শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া, বাড়ছে পিঁয়াজের ঝাঁজ

বাজারদর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া, বাড়ছে পিঁয়াজের ঝাঁজ

শীতকালীন সবজিতে ভরপুর রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো। বর্তমানে সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো চড়া। ক্রেতারা বলছেন, মৌসুমের সবজি আসায় আশা করেছিলাম দাম কমবে। দাম কিছুটা কমলেও তা আশানুরূপ নয়। বেড়েছে পিঁয়াজের ঝাঁজ। প্রায় এক মাসের মধ্যে পিঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি কেজি ১২০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগেও দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সবজির সরবরাহ গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। বাজারে এখন লাউ, বেগুন, টম্যাটো, শিম, শসা, কুমড়া, করলা, বরবটি, পুঁইশাকসহ প্রায় সব ধরনের সবজির প্রাচুর্য; তবুও দাম কমেনি বরং স্থিতিশীলভাবেই চড়া রয়েছে। পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঠ থেকে উৎপাদন ভালো আসায় ট্রাকে করে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ সবজি ঢুকছে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে। কিন্তু বাজারে ‘অঘোষিত সিন্ডিকেট’ দাম কমতে দিচ্ছে না। ফলে খুচরা বাজারে আসার পর সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে আরও বেশি। কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আগের তুলনায় অনেক বেশি পণ্য পাচ্ছি। কিন্তু ট্রাকভাড়া, শ্রম খরচ সব মিলিয়ে পাইকারি দাম কমানো যাচ্ছে না। তবে দাম যে একেবারে কমে নাই তা বলা যাবে না। খুচরা বিক্রেতারাও বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে। তবে আশা করা যায় সপ্তাহ খানেক পর দাম পড়ে যাবে। যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, রায়েরবাগের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, টম্যাটো ৯০-১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০-১৫০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা, বরবটি ১০০-১২০ টাকা, করলা ৮০-৯০ টাকা, লাউ ৭০-৮০ টাকা (একটি), পুঁইশাক ৩০-৩৫ টাকা, লালশাক, মুলাশাক প্রতিমুঠো ৩০ টাকা, লাউশাক ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীতে বাজার করতে আসা রহিমা বেগম বলেন, ‘বাজারে সবজির পাহাড়, সস্তা হওয়ার কথা। কিন্তু দাম শুনলে মাথা ঘুরে যায়। পরিবার চালানোই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’ ক্রেতাদের অভিযোগ সরবরাহ যখন বেড়েছে এবং পরিবেশ অনুকূল, তখন দাম কমা স্বাভাবিক। কিন্তু এক শ্রেণির ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে দাম উঁচুতে ধরে রাখছে। একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের মানুষ কষ্টে আছে, কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছে। সরকার নজরদারি বাড়ালেই দাম কমবে। বিক্রেতারা দাবি করছেন, তারা মুনাফা বেশি করছেন না; বরং পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের হাতে কিছু নেই। পাইকারি বাজারে রাতারাতি ১০-১৫ টাকা বাড়ালে আমরা কম দামে বিক্রি করব কীভাবে?

রাজধানীর মিরপুর ১১ ও ১২ এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবচেয়ে সাশ্রয়ী হিসেবে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও চাষের তেলাপিয়া দুটোরই দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা। তবে অন্যান্য সব ধরনের মাছ ও মুরগির দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। সোনালি মুরগি কেজিতে ৩২০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে চাষের পাঙাশ ২২০ টাকা হলেও নদীর পাঙাশ ৩৫০ টাকা। চাষের রুই ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং নদীর বড় রুই ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলের দাম ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, বোয়াল ৫৫০ থেকে ১২০০ টাকা, ইলিশ ১৯০০ থেকে ২২০০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, রূপচাঁদা ১০৫০ টাকা, কালো চান্দা ৭০০ টাকা, চিতল ৫৫০ টাকা, বড় শোল ৭৫০ টাকা, মাগুর ৭০০ টাকা, বাটা ৫৫০ টাকা এবং দেশি টেংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারেও ক্রেতাদের জন্য তেমন স্বস্তির খবর নেই। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা শীতের আগের দামের তুলনায় কিছুটা বেশি।

ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজি ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দামই এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই এবং মাংস কিনতেও গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও জানান তারা।

এই বিভাগের আরও খবর
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সর্বশেষ খবর
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার
জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

৩৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা
ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়
কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা
রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি
পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল
সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়
সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়
ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা
শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ
উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন
ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে
যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা