শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:১৫

ভালোবাসার দিনে জয় উপহার দিতে চায় বসুন্ধরা কিংস

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ভালোবাসার দিনে জয় উপহার দিতে চায় বসুন্ধরা কিংস

ভালোবাসার দিনে দর্শকদের জয় উপহার দিতে চায় দেশের সবচেয়ে আলোচিত ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। আজ নীলফামারী শেখ কামাল স্টেডিয়মে ঘরের মাঠে তাদের ম্যাচ। প্রতিপক্ষ পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ। বিকাল ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে বসুন্ধরা কিংস নবাগত দল। শুরুতেই তারা দর্শকদের মন জয় করেছে। লিগে এখন পর্যন্ত কিংসই একমাত্র দল যারা কোনো ম্যাচে হোঁচট খায়নি। চার ম্যাচে সবকটিতে জয়ী হয়ে পুরো ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। লিগের অভিষেক আসরে বসুন্ধরা টানা চার ম্যাচ জিতে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী ছয় ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত শীর্ষে রয়েছে। একমাত্র ম্যাচটি হেরেছে বসুন্ধরা কিংসের কাছেই। এই নীলফামারীতে ম্যাজিক ম্যাচ প্রদর্শন করে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয় কলিন ড্রেস, মতিন মিয়ারা। আজ জিতলেই এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে উঠে যাবে বসুন্ধরার দলটি। প্রথমবার খেলতে এসেই হোম ভেন্যু হিসেবে বেছে নিয়েছে নীলফামারীকে। উত্তরাঞ্চলের ঘুমন্ত ফুটবল জাগিয়ে তুলেছে কিংস। প্রতিটি ম্যাচে কলিন ড্রেস-মতিনদের নৈপুণ্য দেখে স্থানীয় দর্শকরা মুগ্ধ।

বিদেশি ও স্থানীয়দের মিলিয়ে ঘরোয়া ফুটবল ইতিহাসে স্মরণকালের সেরা দল গড়েছে বসুন্ধরা কিংস। সে তুলনায় প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জের কিছুই নেই। তবু সতর্ক হয়ে খেলবেন অস্কারের শিষ্যরা। কারণ এবার লিগে রহমতগঞ্জ সুবিধাজনক অবস্থায় না থাকলেও বড় প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার অনেক রেকর্ড রয়েছে। এবারও তারা চট্টগ্রাম আবাহনী ও শেখ জামালের সঙ্গে ড্র করেছে। সুতরাং কিংসকেও রুখে দিতে মরণকামড় দেবে।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশেষ এই দিনে ঘরের মাঠে দর্শকদের উৎসবে মাতাতে চায় কিংস। ভালোবাসার দিনে জয় উপহার দিতে চায় শিরোপাপ্রত্যাশিত দলটি। শেখ জামাল, আবাহনী, নোফেল ও মুক্তিযোদ্ধাকে সহজে হারিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। কিংস খেলছে কিংসের মতোই। ফেডারেশন কাপ ও স্বাধীনতা কাপে রক্ষণভাগে দুর্বলতা থাকলেও লিগে তা কাটিয়ে উঠছে। প্রতিটি পজিশনেই খেলোয়াড়রা জ্বলে উঠছেন ঠিক সময়ে। জয়ের ধারাবাহিকতা ধর রাখতে চায় কিংস। দলটির পজিটিভ দিক হলো, বিদেশি ও স্থানীয়রা সমানভাবে লড়ছেন। এমন আত্মপ্রত্যয়ী দলের সামনে রহমতগঞ্জের পাত্তা পাওয়ারই কথা নয়। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়।


আপনার মন্তব্য