শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৯
প্রিন্ট করুন printer

আবর্জনার ভাগাড় চসিকের চশমা খাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

আবর্জনার ভাগাড় চসিকের চশমা খাল

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চনিক) নগরের ২ নং গেইট সংলগ্ন চশমা খাল এখন আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক বর্জ্যের কারণে পানি চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে শুক্রবার সকালে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের নির্দেশে নগরীর অন্যতম পানি চলাচল পথ চশমা হিলস্থ খালটিকে আবর্জনা মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়। 

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে চসিকের পরিচ্ছন্ন ও যান্ত্রিক বিভাগের কর্মকর্তাসহ প্রায় ১০০ এর অধিক কর্মী ২টি স্কেভেটর, ১০টি ডাম্পিং ট্রাক দিয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রায় ২০০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়।  

এ সময় ওয়াটসআপে ভিডিওকলে যুক্ত হয়ে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, রুবি গেইট থেকে ষোলশহর ২নং গেইট পর্যন্ত প্রায় সোয়া চার কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি বছরের পর বছর ধরে পলিথিন, প্লাস্টিকসহ অন্যান্য গৃহস্থালী ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়ে আছে। খালটির বেশ কিছু অংশ ভরাটও হয়ে গেছে এবং খালের মাঝখানে বড় বড় গাছ-গাছালি বেড়ে ওঠায় পানি চলাচলের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, চরম পর্যায়ে পৌঁছে জনদুর্ভোগ। 

তিনি বলেন, এই খালটির আশপাশের স্থানীয় অধিবাসীরা অজ্ঞানে-স্বজ্ঞানে দীর্ঘদিন থেকে এটাকে ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলে চরম অসচেতনার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাদের এই গর্হিত মনোভাব ও গাফেলতি আত্মঘাতী এবং অপরিণামদর্শী। খালটির পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বর্জ্য ও আবর্জনা মুক্ত করার পর আবারও এটা যদি পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে তার দায় স্থানীয়দের উপর বর্তাবে। এ জন্য যারা দায়ী তাদের আইনের আওতায় এনে দণ্ডিত করা হবে। পরে তাদেরকে দিয়েই খালটি পরিস্কার করা হবে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর