শিরোনাম
১৭ আগস্ট, ২০২১ ১৯:৫৪
বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদন

গ্রাহকের টাকা নিয়ে ‘উধাও’ ই-অরেঞ্জ, যা বললেন মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক

গ্রাহকের টাকা নিয়ে ‘উধাও’ ই-অরেঞ্জ, যা বললেন মাশরাফি

মাশরাফি বিন মুর্তজা

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে এমন অভিযোগ উঠেছে অনলাইন শপ ‘ই-অরেঞ্জ' এর বিরুদ্ধে। একটা সময় এই প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছা দূত হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। ই-অরেঞ্জ উধাও হওয়ার ঘটনায় মাশরাফি বিন মুর্তজার মিরপুরের বাসার সামনে কিছু গ্রাহক বিক্ষোভ করেছেন। 

ম্যাশের শুভেচ্ছা দূতিয়ালির মেয়াদ আরও আগেই শেষ হয়ে গেছে। তারপরও তিনি প্রতারিক গ্রাহকদের মামলায় সহায়তা করেছেন।

ই-অরেঞ্জ ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করা অনলাইন শপিং শপ যার বিরুদ্ধে সম্প্রতি একদল গ্রাহক তাদের টাকা নিয়ে সময়মত পণ্য সরবরাহ না করার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করে এবং তাদের একটি দল মাশরাফির মিরপুরের বাসার সামনেও বিক্ষোভ করে।

বিষয়টি নিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ‘দোষারোপ করার আগে জানতে হবে আমি শেয়ার হোল্ডার কি না। আপনি যখন মালিকানায় না থাকবেন, তখন কীই বা করতে পারবেন। আমি চেষ্টা করেছি ওনাদের সহযোগিতা করার, তবে তাদের সাথে আমার চুক্তি এক দেড় মাস আগে শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে যখন অফার আসে তখন তাদের ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না সেটা দেখি। তারা যদি অনুমোদিত না হয় সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠতে পারে কিন্তু অনুমোদিত হলে তো প্রশ্ন ওঠে না। আগে ২০-৩০টা কোম্পানির সাথে কাজ করেছি, কিন্তু সমস্যা হয়নি। এখন কোনো এক কোম্পানির জন্য বিজ্ঞাপন করলাম, কিন্তু তাদের পানির ভেতর যদি পোকা পান। তাহলে এটার সমাধান কী?"

ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, "আমাকে ফোন দিয়েছিল, আমি বলেছি ঠিক আছে আমাদের কাছে আসেন। আমি যদি ১% ও মালিক হতাম সেক্ষেত্রে আমি দায় নিতে পারতাম, আমি যেহেতু শুভেচ্ছা দূত আমি এটা সমাধান করতে পারি না। তাও যতটুকু সম্ভব ছিল করেছি। মামলার জন্য সাহায্য করেছি আমি, খুব সম্ভবত গুলশান থানায় একটি মামলাও হয়েছে"।

এদিকে, পণ্য না দেয়া বা অগ্রিম নেয়া অর্থ ফেরত না দেয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। সে মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানের জামিনের আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর