শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০১

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

হামলা থেকে ছেলেকে বাঁচাতে নয়, রোকেয়ার মৃত্যু আকস্মিক

হামলা থেকে ছেলেকে বাঁচাতে নয়, রোকেয়ার  মৃত্যু আকস্মিক

গত ১৬ মার্চ সোমবার বাংলাদেশ প্রতিদিনের তৃতীয় পৃষ্ঠায় ‘হামলা থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের আকস্মিক মৃত্যু’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেছেন, প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেছেন, রাজধানীর বেরাইদ পাটনিপাড়ার মৃত নুর হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) একজন চিহ্নিত মাদক (ইয়াবা) ব্যবসায়ী। সে নিজেও মাদক সেবন করে।

১২ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় আলমগীর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এক প্রতিবেশীর গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে গিয়ে গালিগালাজ ও উৎপাত শুরু করে। এ সময় অন্যরা তাকে বিরত রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু আলমগীর আরও উগ্র হয়ে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। বিষয়টি স্থানীয় সালিশেই মীমাংসাযোগ্য। এদিকে তার মা রোকেয়া বেগম রাকিয়া (৭২) বার্ধক্যের কারণে চার বছর ধরে অসুস্থ ও শয্যাশায়ী ছিলেন। ওই দিন রাতেই (১২ মার্চ) নিজ বাড়িতে তিনি বার্ধক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সিটি নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে আলমগীরকে কিছু লোক মারধর করে বলে মামলায় যে গল্প (গসিপ) সাজানো হয়েছে তা সঠিক নয়। সিটি নির্বাচনের সঙ্গে ওপরের দুটি ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। সদ্যনির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে আমি এলাকাকে মাদকমুক্ত করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। এ কারণে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে গল্প সাজিয়ে মিথ্যা মামলায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে। ‘উদোর পি-ি বুধোর ঘাড়ে’ চাপানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের আগেই মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের একতরফা মিথ্যা অভিযোগ আমলে নিয়ে ষাটোর্ধ্ব জাহিদুল ইসলামকে আটক ও তিন দিনের রিমান্ডের প্রতিবাদ, তার নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের সন্ত্রাসী বাহিনী বেরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাজী আলী আকবরের ছেলে জাহিদের বাড়ি ও প্রতিবেশী মকবুলের ছেলে হিরুনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ভয়ে তারা মামলা করার সাহস পাচ্ছেন না। অথচ উল্টো জাহিদ, তার ছেলে, স্বজনদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। জাহাঙ্গীর রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে এসব ঘটনাকে নির্বাচনের সঙ্গে জড়িয়ে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণের অপ্রচেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বেরাইদ একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানকার লোকজন সবাই স্থানীয় বাসিন্দা। একে অন্যের আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ। ‘আমার লোক’ বা ‘অমুকের লোক’ বলে কিছু নেই। আমি সদ্যনির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি, সবাই আমার কাছে সমান। এ নিয়ে অপপ্রচারের কোনো সুযোগ নেই।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর