চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা জাবেদ নজরুল ইসলামের বাসায় মধ্যযুগীয় কায়দায় তাণ্ডব চালিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জাবেদ নজরুল ইসলামের স্ত্রী ও সাবেক নারী কাউন্সিলর ফারহানা জাবেদসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। এসময় আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় জাবেদ নজরুলের ছোট ভাই সাইদুল ইসলামকে। এরই মধ্য ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সিএমপি’র পশ্চিম জোনের উপ-কমিশনার ওয়ারিশ আহমেদ বলেন, ‘সাবেক এক কাউন্সিলরের বাসায় অপ্রীতিকর কিছু হয়েছে বলে শুনেছি। এরই মধ্যে ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় পুলিশের কোন সদস্য অপরাধ করে থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঘটনার শিকার জাবেদ নজরুল অভিযোগ করে বলেন, সোমবার রাতে পুলিশের একটি দল এসেই গেইটে আঘাত করতে থাকে। গেইট খুলে দেয়ার পর অকথ্য ভাষায় গালি দিতে দিতে ঘর ভাঙচুর করে। আমার স্ত্রী সাবেক কাউন্সিলর ফারহানাসহ ঘরের কয়েকজনকে মারধর করতে থাকে। পরে মারতে মারতে আমার ভাইকে থানায় নিয়ে যায়। প্রায় ১২ ঘণ্টা লকআপে বন্দি করে রাখে। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কী কারণে বাসায় ভাঙচুর করেছে এবং ছোট ভাইকে আটক করে আবার ছেড়ে দিয়েছে কিছুই জানি না। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া ডবলমুরিং থানার উপ-পরিদর্শক কিশোর মজুমদার বলেন, একটি ওয়ারেন্টের সাথে নাম ঠিকানা মিল থাকায় সাবেক কাউন্সিলরের ছোট ভাইকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে বুঝতে পারি এতে আমাদের ভুল হয়েছে। এছাড়া তাকে আটক করার সময় কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ জন্য তাদের সরি বলেছি।
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা