শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৩, রবিবার, ১০ মে, ২০২৬ আপডেট: ১২:৪৪, রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা

প্রফেসর ডা. শেখ জিন্নাত আরা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
বারবার গর্ভপাত : নীরব কষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও সচেতনতা

বারবার গর্ভপাত বা সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়াটা অত্যন্ত শারীরিক ও মানসিক কষ্টের কারণ। Recurrent Miscarriage বা ঘন ঘন গর্ভপাত বলতে বুঝায় “২০ সপ্তাহ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভের শিশুটি দুই বা আরও বেশিবার নষ্ট হয়ে যাওয়া।” দেখা গেছে, এটি সাধারণত ১-৫% নারীকে আক্রান্ত করে থাকে। যে সকল নারীরা এই পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতে ভুগে থাকেন, তারা মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েন। তাদেরকে সাহায্যের হাত বাড়ানো সকলের উচিত।

কি কারণে পুনরাবৃত্ত বা বারবার গর্ভপাত ঘটে:

  • জিনগত অস্বাভাবিকতা: সবচাইতে বড় কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্রোমোজোমের সমস্যা। তবে পরিবেশগত কারণেও ক্রোমোজোম বা জিনের সমস্যা হয়ে থাকে, যা বারবার গর্ভপাতের কারণ হতে পারে।

  • জরায়ু সংক্রান্ত বিষয়: অনেক সময় জরায়ুতে জন্মগত ত্রুটি থাকে যা তার গঠনে হেরফের করে; যেমন—জরায়ুর মাঝখানে পর্দা থাকা, জরায়ু দুভাগে বিভক্ত থাকা। এছাড়া জরায়ুতে টিউমার (ফাইব্রয়েড) বা প্রদাহ বা ক্ষত চিহ্নও পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতের কারণ হতে পারে।

  • হরমোনজনিত সমস্যা: PCOS (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম), অনিয়মিত থাইরয়েড রোগ বা প্রোজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতের অন্যতম কারণ। প্রোলেক্টিন-এর অসামঞ্জস্যতাও গর্ভপাত ঘটিয়ে থাকে।

  • রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা: (Thrombophilia Disorder) থ্রম্বোফিলিয়া, অ্যান্টিফসফোলিপিড, SLE (এসএলই) রোগগুলোর ক্ষেত্রে বারবার গর্ভপাত ঘটে থাকে।

  • অজানা বা অব্যক্ত: প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো স্পষ্ট কারণ শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। শরীরের Immunity (রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা) ও স্বামীর শুক্রাণুর ত্রুটি থাকলেও গর্ভপাত ঘটে।

সাধারণত যে সকল দম্পতির বারবার গর্ভনষ্ট হয়েছে, তারা যখন ডাক্তারের কাছে আসেন, ডাক্তার তখন তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত হিস্ট্রি (ইতিহাস) নিয়ে থাকেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে। তারপর ডাক্তার তাদের কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন যা থেকে বোঝার চেষ্টা করেন যে, তাদের কোনো সমস্যা রয়েছে কিনা। যেগুলোর দিকে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার—যেমন ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করার পর সন্তান নিতে বলেন। একইভাবে এ সকল দম্পতিকে পরবর্তী সন্তান ধারণের আগেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে বলা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগ রয়েছে কিনা সেটা নির্ধারণ ও তার চিকিৎসা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সকল দম্পতিকে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেগুলো হচ্ছে—অধিক বয়সের আগেই সন্তান ধারণ করা উচিত। সুষম খাদ্য গ্রহণ ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ধূমপান, অধিক মদ্যপান ও কফিপান থেকে বিরত থাকতে হবে; কেননা এগুলো সন্তান ধারণে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়:

বয়স গর্ভপাতের সম্ভাবনা (%)
৩৫ এর নিচে ১১-১৫%
৩৫-৩৮ বৎসর ২৫%
৪০-৪৪ বৎসর ৫১%
৪৫ এর বেশি ৯৩%

সুতরাং ৩০-৩৫ বছরের মধ্যে সন্তান নিয়ে নেওয়া ভালো।

চলুন এবারে দেখে নেওয়া যাক কী কী পরীক্ষা করা প্রয়োজন:

রক্তের হিমোগ্লোবিন, APS Test বা Thrombophilia Screen Test, ডায়াবেটিস, Thyroid Test, Prolactin Test, TORCH পরীক্ষা এবং জরায়ুর USG করতে হয়; এতে PCOS বা ফাইব্রয়েড আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।

Genetic Testing: যেহেতু পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতের জন্য ক্রোমোজোম দায়ী, বেশ অনেক ক্ষেত্রে মা ও বাবা দুজনের ক্রোমোজোম অ্যানালাইসিস করা হয়। সবকিছু করার পর ডাক্তারগণ চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

চিকিৎসাসমূহ:

  • পরিবর্তিত জীবনযাপন: ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ধূমপান বন্ধ করতে হবে। উভয়ের কফি ও অ্যালকোহল গ্রহণ কমাতে হবে। শরীরচর্চা করতে হবে। ঠিকমতো ঘুমাতে হবে এবং দুশ্চিন্তা পরিহার করতে হবে।

  • থ্রম্বোফিলিক অথবা অ্যান্টিফসফোলিপিড সিনড্রোমের ক্ষেত্রে: রোগীকে হেপারিন ইনজেকশন দিতে হতে পারে। অনেক সময় অ্যাসপিরিন (Aspirin) দেওয়া হয়ে থাকে। অ্যাসপিরিন ও হেপারিন রক্ত জমাট বাঁধাকে প্রতিহিত করে পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতকে অনেকাংশে ঠেকাতে পারে।

  • অন্যান্য: থাইরয়েড, প্রোলেক্টিন ও ডায়াবেটিস থাকলে সেগুলোর যথাযথ চিকিৎসা করে তবেই সন্তান গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।

  • শল্য চিকিৎসা: অনেক সময় জরায়ুর ফাইব্রয়েড ও পর্দা বা সেপ্টাম অপারেশন করে সরিয়ে ফেলতে হতে পারে। যে সকল নারীদের জরায়ুর মুখ (Cervix) ঢিলা থাকে, তাদেরকে সুতা দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয় (Cerclage)। যা পরবর্তীতে প্রসবের আগে কেটে দেওয়া হয়।

  • হরমোন চিকিৎসা: সন্তান ধারণের পরেও হেপারিন/অ্যাসপিরিন বা হরমোনের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হতে পারে। প্রোজেস্টেরন হরমোন গর্ভকালীন অবস্থায় জরায়ুকে শান্ত রাখে এবং সংকোচন করতে দেয় না, ফলে পুনরাবৃত্ত গর্ভপাত রোধ করা সম্ভব হয়।

যেসব ক্ষেত্রে পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতের সঠিক কোনো কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না, সেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া যায় না। তাই বলে যে আবার গর্ভপাত হবে এমনটিও নয়। ভবিষ্যতে গর্ভধারণ সফল হতে পারে। তাই সেক্ষেত্রে দম্পতিদের ডাক্তারের সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখার উপদেশ দেওয়া হয়ে থাকে।

যে সকল দম্পতির বারবার গর্ভপাত হয়, তাদের অনেক রকম মানসিক যন্ত্রণা হয়ে থাকে। সেজন্য তাদেরকে অত্যন্ত যত্ন, ভালোবাসা ও আদর দিয়ে আগলে রাখতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে মানসিক ডাক্তারের সাহায্যও নিতে হতে পারে। তবে বারবার সন্তান নষ্ট হয়েছে বলে আবার এমনটি হবে তা নয়; এবং এই পুনরাবৃত্ত গর্ভপাতের জন্য স্ত্রী বা স্বামী কারও একক দোষ নেই। এটি কোনো জিন-ভূতের ব্যাপারও নয়। সঠিক কারণ নির্ধারণ করে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে আপনার কোল জুড়ে একটি সুন্দর ফুটফুটে সন্তান আসতে পারবে।

লেখক: গাইনোকলজি, প্রসূতি, ইনফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন 

মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস, ধানমন্ডি

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সর্বশেষ খবর
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক