শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:০৭

রাজধানীতে শ্রমিক-কৃষক সমাবেশ

লুটেরাদের স্বার্থে পাট-চিনিকল ধ্বংস করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক শ্রমিক-কৃষক সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা না করে লুটেরাদের স্বার্থে পাট-চিনিকল ধ্বংস করা হচ্ছে। এ সময় দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ ও চিনিকল বন্ধের অপতৎপরতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পিপিপি বা ব্যক্তিমালিকানার নামে লুটপাট বন্ধ, আধুনিকায়ন করে পাটকল চালু, রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ না করে আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণ, বদলি শ্রমিকসহ সবার বকেয়া পাওনা পরিশোধ, পাটচাষি-আখচাষি রক্ষা ও বিরাষ্ট্রীয়করণ নীতি বাতিলের দাবি জানানো হয়। পাট-সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ এবং বাংলাদেশ আখচাষি ও চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে গতকাল সকালে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আখচাষি ও চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, খেতমজুর নেতা মোস্তফা লুৎফুলা এমপি, প্রবীণ  শ্রমিকনেতা সহিদুল্লাহ চৌধুরী, কৃষক নেতা মাহমুদুল হাসান মানিক, শ্রমিকনেতা মো. মছিউদদৌলা, আসলাম খান, খুলনা-যশোর শিল্পাঞ্চল নেতা হারুন রশিদ মল্লিক, চট্টগ্রামের পাটকল শ্রমিক নেতা দিদারুল আলম, নাটোর সুগার মিল নেতা মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রমিক নেতা মোবারক হোসেন, শ্যামপুর চিনিকল রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন। সভা পরিচালনা করেন শ্রমিক নেতা কামরুল আহসান, ঘোষণাপত্র পাঠ করেন চিনিকল ও আখচাষি রক্ষা কমিটির নেতা সুকুমার সরকার।

ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, পাটকল-চিনিকল লোকসানের জন্য শ্রমিকরা দায়ী নয়। করপোরেশনের দুর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তারাই দায়ী। পাট ও চিনিশিল্প আধুনিকীকরণ করে চালু করার জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণ করা হয়েছিল। সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরাষ্ট্রীয়করণ আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না।

সমাবেশ থেকে আগামী ১৬ মার্চ পাট ও চিনিশিল্প রক্ষায় দাবি আদায়ে দেশের সব পাটকল, চিনিকল ও আখচাষ এলাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থানসহ ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংহতি সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশ শেষে লাল পতাকার এক বিশাল মিছিল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাই কোর্ট, তোপখানা রোড হয়ে পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।

এই বিভাগের আরও খবর