শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৯, শনিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ আপডেট:

এনআরসি থেকে বাদপড়া হিন্দুদের বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি হিন্দু মহাজোটের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
এনআরসি থেকে বাদপড়া হিন্দুদের বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি হিন্দু মহাজোটের

গত ৩১ আগস্ট ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকায় জায়গা হয়েছে ৩ কোটি ১১ লাখ মানুষের। আর এ থেকে বাদ পড়েছেন ১৯ লাখেরও বেশি মানুষ।

বিপুল সংখ্যক মানুষকে আসাম তথা ভারতের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় উদ্বিগ্ন বিভিন্ন মহল। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘দৈনিক যুগশঙ্খ’।

বাংলাদেশের জাতীয় হিন্দু মহাজোট মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দচন্দ্র প্রামাণিক ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাসের সঙ্গে কথা বলে ‘এনআরসি-ছুট হিন্দুদের বাংলাদেশে ফেরাক দিল্লি’ শিরোনামে দৈনিক যুগশঙ্খের প্রথম পাতায় বিশেষ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

শুক্রবার দৈনিক যুগশঙ্খে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তুলে দেওয়া হলো:-

দেশভাগের অভিশাপ সবচেয়ে বেশি বইতে হয়েছে বাঙালি হিন্দুকে। এমনকী স্বাধীনতার বাহাত্তর বছর পরও ফের রাষ্ট্রহীন হওয়ার আতঙ্কে তারা। বাঙালি হিন্দুকে নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতিও নতুন নয়। এবার বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনগুলোও কি ঢাকার ওপর চাপ সৃষ্টির চিরাচরিত রাজনীতি করতে আসামের সেই বাঙালি হিন্দুদেরই নতুন করে দাবার ঘুঁটি করতে চাইছে? বাংলাদেশের হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের স্বার্থে সোচ্চার সংগঠনগুলোর বক্তব্য থেকে এমন প্রশ্ন ওঠা অবান্তর নয় মোটেও।

নাগরিকপঞ্জি থেকে যেসব হিন্দু বাঙালির নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হোক। এমনটাই প্রস্তাব গোবিন্দচন্দ্র প্রামাণিকের। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিবের যুক্তি, এর ফলে তাঁদের দেশে হিন্দুর সংখ্যা বাড়বে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত আসামের এনআরসিকে ‘নিরপেক্ষ দলিল’বলে অভিহিত করে বলেন, যেসব হিন্দু বাঙালি রাষ্ট্রহীন হয়েছেন, আন্তর্জাতিক বিধি ও আইন মেনে তাদের স্থিতি ঠিক করা হোক। তবে, দিল্লির এটা বুঝে রাখা উচিত যে, পড়শি রাষ্ট্র বাংলাদেশ যদি সিরিয়ার মত মৌলবাদীদের আখড়া হয়ে ওঠে তাহলে এর আঁচ ভারতের ওপরও পড়বে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে যুগশঙ্খের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গোবিন্দবাবু বলেন, এনআরসি থেকে যেসব বাঙালি হিন্দুর নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার সম্ভাবনাই প্রচুর। মুসলিম মৌলবাদীদের লাগাতার নির্যাতনের ও সরকারের নির্লিপ্তির জেরে বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা পালাচ্ছেন, এটা নির্মম সত্য। 

প্রশ্ন ওঠে, আসামে বাঙালি বিদ্বেষের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের হিন্দুরা আসামে পালিয়ে আসবেন কেন? এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বাংলাদেশ শাখার সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র বলেন, এ দেশের মধ্যবিত্ত হিন্দুরা কলকাতায় বাড়ি কিনে রাখেন। কুড়িগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লার হিন্দুরা আসামে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। প্রতিদিন গড়ে ৬৩২ জন করে হিন্দু বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আশ্রয় নিচ্ছেন। এঁরা শখ করে নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে আসেননি, এসেছেন মুসলিমদের নির্যাতনের শিকার হয়ে। সব নির্যাতন যে সবসময় শারীরিক হয়, তা-ও নয়, হিন্দুরা বাংলাদেশে নিরন্তর মানসিক নির্যাতনের শিকার। ফলে প্রব্রজনমুখি মানসিকতা রয়েছে তাঁদের মধ্যে। কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশ হিন্দুশূন্য হয়ে পড়ছে। ‘বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি, আমি এ দেশ ছেড়ে যেতে চাই না। তাই এনআরসি-তে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের যদি বাংলাদেশে পুনর্বাসন দেওয়া হয়, তাহলে আমাদেরও সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটবে।’ 

তিনি বলেন, অর্পিত সম্পত্তি আইন সম্পর্কিত বিভিন্ন মামলায় সরকার বারবার বলেছে যে অমুক অমুক হিন্দু ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং এই-এই তাঁদের জমি। এ সব যদিও ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান আমলের কথা। এখন এনআরসি থেকে যেসব মানুষের নাম বাদ গেছে তাঁরা ঠিক ঠিক বাংলাদেশের কিনা, সেটা দু’দেশের সরকার বসে ঠিক করুক। যদি তাঁরা বাংলাদেশের হন এবং এখানে তাঁদের পূর্বপুরুষরা জমি ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তবে সেসব কিছু বিবেচনা করে তাঁদের ফিরিয়ে আনা হোক বাংলাদেশে। ফেরত দেওয়া হোক তাঁদের জমি ও সম্পত্তি। বলেছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। তাঁর স্পষ্ট কথা, এ ব্যাপারে দিল্লির উচিত ঢাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে অর্পিত সম্পত্তি আইন বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি অবলুপ্ত হতে পারে।

গোবিন্দবাবু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ভারতের উচিত বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানো, কিন্তু পরিতাপের বিষয়, তা হচ্ছে না। তাঁর ভাষায়, ‘দিল্লির বিজেপি সরকারও আমাদের ব্যাপারে সহানুভূতিশীল বা আন্তরীক নয়। মুখে বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বার্থের কথা বললেও বাস্তবে দিল্লি ঢাকার ওপর কোনও ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে না।’

গোবিন্দবাবু বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের আইনসভায় হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ, একটি স্বতন্ত্র সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়ের দাবি জানিয়ে আসছেন। ভারতের উচিত ছিল এ ব্যাপারের বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, কিন্তু তারা তা করছে না।

গোবিন্দবাবু বলেন, বিজেপি সরকারের ওপর বাংলাদেশের হিন্দুদের অনেক আশা, কিন্তু তারা যদি নিজেদর ভোট বাড়ানোর স্বার্থে বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দুদের আশ্রয় দেওয়ার করে বলে প্রলোভন দেন তাহলে আখেরে এ দেশের হিন্দুদের যেমন ক্ষতি তেমনি ভবিষ্যতে ভুগতে হবে ভারতকেও। বাংলাদেশ হিন্দুশূন্য হলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো পুরোপুরি ইসলামি মৌলবাদের রাজনীতি করবে, এতে জঙ্গিবাদ বাড়বে এবং এর আঁচ পড়বে ভারতেও।

এদিকে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিসটান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, এতে কোনও পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ‘যদি পক্ষপাতিত্ব করা হত, তা হলে মুসলিমরা অনেক বেশি সংখ্যায় বাদ পড়তেন। কিন্তু যে পরিস্থিতি অনুমান করা হচ্ছে, তাতে এটা মোটামুটি সব পক্ষই মেনে নিয়েছেন যে এনআরসি থেকে হিন্দু বাঙালিই বেশি বাদ পড়েছেন।’ এ মন্তব্য করে রানাবাবু বলেন, বাংলদেশ থেকে হিন্দুর সংখ্যা কমছে, এটা সবাই জানেন। দেশভাগের সময় পূর্ব পাকিস্তানের চার সাড়ে কোটি বাসিন্দার মধ্যে দেড় কোটি ছিলেন হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। গত সত্তর বছরেরও বেশি সময়ে বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৮০ লক্ষ, কিন্তু হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান মিলিয়ে জনসংখ্যা মাত্র এক কোটি ৮০ লক্ষ।

রানাবাবু বলেন, সিলেট এলাকার হিন্দুরা মূলত ত্রিপুরা ও আসামে গেছেন, বাংলাদেশের অন্য প্রান্তের হিন্দুরা পালিয়ে গেছেন পশ্চিমবঙ্গে। এমনকী চট্টগ্রাম পার্বত্য এলাকার উপজাতিরাও আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যেই প্রমাণ, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলদেশের জন্মের পর থেকে প্রায় আট শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষ হারিয়ে গেছেন। তবে ব্যুরো আট মাস আগে এখন এমন তথ্যও দিয়েছে যে শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বা হিন্দু জনসংখ্যার হার ২.৩ শতাংশ বেড়েছে।

রানাবাবু স্বীকার করেন, হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা। ‘পাকিস্তান থেকে আমরা স্বাধীন হয়েছি, কিন্তু এখনও পাকিস্তানি মানসিকতা থেকে বাংলদেশ স্বাধীন হতে পারেনি। যে-চেতনা থেকে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, তা দেশ স্বাধীন হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই হারিয়ে গেছে। দেশভাগের সময় পূর্ব পাকিস্তানের যে মানসিকতা ছিল, এর এখনও পরিবর্তন হয়নি।’ এ মন্তব্য করে রানাবাবু বলেন, এই পরিস্থিতিতে দিল্লির সরকার বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে বাংলাদেশের হিন্দুদের অন্য ধরনের সংকটের মধ্যে পড়তে হবে। এমন কোনও বিল আইনে পরিণত হলে বাংলাদেশের ‘নির্যাতিত হিন্দুদের মধ্যে ভারতের মত নিরাপদ দেশে পালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ একদিকে যেমন বাড়বে তেমনি এ দেশের মুসলিমদের মধ্যে হিন্দুদের সম্পত্তি জলের দরে কিনে বা বিনামূল্যে হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা বেড়ে যাবে। এর ফলে বাংলাদেশ পুরোপুরি হিন্দুশূন্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা তাঁর।

রানাবাবু বলেন, সিরিয়ার মত একটি ভয়ঙ্ক় দেশ হয়ে উঠবে ভারত। এমন একটি দেশ যদি পড়শি হয় তা হলে এর আঁচ ভারতের ওপরও অবধারিতভাবে পড়বে, দিল্লির সরকারের সেটা আগেভাগেই বুঝে নেওয়া উচিত।

এনআরসি-ছুট হিন্দুদের কি বাংলাদেশে ফিরে আসা উচিত? রানাবাবু বলেন, এটা পুরোপুরি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসাবে আমাদের এ ব্যপারে কোনও মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে এতগুলো মানুষ রাষ্ট্রহীন হয়ে গেল, এঁরা কোনও বিচার পাবেন না? কেউ তো স্বেচ্ছায় নিজের দেশ থেকে পালিয়ে যাননি, তাদের পালাতে বাধ্য করা হয়েছিল। শরণার্থীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক স্তরে বিধি-নিয়ম রয়েছে, ভারত অবশ্য সেটা পালন করবে, এই আশাও রয়েছে রানাবাবুর। 

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক