২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:০৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই উপপক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে শহীদ আবদুর রব হলের সামনে এ সংর্ঘষ হয়। বিকাল ৫টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকালের ঘটনার জেরে আজ দুপুর ১টায় আইন অনুষদের সামনে সিএফসির কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বিক্রম রায়কে মারধর করেন বিজয় উপপক্ষের নেতা-কর্মীরা। এতে সিএফসির ক্ষুব্ধ কর্মীরা বিজয় উপপক্ষের সংস্কৃত বিভাগের প্রথম বর্ষের সুরঞ্জিত অধিকারী ও একই বর্ষের সমাজতত্ত্ব বিভাগের মাহমুদুল হাসানকে মারধর করলে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এরপর বিজয় উপপক্ষের নেতা-কর্মীরা আলাওল, এ এফ রহমান ও সোহরাওয়ার্দী হল থেকে লাঠিসোঁটা, রামদা, ইটপাটকেল নিয়ে বের হয়ে শহীদ আবদুর রব হলের দিকে যান। একপর্যায়ে তাদের ধাওয়া দেন সিএফসির নেতা-কর্মীরা। পরে তারা সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এসে জড়ো হন। সিএফসির নেতা-কর্মীরা জড়ো হন শাহ আমানত হলের সামনে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও পুলিশের হস্তক্ষেপে বিকাল ৫টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শহিদুল ইসলাম বলেন, মারামারির পর দুই উপপক্ষের নেতা-কর্মীদের ডেকে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। এর সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগের দিন রবিবার ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো নিয়ে রবিবার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোবারক হোসেনের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয় আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামানের। মোবারক বিজয় উপপক্ষের ও মনিরুজ্জামান চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার সিএফসির অনুসারী। এর জেরে গতকাল বিকেল পাঁচটায় ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেট এলাকায় মনিরুজ্জামানকে পিটিয়ে জখম করেন বিজয় উপপক্ষের মোবারক হোসেনসহ ১০–১৫ জন নেতা-কর্মী।

এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে গতকাল দিবাগত রাত ১টায় হাটহাজারী থানায় মামলা করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন সিএফসির অনুসারী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন সম্পাদক খালেদ মাসুদ। এরপর থেকে দুই উপপক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর