Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ মে, ২০১৯ ১০:২৩
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৯ ১২:৪৪

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন যারা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন যারা
ইয়োইন মরগান, এড জয়সে, এন্ডারসন কামিন্স ও কেপলার ওয়েসেলস (বাম দিক থেকে)

ক্রিকেটে সব সময়ই বিস্ময় থাকে, যা খেলাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। তবে ক্রিকেট বিশ্বে এমন কিছু ঘটনা আছে যা কদাচিত হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। ক্রিকেটে কিছু খেলোয়াড় আছেন যারা দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন। যা সত্যিই গর্বের ব্যাপার। এ তালিকায় চার জন খেলোয়াড় আছেন যারা ভিন্ন দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলেছেন।

ইয়োইন মরগান (আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড) : 
আয়ারল্যান্ডের একজন ক্রিকেটার বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কত্ব করতে যাচ্ছেন। ইংলিশ ওয়ানডে দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হচ্ছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়োইন মরগান। হতাশাজনকভাবে ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার পর তার অধীনেই দলটির এতটাই উন্নতি হয়েছে যে, এবারের আসরে তারা ফেবারিট।

মরগান তার প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন আয়ারলান্ডের হয়ে ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসরে। চার বছর পরের আসরেও ২০১১ সালে খেলেছেন  আয়ারল্যান্ডের হয়ে। তবে এবার খেলছেন ইংল্যান্ডের হয়ে, অধিনায়ক হিসেবে। ২০১৫ আসরেও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইংলিশ দলের নেতৃত্ব দেন মরগান।

এড জয়সে (ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড) : 
এ তালিকায় আরেক আইরিশ এড জয়সে। বাঁ-হাতি এ ব্যাটসম্যান আয়ারল্যান্ডের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং বেশ কিছু দিন দেশের হয়ে খেলেছেন। 

তবে ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত ২০০৭ বিশ্বকাপে এড জয়সে ইংলিশ দলের সদস্য ছিলেন। পুনরায় আয়ারল্যান্ডে ফেরার আগে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। এখন তিনি নিজের জন্মস্থান আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০১১ বিশ্বকাপে জয়সে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং বিশ্বকাপে দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব করার তালিকায় নাম লেখান।

এন্ডারসন কামিন্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও কানাডা) : 
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করা কামিন্স ছিলেন একজন বোলিং অলরাউন্ডার। ১৯৯০ দশকের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। এমনকি ১৯৯২ বিশ্বকাপে তিনি ক্যারিবীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরে ক্যারিবীয় দল থেকে অবসর নিয়ে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান এবং পুনরায় খেলা শুরু করেন। ক্যারিবীয় দ্বীপ ঞ্জে অনুষ্ঠিত ২০০৭ বিশ্বকাপে তিনি কানাডা দলে অন্তর্ভূক্ত হয়ে অনেককেই বিস্মিত করেন। ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে দুই দেশের হয়ে দু’টি বিশ্বকাপ খেলেছেন কামিন্স।

কেপলার ওয়েসেলস (অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা) : 
বিশ্ব ক্রিকেটে দু’টি বড় দেশ অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তারা দু’টি পরাশক্তি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আসন্ন ২০১৯ বিশ্বকাপেও তারা দু’টি ফেবারিট দল। কিন্তু একজন খেলোয়াড় ছিলেন যিনি শক্তিশালী দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন। তিনি হলেন কেপলার ওয়েসেলস।

মিডল অর্ডারের একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে খ্যাতি অর্জন করা দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভুত কেপলার দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ১৯৮৩ বিশ্বকাপে খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। পরে ১৯৯১ সালে পুনরায় কেপলারের দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে ফেরা দৃশ্যমান হয়। জন্মগ্রহণকারী নিজ দেশের হয়ে খেলতে ফিরেন তিনি। ১৯৯২ বিশ্বকাপে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা দলের নেতৃত্ব দেন এবং দলকে সেমি ফাইনালে উন্নীত করেন। অল্পের জন্য ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় প্রোটিয়ারা।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য