শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ ডিসেম্বর, ২০২০ ২১:৪৫

রাজশাহীতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

রাজশাহীতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

সোনাদীঘি এলাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) একটি প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক নেতারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে কর্মসূচি পালন শুরু করেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশাও এই দাবিতে রাস্তায় দাঁড়ান। ১৬ ডিসেম্বর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভাষাসৈনিক ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌশলী গোলাম আরিফ টিপু।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এই টাকা দিয়ে সিটি করপোরেশন শহীদ মিনার নির্মাণ করবে। এজন্য দৃষ্টিনন্দন নকশাও তৈরি করা হয়েছে।

এমপি ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের মিলনের কেন্দ্রস্থল হবে। তবে এ নিয়ে চক্রান্ত হচ্ছে। সব চক্রান্ত দূর করে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হবে।

মহান ভাষা আন্দোলনের শুরুতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতেই রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ইট ও কাদামাটি দিয়ে দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করেছিলেন। যদিও ওই শহীদ মিনারের কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এখনো মেলেনি। শুধু তাই নয়, ভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছরেও রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি।

রাসিক সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে নকশা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দও পাওয়া গেছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘রাজশাহীতে এতদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ছিল না। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। দ্রুতই এটি বাস্তবায়ন করা হবে। শহীদ মিনার একটা আবেগের জায়গা। এখানে সভা-সমাবেশ হবে। মানুষ এসে তার মনের কথা বলবে। দ্রুতই সবাইকে নিয়ে সভা করে দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করে দেব।’


আপনার মন্তব্য