দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শুরু
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের দু’দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শুরু

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য
মাছ ধরার নৌকায় কুয়েতে ঢুকে পড়ে আইআরজিসির ৪ সদস্য

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার
টেকনাফে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ
লেবাননের দক্ষিণে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প
সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি একটুও ভাবি না : ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই
কারিনা কায়সারকে লিভার ডোনেট করবেন তার ভাই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা
সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়ার উপকারিতা

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস
ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন
রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে সফলভাবে স্টেন্ট স্থাপন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প
যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেহরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
দেশের আট জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর
শিরোপার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
স্থানীয় নির্বাচনী বিধিতে সংশোধন নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বার্সার ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
ঈদুল আজহা : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা
জাঁকজমকে শুরু কান চলচ্চিত্র উৎসব, ৭৯তম আসরে তারকার মেলা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া
সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে, রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় সোরিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট
বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে
দেশব্যাপী ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী
‘কখনো ভাবিনি বিদায় বলতে হবে’, নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারত ছাড়ছেন অভিনেত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট
চরম খাদ্য সংকটে ‘হাড্ডিসার’ ইউক্রেনের সম্মুখ সারির সেনারা: রিপোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের
তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে ‘কিউআর কোড’

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?
মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, সিসিভেদে বছরে কত?

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
নাহিদের ৫ উইকেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স
গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব: রয়টার্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের
আবার হামলা হলে পারমাণবিক বোমা তৈরির হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন
রহস্যে ঘেরা রুশ জাহাজডুবি, সত্যিই কি পারমাণবিক গোপন মিশন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ
হরমুজ পাড়ি দিতে ইরানের ‘নতুন নিয়ম’, অনুমতি ছাড়া চলবে না কোনো জাহাজ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন
থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের
বিশ্বরেকর্ড গড়া হলো না শান্তের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক
ট্রাম্পকে অপদস্থ করতে চায় ইরান: বিশ্লেষক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে
ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
ঈদ উপলক্ষে শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষিত বেকার কমাতে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ
গুরুতর অসুস্থ কারিনাকে চেন্নাইয়ে স্থানান্তর, যেতে পারেননি কায়সার হামিদ

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা থেকে সাঁতরে ভারতে এলেন এক দম্পতি, নতুন ইতিহাস

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা
‘দৃশ্যম’ কায়দায় লাশ গুম ফেনীতে, গৃহবধূকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ভবনে বালুচাপা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস
যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৮, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাঠজরিপ শুরু পশ্চিমবঙ্গের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা
ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী
‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসু গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র
চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজের অভিযোগ স্বীকার করলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেয়র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও
বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা পেলেন নেইমার, তবে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সম্পাদকীয়

মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে
মেধাস্বত্ব শর্ত নতুন আমদানিনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়
উত্তর ও দক্ষিণে যারা আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা
সংসদ লাইব্রেরি ব্যবহারে এগিয়ে বিরোধীদলীয় এমপিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে  কার্যতালিকায় কারসাজি!
জামিন আবেদন দ্রুত শুনানিতে কার্যতালিকায় কারসাজি!

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে তৈরি হবে হামের টিকা
দেশে তৈরি হবে হামের টিকা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত
ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ভারত

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে
বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশ জিতবে

মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি
হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালু হচ্ছে বাংলা কিউআর কোড

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা
দুর্লভ ধূসর ডানাকালো দামা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস
ফাইনালে মোহামেডানকে পেল কিংস

মাঠে ময়দানে

হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি
হামে ৪ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, ইউনূসের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে চারজনের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল
দখল-দূষণে মৃতপ্রায় বগডুমারি খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের
অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শঙ্কা সেশন জটের

পেছনের পৃষ্ঠা

ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত
ইউক্রেন যুদ্ধে ময়মনসিংহের যুবক নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার
১০ দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ শুক্রবার

নগর জীবন

দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি
দিবালার স্বপ্নভঙ্গ নাকি করুণ সমাপ্তি

মাঠে ময়দানে

বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই
বরিশালে কোরবানির পশুর সংকট নেই

নগর জীবন

চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট
চমেক হাসপাতালে পিআইসিইউ সংকট

নগর জীবন

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস
আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন
চাঁদাবাজি বন্ধে চালু থাকবে হটলাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ
সরানো হলো মহাসড়কের পাশের আবর্জনা স্তূপ

দেশগ্রাম

পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর
পানিতে দুর্গন্ধ, ভোগান্তি পৌরবাসীর

দেশগ্রাম