শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:১৪

বর্ণিল আয়োজনে আর্কেশিয়ার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্ণিল আয়োজনে আর্কেশিয়ার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন
রাজধানীর হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারে গতকাল অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া মহাদেশের স্থপতিদের মিলনমেলা -বাংলাদেশ প্রতিদিন

রাজধানীর হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হলো এশিয়া মহাদেশের স্থপতিদের মিলনমেলা। গতকাল সন্ধ্যায় লেজার ও আতশবাজির বর্ণিল আলোকছটায় রঙিন হয়ে ওঠে হাতিরঝিলের আকাশ। পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঢাকবাদ্যের সঙ্গে সঙ্গে লেকের পানিতে সারি সারি পালতোলা নৌকায় ফুটে ওঠে বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি। এতে বিমোহিত                হন দেশি-বিদেশি স্থপতিরা। ‘সুবর্ণতটে: অফ লাইট এ্যান্ড রেইনবো’ শিরোনামে এশিয়ার ২১টি দেশের স্থপতিদের শীর্ষ সংগঠন আর্কেশিয়ার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে এসব আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (বাস্থই) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘আর্কেশিয়া ফোরাম ২০ ঢাকা ১৯’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি ২১ দেশের স্থপতি সংগঠনের প্রেসিডেন্টদের নিয়ে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেন।

 সঙ্গে ছিলেন আর্কেশিয়া প্রেসিডেন্ট রিটা সোহ। একইসঙ্গে বেলুন উড়িয়ে দেন গ্যালারিতে থাকা দেড় হাজারের বেশি স্থপতি। এ সময় আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাস্থই’র সভাপতি স্থপতি জালাল আহমেদ, উপদেষ্টা ও আর্কেশিয়ার ১৫তম চেয়ারম্যান স্থপতি মোবাশ্বের  হোসেন, আর্কেশিয়া ফোরাম ২০ এর আহ্বায়ক স্থপতি আবু সাইদসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এশীয় স্থপতিদের সবচেয়ে বড় মিলনমেলা এই ‘আর্কেশিয়া ফোরাম’। সুবর্ণজয়ন্তীর এ বছর সম্মেলন আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট। আর্কেশিয়ার ৫০ বছর ও ২১ দেশের সম্মানে অনুষ্ঠানের মূল প্রতীক ছিল ৫০ ও ২১ সংখ্যা দুটি। লেজার আলোতে আকাশ ও লেকের পানিতে ফুটে ওঠে সংখ্যা দুটি। সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি কাজী মো. আরিফ জানান, ১৯৬৯ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে এশিয়ার বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্থপতিদের সহযোগিতার মঞ্চ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে আর্কেশিয়া। সংগঠনটির সুবর্ণজয়ন্ত্রী আমাদের দেশে আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। বর্তমানে আর্কেশিয়ার সদস্য ২১টি দেশ হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, লাওস, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ম্যাকাউ, চীন, হংকং, জাপান, কোরিয়া ও মঙ্গোলিয়া। বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (বাস্থই) স্থপতি মাজহারুল ইসলামের হাত ধরে বাংলাদেশি স্থপতিদের জাতীয় সংগঠন হিসেবে ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে।


আপনার মন্তব্য