শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:১২
প্রিন্ট করুন printer

স্বামীর পরকীয়ার খবরে স্ত্রীর আত্মহত্যা, ৫ লাখে সমাঝোতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:

স্বামীর পরকীয়ার খবরে স্ত্রীর আত্মহত্যা, ৫ লাখে সমাঝোতা!
প্রতীকী ছবি

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় স্বামীর পরকীয়া ও নির্যাতন সইতে না পেরে তাসলিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত তাসলিমা খাতুন উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের সৌদি প্রবাসি লিখন মিয়ার স্ত্রী। 

এদিকে পুলিশকে না জানিয়ে তাসলিমার মৃতদেহ দাফনের চেষ্টা করেন তার স্বজনরা। মৃত্যুর ২১ ঘণ্টা পর শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সংবাদ পেয়ে নিহতের মৃতদেহ তার বাবার বাড়ি থেকে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।  

জানা গেছে, ধুনট উপজেলার গোপালনগর গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে লিখন মিয়া প্রায় ৬ বছর আগে শেরপুর উপজেলার বরইতলী গ্রামের তছির উদ্দিনের মেয়ে তাসলিমা খাতুনকে বিয়ে করে। লিখন মিয়া সৌদি আরবে চাকুরি করতো। কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে দুই মাস ধরে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করছে লিখন। এ অবস্থায় প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে লিখনের পরকীয়া প্রেমের বিষয়টি টের পায় তাসলিমা। 
এ বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তাসলিমাকে তার স্বামী নির্যাতন করে। স্বামীর পরকীয়া ও  নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীর ঘরে বিষপান করে তাসলিমা। তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাসলিমাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন জরুরী বিভাগের চিকিৎসক। 
বগুড়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে ধুনট-শেরপুর সড়কের শালফা এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাসলিমা মারা যায়। মৃত্যুস্থলের পাশের বরইতলী গ্রামের বাবার বাড়িতে তাসলিমার মৃতদেহ নেওয়া হয়। সেখানে লিখনের পরিবারের সঙ্গে দেনদরবার করে ৫লাখ টাকা তাসলিমার বাবাকে এবং ৪ বিঘা জমি তাসলিমার দুই ছেলের নামে লিখে দেওয়ার শর্তে মিমাংসা করে তাসলিমার মৃতদেহ দাফনের সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে লিখন মিয়া বলেন, পারিবারিক অশান্তির কারণে তাসলিমা বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। আমার দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ৫ লাখ টাকা ও ৪ বিঘা জমি লিখে দেওয়ার কথা হয়েছে। 

ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রিপন কুমার বলেন, বিষক্রিয়ায় অসুস্থ তাসলিমাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনেন তার স্বজনরা। কিন্তু তার শরীরের অবস্থা ক্রমেই অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 

বগুড়ার ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, বিষয়টি উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়নি। তারপরও এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৩০
প্রিন্ট করুন printer

বৃদ্ধের সঙ্গে বিয়ে, পালিয়ে হাসপাতালের পর সেফ হোমে কিশোরী!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বৃদ্ধের সঙ্গে বিয়ে, পালিয়ে হাসপাতালের পর সেফ হোমে কিশোরী!

বৃদ্ধের সঙ্গে বাল্যবিয়ে দেয়ার কথা উঠলে তা থেকে রক্ষা পেতে পটুয়াখালীর গলাচিপার এক দুর্গমচর থেকে পালিয়ে দশমিনায় চলে আসা এক কিশোরীকে গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেছেন এলাকাবাসী ও পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কিশোরী নাজমা বেগম (১৪) কে বরিশাল সেফ হোমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ। চিকিৎসার পর ওই কিশোরী সুস্থ আছেন বলে জানান দশমিনা থানার ওসি।

স্থানীয়রা ও দশমিনা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নের চর বিশ্বাস গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে নাজমা বেগম (১৪) বুধবার বিকালে দশমিনা উপজেলার চরহোসনাবাদ এলাকায় সড়কে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। পরে স্থানীয়রা ও থানা পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে ভর্তি কিশোরী পুলিশ ও সাংবাদিকদের নাজমা জানায়, তার পিতা শফিকুল ইসলাম মারা যাওয়ার পর মা অন্যত্র বিয়ে করলে সে তার মামাদের বাড়ি থেকে লেখাপড়া করত। তার মামা দুলাল সিকদার সম্প্রতি এক বৃদ্ধের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা-পাকি করে। এর প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করেন মামা। ওই কিশোরী আরও জানায়, এ ঘটনায় বাড়ি থেকে পালিয়ে দশমিনা চলে এসে চরহোসনাবাদ সড়কের পাশে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। 
দশমিনা থানার ওসি মোহাম্মদ জসীম জানান, ওই কিশোরীর মা ও মামাদের সাথে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু কিশোরী নাজমা তাদের সাথে যেতে রাজী নয় তাই তাকে কিছুক্ষণের মধ্যেই বরিশালের সেফ হোমে পাঠানো হচ্ছে। কিশোরীর স্বজনদেরও তাকে নিতে তেমন একটা আগ্রহ নেই। মেয়েটি এখন সুস্থ আছে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৯
প্রিন্ট করুন printer

ফুলপুরে সাংবাদিকতার ওপরে পিআইবির প্রশিক্ষণ

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ফুলপুরে সাংবাদিকতার ওপরে পিআইবির প্রশিক্ষণ

ময়মনসিংহের ফুলপুরে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকদের প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১ যুগ পর এবার তারা প্রশিক্ষণের জন্যে তালিকাভুক্ত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের ৪র্থ তলায় এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এতে আজ ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন পিআইবির সমন্বয়ক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন ও ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন।

এ সময় মুক্তাগাছা, ধোবাউড়া ও ঈশ্বরগঞ্জের সাংবাদিকবৃন্দসহ ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, ফুলপুর প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি নুরুল আমিন, খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম রবিউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০৮
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ
আব্দুল মান্নান আকন্দ

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বগুড়া পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ৩১ কোটি টাকা দুর্নীতির মামলায় এই নির্দেশ দেন বগুড়ার স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এমরান হোসেন চৌধুরী।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, আদালতে উপস্থিত না থকায় চার্জ গঠনের দিনে আব্দুল মান্নান আকন্দের নামে গ্রেফতারের নির্দেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। ২০১১ সালে দুর্নীতির অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের হয়।

অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান আকন্দ জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মামলায় যে পরিমাণ টাকা নিয়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে সে টাকা তিনি পরিশোধ করেছেন। 

বগুড়া পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই নির্বাচনে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থী হওয়ার পর দলীয় নির্দেশনা পালন না করায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বগুড়া পৌর আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মতে ৪ নং ওয়ার্ড কমিটি থেকে আব্দুল মান্নানকে বহিস্কার করা হয়।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নামে অর্থ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার স্বজনপ্রীতি ও অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কারণে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তারা।

লিখিত অভিযোগ ও মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, তালিকা থেকে বাদ পড়া অনলাইনে আবেদনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ১০২ নম্বর স্মারকে শরণখোলায় পত্র প্রেরণ করে। উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফজাল হোসাইন, সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ও সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক খান গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করেন।

বাছাই কমিটি ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা ও উপস্থিত সম্মুখযোদ্ধাদের সাক্ষী এবং সকলে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেন। কিন্তু ওই খসড়া তালিকা বাদ রেখে বাছাই কমিটি গোপনে ৩৪ জন অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করে ৫৩ জনের নামের তালিকা জামুকায় প্রেরণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন বাদশা, হারুন অর রশিদ খান, আ. মালেক জোমাদ্দার, আবু জাফর জব্বার, ইউসুফ আলী হাওলাদার জানান, যাচাই-বাছাই কমিটির দুজন সদস্য অনলাইনে আবেদনকারী দেড় শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্তির নামে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।

এসময় উপস্থিত অনলাইনে আবেদনকারী সুনিল শিকারী জানান, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির কথা বলে এক লাখ টাকা নিয়েও তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মালেক মীর, আব্দুল হালিম হাওলাদার, আব্দুল খালেক হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওরাদার ও ইউসুফ মুন্সি জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে যে ৫৩ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তার ৩৪ জনই অমুক্তিযোদ্ধা এবং এর মধ্যে কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীও রয়েছে। এমনকি এক নম্বর গেজেটের যাচাই-বাছাই করতেও ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

জানতে চাইলে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, কমিটিতে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপস্থিত সাক্ষীদের মতামতের ভিত্তিতে তালিকা করে জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাছাই কমিটির সভাপতি এম আফজাল হোসাইন ও সদস্য এম এ খালেক খান অর্থ বাণিজ্যের কথা অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীদের নিয়ে ৫৩ জনের তালিকা করা হয়েছে। তাদের স্বার্থহানী ঘটায় এখন আমাদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫২
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০১
প্রিন্ট করুন printer

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরুর দাফন সম্পন্ন
বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু

অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চিরনিন্দ্রায় শায়িত হলেন সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট নাগরিক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু।

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা তাঁকে। 

জেলার মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলনে আজীবন সংগ্রামী এই বীর যুদ্ধার আকস্মিক প্রয়াণে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাকে শেষ বিদায় জানাতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন তার অসংখ্য গুনগ্রাহী, স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব। 

সকাল সাড়ে ১০ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর মরদেহ রাখা হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে। সেখানে তাকে আবেগঘন পরিবেশে শেষ বিদায় জানান আদালত অঙ্গনে তার সুহৃদ ও সহকর্মীরা। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিয়ে  যাওয়া হয় তার মরদেহ। দুপুরে পৌরসভা চত্বরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে পৌরসভা আঙিনা। 

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলের হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর পক্ষ থেকে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। তাকে শেষ বিদায় জানান সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। 

বেলা দুইটায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার কফিনে জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। বেলা আড়াইটায় ষোলঘর জামে মসজিদের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে  বেলা ৩ টায় ষোলঘর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। 

উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ৩ টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার লেখা ‘রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ’ বইকে জেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অনেকে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর