শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৫২

পুলিশের ফেনসিডিল বিক্রি, তদন্ত করবে হেড কোয়ার্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

Google News

বগুড়ায় ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের পর সেখান থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা তদন্ত করবে পুলিশ হেড কোয়ার্টার। এর আগে বগুড়া পুলিশ বিভাগ থেকে প্রাথমিকভাবে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি বিষয়টি তদন্ত করার পরই এক পরিদর্শক, এক উপ-পরিদর্শকে প্রত্যাহার এবং সার্কেল এএসপিকে বদলি করা হয়। ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে বরিশালে বদলি, শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শাহীন উজ্জামান ও এসআই সুজাউদ্দৌলাকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ অফিস ও পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাতে শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করে। তল্লাশিকালে ঢাকাগামী খালেক পরিবহন বাস থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী। ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন। এমন অভিযোগ ওঠার পর বগুড়া পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা গত ২০ এপ্রিল মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে পুলিশ সুপার মামলা দুটি বগুড়া ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী জানান, জেলা পুলিশের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি পূর্বেই গঠন হয়েছিল। সেই কমিটিই প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন হেড কোয়ার্টার থেকে তদন্ত হবে বা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর