শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪ আপডেট:

পারমাণবিক বোমার কলঙ্কিত ইতিহাস

প্রিন্ট ভার্সন
পারমাণবিক বোমার কলঙ্কিত ইতিহাস

‘পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ’ কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার সচিত্র নমুনা আমরা হিরোশিমা-নাগাসাকিতে দেখেছি। জাপানের এই অঞ্চলগুলো এখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বয়ে বেড়াচ্ছে। তাই বলে কি যুদ্ধের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে বিশ্ববাসী! তা বলাটাও বেশ মুশকিল। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখন চলমান। চীন-তাইওয়ান সংকট তো আছেই। উপরন্তু মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-ইসরায়েল একে অন্যের ওপর সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বলছে- তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র; যা হবে অত্যন্ত ভয়াবহ...

 

তবে কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!

বর্তমান বিশ্ব এক ভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন। নানা দিক দিয়ে নানারকম দ্বন্দ্ব-সংঘাতে আটকে আছে পৃথিবী। তন্মধ্যে অন্যতম ইরান এবং ইসরায়েল; মধ্যপ্রাচ্যের দুই পরাশক্তি। তাদের শত্রুতাও দীর্ঘদিনের। কিন্তু কেন মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের ময়দানে মুখোমুখি? যা আলাদা আলোচনার দাবি রাখে। তবে আজ জানব এই দুই দেশের সংঘাত কেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের ওপর অত্যাচার, জমি দখল এবং সর্বশেষ ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় গণহত্যা চালিয়ে আসছে। চলতি বছরের শুরুতে দেশটি সিরিয়ায় ইরানের দূতাবাসে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে ইরান ১৪ এপ্রিলে সরাসরি ইসরায়েলে হামলা চালায়। দেশটি ইসরায়েলে সাড়ে ৩০০ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, ইরানে হামলা হলে আগের চেয়ে ভয়াবহ হামলা হবে। সেই রেশ না কাটতেই মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বেজে উঠছে যুদ্ধের দামামা। কারণ ইসরায়েল হিজবুল্লাহ দমনের নামে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে। যেখানে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হন। এমনকি তারা ইরানের ভিতরেই হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়াকেও হত্যা করে। ফলশ্রুতিতে ১ অক্টোবর ইসরায়েলে স্মরণকালের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেদিন ১৮০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এর মাধ্যমে ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। এদিকে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল যে, ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালালে ইরান হাজারের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেবে। এদিকে ইসরায়েলও দমে যাওয়ার নয়। এক দিকে পারস্য উপসাগরে ইরানকে ‘সবক’ শেখানো অন্যদিকে সারা দুনিয়ার সামনে শক্তি প্রদর্শন। এ জন্য ২৫ দিন পর শুক্রবার রাতে ইসরায়েল আবারও হামলা চালায়। এ হামলায় ইরানের স্বল্প ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি দুই সেনা নিহত হন। এখন দেখার বিষয়- ইরান পাল্টা পদক্ষেপ নেয় কি না! এ ছাড়াও সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত, পশ্চিম আফ্রিকা ও ইয়েমেনের মতো দেশগুলোর ভিতরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি  তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

 

কার হাতে কত পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র

১৯ শতকে বিশ্ববাসী দেখে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়বহতা। বিশ্বযুদ্ধ দুটি সামরিক অস্ত্রশস্ত্রে সংঘটিত হলেও পারমাণবিক বোমার নৃশংসতার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। এরপর নড়েচড়ে বসে ‘জাতিসংঘ’। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘পারমাণবিক বোমা’ ব্যবহারের আইন জারি হয়। এরপর কেটে যায় অনেক বছর। তবে পারমাণবিক বোমার আতঙ্ক এখনো পিছু ছাড়েনি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও সুইডেনের চিন্তক প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) ‘পারমাণবিক বোমা’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, বর্তমানে ৯টি দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। দেশগুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল। যার সংখ্যটা প্রায় ১৩,৪০০ এর কাছাকাছি। যদিও সংখ্যটা ‘শীতল যুদ্ধে’র সময়ের তুলনায় কম। তখন বিশ্বব্যাপী ৬০ হাজারেরও বেশি ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ মজুদ ছিল। বর্তমান বিশ্বের দুই পরাশক্তি আমেরিকা ও রাশিয়ার কাছে রয়েছে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ।

 

পারমাণবিক শক্তিতে কে এগিয়ে

ইরান || ইসরায়েল

১৯৯৬ সালে আমেরিকার হাত ধরে দখলদার ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র হাসিল করে। এরপর কয়েক দশক দেশটি মানববিধ্বংসী এই অস্ত্রের মজুত বাড়িয়েছে। যদিও ইসরায়েল কখনো তা স্বীকার করেনি। সুইডেনের স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)-এর তথ্যমতে, ইসরায়েলের কাছে ৯০টি ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ আছে। অন্যদিকে ইরান ১৯৭০ সালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রকল্প হাতে নেয়। ১৯৯০ সালে তারা সে লক্ষ্যে অনেক এগিয়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাবি, ইরান ইউরেনিয়াম মজুত করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে। যদিও ইরানের দাবি, তাদের পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। 

 

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতও উড়িয়ে দেওয়া যায় না

ইউক্রেনের ওপরে রাশিয়ার সর্বাত্মক আগ্রাসনকে অনেকেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা বলে মনে করেন। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও পশ্চিমের প্রতি স্পষ্ট বিশ্বযুদ্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন বলেন, ‘বাইরের কেউ ইউক্রেনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে এবং রাশিয়ার জন্য কৌশলগত হুমকি হলে আমাদের প্রতিক্রিয়া হবে বিদ্যুৎগতির। বিশ্লেষকদের মতে, এসব মন্তব্যের মাধ্যমে পুতিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দেন। ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাহায্য দেওয়ার বিষয়ে ৪০টি দেশের একটি বৈঠকের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, ন্যাটো রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি ছায়াযুদ্ধ (প্রক্সি ওয়ার) চালিয়ে যাচ্ছে যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

 

কী হয়েছিল সেদিন

হিরোশিমা আর নাগাসাকির ইতিহাস মানব ইতিহাসের কলঙ্ক। এত নৃশংস, এত ঘৃণ্য আক্রমণ এর আগে কখনো পৃথিবী দেখেনি। এক মুহূর্তে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু। অসংখ্য মানুষকে তিল তিল করে অনিবার্য মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া, জনপদের পর জনপদ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া। হতচকিত হয়ে পড়ে বিশ্বের মানুষ। শুধু কি তাই? তেজস্ক্রিয়তার অভিশাপ থেকে যায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। সেদিন এই ভয়ংকর বর্বরতার জন্য আদৌ প্রস্তুত ছিল না বিশ্বের মানুষ। একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষের এভাবে মৃত্যু ছিল অকল্পনীয়। এই অচিন্তনীয় ধ্বংস দেখে সেদিন বিস্ময়ে বোবা হয়ে গিয়েছিল বিশ্ব। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ যে কত ভয়ংকর, কতটা মানবঘাতী হতে পারে, তা প্রত্যক্ষ করে মানুষ। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় এবং এর তিন দিন পর নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাটম্যান নামের দুটি  পারমাণবিক বোমা ফেলে। অনুমান করা হয়, এই হামলায় হিরোশিমায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার লোক মারা যান। নাগাসাকিতে মারা যান প্রায় ৭৪ হাজার লোক। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার। বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগগুলোর ওপর হাসপাতাল  থেকে পাওয়া গণনার তথ্য অনুযায়ী হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার এবং নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের মৃত্যু ঘটে। দুই শহরেই মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক  নাগরিক। শুধু তাই নয়, ওই দুই দিন মৃত্যুর নাগালের বাইরে যারা থাকতে পেরেছিলেন, তারাও তেজস্ক্রিয়তার ফলে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। যারা এখনো বেঁচে আছেন, তাদেরও ওই তেজস্ক্রিয়তার উত্তরাধিকার বহন করতে হচ্ছে। এর আগে মানুষের জীবনকে এরকম নির্মমভাবে থেঁতলে দেওয়া হয়নি। এখন বিশ্বে যত পরমাণু অস্ত্র আছে, তা দিয়ে পৃথিবীকে অনেকবার ধ্বংস করা সম্ভব।

ছবির মতো সুন্দর দুটি শহর হিরোশিমা ও নাগাসাকিকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সেদিন তার পেশিশক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল। এখনকার পরমাণু অস্ত্রের তুলনায় হিরোশিমা, নাগাসাকির আণবিক বোমা নেহাতই শিশু। তাই এ কথা আজ বলাই যায় যে, বিশ্বে যে কোনো মুহূর্তে নেমে আসতে পারে সেই করুণ পরিণতি।

 

‘লিটল বয়’ আর ‘ফ্যাটম্যান’ এর নিষ্ঠুর ধ্বংসলীলা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষের  দিকের ঘটনা। ৬ আগস্ট বেলা আড়াইটা। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী বিশ্ব মানবতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লিয়ার বোমা ফেলে। মুহূর্তের মধ্যে চমৎকার ঝকঝকে শহরটি পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। লিটল বয়ের ওজন ছিল ৬০ কেজি। গন্তব্যে পৌঁছতে এটি সময় নেয় ৫৭ সেকেন্ড। এই সময় অতিক্রম করে ৬০০ মিটার দূরত্ব। এ বিস্ফোরণটি ঘটে ১৩ কিলোটন (টিএনটি)-এর সমান।  সে সময় তাপমাত্রা কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ১০ লাখ সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। আগ্নেয়গিরির মতো বা তার চেয়েও বেশি গরম সামলাতে না পেরে শহরের দুই-তৃতীয়াংশ তখনই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মানুষ-পশু-গাছপালা-বাড়িঘর কিছুই রক্ষা পায়নি। বিস্ফোরণের পর ১ মাইল ব্যাসার্ধের এলাকাজুড়ে ধ্বংসলীলা শুরু হয় এবং হিরোশিমার প্রায় ৯০ ভাগ বাড়িঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। বোমা নিক্ষেপকারী পাইলট টিবেটস বিমান থেকে শহরের ভয়াবহ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে ভয়ে-আতঙ্কে চিৎকার করে বলে উঠেছিলেন, হায় ঈশ্বর এ কি করলাম! হিরোশিমার ভয়াবহতার কারণ বুঝে ওঠার আগেই এর ঠিক তিন দিন পর জাপানেরই নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় বোমা ‘ফ্যাটম্যান’-এর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ কলঙ্কজনক ঘটনার নেপথ্যে ছিল অস্ত্রের উন্নয়নে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রত্যাশায় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নির্লজ্জ অমানবিক প্রতিযোগিতা। যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করা হাঙ্গেরির বিজ্ঞানী ড. লিও জিলার্ড সর্বপ্রথম বোমা তৈরির উদ্যোগ নেন। এ বোমার মানবতাবিরোধী ভয়ংকর ভয়াবহতার কথা বিবেচনা না করেই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন সমর্থন জোগান জিলার্ডকে। হিরোশিমায় আনুমানিক ১ লাখ ৪০ হাজার লোক মারা যান। আর নাগাসাকিতে আনুমানিক ৩৯ হাজার লোক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। মারাত্মক আহত হন ২৫ হাজার মানুষ।

 

বাতাসে তেজস্ক্রিয়তা

পরিবেশেও এর প্রভাব

‘পরমাণু বোমা’ কতটা ভয়াবহ তার নমুনা আমরা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দেখেছি। সেই পরমাণু বোমার জেরে জাপানের এই অঞ্চলে এখনো বংশানুক্রমে অন্ধত্ব, বধিরতা ও পঙ্গুত্বের মতো নানা ধরনের জটিল অসুখ হয়ে চলেছে। আর পরিবেশে এর প্রভাব আগে কেউ কল্পনাও করেনি। এখনো হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বন্য পশু-পাখি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে না। বেশির ভাগ অঞ্চলে বন্যপ্রাণীরা ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসে। ঘর বানালেও এলাকা ছেড়ে চলে যায়। তেজস্ক্রিয়তার ক্ষতির প্রভাব পাওয়া যায় তাদের শরীরে। কিছু ক্ষেত্রে জেনেটিকভাবেও অসুস্থতার প্রমাণ মিলেছে। স্বাভাবিকভাবে গাছও বেড়ে উঠতে পারছে না। তাই আজও হিরোশিমা ও নাগাসাকির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। দীর্ঘ তেজস্ক্রিয়তার রেশ থেকে যাওয়ায় এ অঞ্চলের বাতাস ও মাটি সুস্থ জীবন ধারণের শতভাগ উপযোগী নয়। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখিদের মাঝেও তেজস্ক্রিয়তার ভয়াবহতা রয়ে গেছে। একবার যেসব পাখি এখান থেকে বেরিয়ে গেছে তারা দ্বিতীয়বার আসছে না। মানুষজনও থাকে আতঙ্কে। তেজস্ক্রিয়তা থেকে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকায় এ অঞ্চলে কেউ থাকতে চায় না।

 

হিবাকুসা!

তেজস্ক্রিয়তায় ঝলসে যাওয়া মানুষের জীবন...

হিবাকুসা। খাঁটি জাপানি শব্দ। অর্থাৎ বিস্ফোরণ আক্রান্ত মানুষজন। যন্ত্রণা আর চোখের জলই যাদের একমাত্র অবলম্বন। মার্কিনি বর্বরতার নৃশংসতম ক্ষতচিহ্ন বহন করছেন ‘হিবাকুসা’রা হিরোশিমা-নাগাসাকির বীভৎসতার সময় থেকে পরবর্তী বংশ পরম্পরায়। কারা এই ‘হিবাকুসা?’ সংজ্ঞা নির্ধারিত ‘দ্য অ্যাটমিক বোম্ব সারভাইভারস রিলিফ’ আইনে। যারা বোমা বিস্ফোরণস্থলের সামান্য কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে ছিলেন। পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের দুই সপ্তাহের মধ্যে যারা বিস্ফোরণস্থলের দুই কিলোমিটারের মধ্যে ছিলেন। যারা বিস্ফোরণ নিঃসৃত তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত- এই তিন অবস্থার মধ্যে থাকা গর্ভবতী মহিলারা। জাপানে এরাই আইনমতে হিবাকুসা। মার্চ ২০০৫ সালে এরা সংখ্যায় ছিলেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৮। এদের বড় অংশই জাপানের। কয়েক হাজার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কোরিয়া ও তার আশপাশে। তথ্য জাপান সরকারের। হিবাকুসারা পেয়ে থাকেন সরকারি সহায়তা। অনুদান হিসেবে কিছু অর্থ দেওয়া হয় প্রতি মাসে। প্রতি বছর বিস্ফোরণের বার্ষিকীতে স্মরণ করা হয় নিহতদের। প্রতি বছর বিগত বছরে নিহত ‘হিবাকুসা’দের নাম লিখে দেওয়া হয় হিরোশিমা-নাগাসকির বুকে। মার্কিনি বোমার তেজস্ক্রিয়তায় ঝলসে যাওয়া নিহতদের স্মৃতিফলকে। দীর্ঘ হয়ে ওঠা এই তালিকা হিবাকুসাদের মতোই বহন করে চলেছে মার্কিনি ‘সভ্যতা’র কুৎসিত ক্ষতচিহ্ন। উল্লেখ্য, আগস্ট ২০০৫-এ হিরোশিমায় নিহত হিবাকুসাদের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৩৭ এবং নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩৯। আজও জাপানের মানুষ ১৯৪৫ সালের এই দুঃস্বপ্নের মতো দিনগুলোকে স্মরণ করে।

হিবাকুসাদের জবানবন্দিতে এভাবেই উঠে এসেছে হিরোশিমায় মার্কিনি নারকীয় পরমাণু বিস্ফোরণের সেদিনের কথা। হিবাকুসাদের এই নিদারুণ জীবন-যন্ত্রণা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ-ধিক্কার ঘৃণায় পরিণত হয়ে চিরদিন দংশন করে চলবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের বিবেককে।

 

হিরোশিমা-নাগাসাকির

একাল || সেকাল

হিরোশিমার বাতাসে এখনো মেলে তেজস্ক্রিয়তা।  পারমাণু হামলার পর পুরো শহর জ্বলে গিয়েছিল। তবে এই হামলার বিপর্যয় খুব ভালোভাবেই কাটিয়ে উঠেছে শহরটি। শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিচিহ্ন। হিরোশিমায় যেখানে বোমাটি পড়েছিল সেখানে গড়ে উঠেছে স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৫৫ সালে হিরোশিমা শান্তি স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ হয়। হিরোশিমা ১৯৪৯ সালে জাপানি পার্লামেন্ট দ্বারা শান্তির শহর ঘোষিত হয়। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় যা হয়ে উঠেছে উন্নয়নের নগরী। সারা বছর লাখ লাখ পর্যটক এখানে বেড়াতে আসেন।

 

পারমাণবিক বোমা লিটল বয় মুহূর্তে ছারখার করে দেয় গোটা শহরকে। বিস্ফোরণের পর শহরজুড়ে তৈরি হয় নীল, সাদা রঙের আলো। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুতে আগুন ধরে যায়। দেড় কিলোমিটারের মধ্যে যা ছিল সব পুড়ে কয়লা হয়ে গেল। হাজার হাজার মানুষ পুড়ে মিশে গেল মাটির সঙ্গে। যারা কিছুটা দূরে ছিলেন তাদের কারও শরীরের মাংস উঠে গেল। কারও হাত-পা উড়ে গেল। কারও চোখ অন্ধ হয়ে গেল। ৪৮ হাজার বড় বড় বাড়ি পুড়ে যায়। মারা গিয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। আহত হয় ২ লাখ মানুষ।

 

মৃত মানুষের শহর না হয়েও নাগাসাকি হয়ে ওঠে মৃত শহর। মানুষ যারা বেঁচে ছিলেন তারা শহর ছেড়ে  চলে যান অন্যত্র। তেজস্ক্রিয়তার কারণে বন্য পশু-পাখিরাও স্বাভাবিক জীবনে স্থির হতে পারেনি। কিন্তু এত বছর পরের দৃশ্য দেখলে যে কেউ অবাক না হয়ে পারবে না। নাগাসাকি বদলে গেছে। ক্ষতচিহ্ন পুরোপুরি না সারলেও শহরটি দেখে বোঝা দায়, আশি শতক আগে কী ভয়াবহতায় গেছে শহরটি। জাপানের অবকাঠামো উন্নয়নের চমকপ্রদ উদাহরণ নাগাসাকি। প্রতিটি দালান রং করা। আকাশচুম্বী দালানের সারিও দেখা যায় এখন।

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে করুণ পরিণতি ভোগ করে নাগাসাকি। ৯ আগস্ট মার্কিনিদের ছোড়া ফ্যাটম্যান বোমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। কিছু বাড়ি উড়ে যায়, কিছু বাড়ি পুড়ে যায়। পর দিন শহরের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে, এখানে মানুষ বসবাস করত। ধারণা করা হয়, প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ তখনই মারা যায়। বোমাটি মাটি থেকে ৫০০ মিটার ওপরে বিস্ফোরিত হয়। বোমার তেজস্ক্রিয়তায় শিশুদের মাথার চুল পর্যন্ত উঠে যায়। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৩ লাখে পৌঁছে যায়।

এই বিভাগের আরও খবর
বিস্ময়কর এআই
বিস্ময়কর এআই
খুশকি! রইল দূর করার উপায়
খুশকি! রইল দূর করার উপায়
আম-বেগুনে ছোট মাছ
আম-বেগুনে ছোট মাছ
স্টাইল এবং ফ্যাশনে টোট ব্যাগ
স্টাইল এবং ফ্যাশনে টোট ব্যাগ
টি-শার্ট
টি-শার্ট
পাউডারের নানা ব্যবহার
পাউডারের নানা ব্যবহার
রোদ-বাদলের সঙ্গী
রোদ-বাদলের সঙ্গী
সুখী মায়ের ঠিকানা
সুখী মায়ের ঠিকানা
প্রতিটি মা-ই একজন অঘোষিত প্রশাসক
প্রতিটি মা-ই একজন অঘোষিত প্রশাসক
মায়ের জন্য উপহার
মায়ের জন্য উপহার
যেভাবে এলো মা দিবস
যেভাবে এলো মা দিবস
ল্যান্ডমার্কের অজানা ইতিহাস
ল্যান্ডমার্কের অজানা ইতিহাস
সর্বশেষ খবর
৮ বছর পর বিশ্বকাপে পানামা, লক্ষ্য চমক দেখানো
৮ বছর পর বিশ্বকাপে পানামা, লক্ষ্য চমক দেখানো

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাফিনিয়া-কান্সেলোর গোলে বার্সেলোনার জয়
রাফিনিয়া-কান্সেলোর গোলে বার্সেলোনার জয়

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সড়কে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের
সড়কে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘ট্রেন টু ম্যানিয়াক’ ইভেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘ট্রেন টু ম্যানিয়াক’ ইভেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

৫৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা
আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতি ১২ হাজার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার
রাজধানীতি ১২ হাজার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুদ্ধে যা পায়নি, আলোচনায় তা চাইছে যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধে যা পায়নি, আলোচনায় তা চাইছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিয়ালে ফেরার গুঞ্জনে মুখ খুললেন মোরিনহো
রিয়ালে ফেরার গুঞ্জনে মুখ খুললেন মোরিনহো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেফারিকে মারধর, যৌথ চ্যাম্পিয়ন চবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
রেফারিকে মারধর, যৌথ চ্যাম্পিয়ন চবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুবি রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেলেন নুরুল করিম
কুবি রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেলেন নুরুল করিম

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিবচরে চোরাই পিকআপসহ আটক ১
শিবচরে চোরাই পিকআপসহ আটক ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডুয়েটের ৮ম ভিসি হিসেবে যোগ দিলেন ড. মোহাম্মদ ইকবাল
ডুয়েটের ৮ম ভিসি হিসেবে যোগ দিলেন ড. মোহাম্মদ ইকবাল

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা
মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্তের অভিযোগ, আটক ৩
জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্তের অভিযোগ, আটক ৩

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মানিকগঞ্জে আর কেউ নদী ভাঙনের শিকার হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মানিকগঞ্জে আর কেউ নদী ভাঙনের শিকার হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মুন্সীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের হাতে গল্প, বিজ্ঞানের বই তুলে দিলেন ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের হাতে গল্প, বিজ্ঞানের বই তুলে দিলেন ইউএনও

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের নদীতে মিলল বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের নদীতে মিলল বাংলাদেশী যুবকের মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক
সাতক্ষীরায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে দুদকের মামলায় সাবেক সমবায় কর্মকর্তার কারাদণ্ড
রাজশাহীতে দুদকের মামলায় সাবেক সমবায় কর্মকর্তার কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩, মাদকের আস্তানায় আগুন
নারায়ণগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩, মাদকের আস্তানায় আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাইডস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আদালত, শিক্ষার্থীরা আসামি-আইনজীবী
বাইডস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আদালত, শিক্ষার্থীরা আসামি-আইনজীবী

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা
লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সৌদি লিগের বর্ষসেরার দৌড়ে রোনালদো
সৌদি লিগের বর্ষসেরার দৌড়ে রোনালদো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটে বিপাকে বুড়িচংয়ের কৃষক
অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটে বিপাকে বুড়িচংয়ের কৃষক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
যাত্রাবাড়ীতে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে মানববন্ধন
চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে মানববন্ধন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!
হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের
মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন
আদা চায়ের উপকারিতা জেনে নিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্ব সংকটে বরিশাল নগরীর খাল
অস্তিত্ব সংকটে বরিশাল নগরীর খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

সি-ট্রাক থাকছে কুতুবদিয়ায়
সি-ট্রাক থাকছে কুতুবদিয়ায়

দেশগ্রাম