Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ মার্চ, ২০১৯ ১৫:১৭
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০১৯ ১৬:০০

দোহারে হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

দোহারে হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
প্রতীকী ছবি

ঢাকার দোহারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রদীপ কুমার রায় এ রায় দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) কাজী শাহানারা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—সিরাজ ওরফে সেরু কারিগর, মিনহাজ ওরফে মিনু, খলিল কারিগর, শাহজাহান কারিগর, দিদার, এরশাদ, কালু ওরফে কুটি কারিগর, আজাহার কারিগর, মিয়াজ উদ্দিন, মোজাম্মেল ওরফে সুজা, আবদুল জলিল কারিগর, জালাল, বিল্লাল, ইব্রাহিম ও আ. লতিফ। এর মধ্যে দিদার, এরশাদ, জলিল কারিগর ও ইব্রাহিম পলাতক।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হলেন চায়না বেগম ও মজিদন ওরফে মাজেদা। দুজনই পলাতক।

আইনজীবী জানান, মৃত্যুদণ্ডের আসামিদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ চার পলাতক আসামি ছাড়া বাকিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পলাতকদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদেরও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নথি থেকে জানা যায়, নিহত নজরুল ইসলামের সঙ্গে আসামিদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও আদালতে দেওয়ানি, ফৌজদারি মামলা চলছিল।

২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল সকালে বুড়িগঙ্গা ব্রিজের পাশে নারিশা পশ্চিমচর এলাকায় আসামিরা নজরুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় তাঁর স্ত্রী সূর্যভান এগিয়ে এলে তাঁকে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নজরুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৩ এপ্রিল দোহার থানায় নিহত নজরুলের মামা নাজিমুদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ১৭ আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন একই বছরের ২৬ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৯ সালের ২৫ মে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি বদলি হয়ে এলে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এর পরে বিভিন্ন সময়ে ১৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

বিডি প্রতিদিন/২০ মার্চ ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য