শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৯, বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

রপ্তানিতে ঋণ খরচ কমাতে সুদহারে প্রণোদনা দরকার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রপ্তানিতে ঋণ খরচ কমাতে সুদহারে প্রণোদনা দরকার

রপ্তানি খাত বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রপ্তানি খাতে ব্যাংকের অর্থায়ন, সহায়তা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ।

ব্যাংক ব্যবসায় রপ্তানি খাত কতটা গুরুত্ব বহন করে?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে রপ্তানি একটি মৌলিক চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত, যা জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। ব্যাংকগুলো রপ্তানি-সম্পর্কিত কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, বাণিজ্যিক সহায়তা এবং বৈদেশিক লেনদেন পরিচালনায় বিভিন্ন সেবা প্রদান করে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জোরদারে সহায়ক ভূমিকা রাখে। রপ্তানি খাত শুধু ব্যাংকের লাভজনক কার্যক্রম নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির গতিপ্রবাহে প্রাণসঞ্চারকারী এক অবিচ্ছেদ্য উপাদান। যেমন-বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক ব্যাংকিং খাতের নিবিড় সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। কাঁচামাল আমদানি থেকে শুরু করে রপ্তানি বিল সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ব্যাংকগুলোর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের আরোপ করা এলসি মার্জিন সার্কুলারের বিষয়ে আপনার মতামত কী?

বাংলাদেশ ব্যাংক লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) মার্জিন বৃদ্ধির মাধ্যমে কিছু পণ্যের আমদানিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। এ সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসবহুল পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করা, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষা করা এবং সম্ভাব্য মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। স্বল্প মেয়াদে এ পদক্ষেপ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হলেও, দীর্ঘ মেয়াদে এটির আমদানিনির্ভর ব্যবসা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিছু নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এই নীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ব্যবসা ও শিল্প খাতের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত বিঘ্ন এড়াতে এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা বজায় রাখতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও স্বচ্ছ যোগাযোগ নিশ্চিত করাই হবে সময়োচিত পদক্ষেপ। সেটি করা হচ্ছে, এরই মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে।
 
দেশের আমদানি ও রপ্তানিতে পার্থক্যের কারণ ও সমাধান কী হতে পারে?

বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণের মধ্যে বিরাট পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো বাণিজ্য ঘাটতি, যেখানে আমদানির পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা একাধিক কাঠামোগত ও নীতিগত কারণ দ্বারা প্রভাবিত। তা সমাধানে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। যেমন- রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ করতে হবে। ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, কৃষি পণ্য, আইটি এবং পাটজাত পণ্যের মতো খাতে রপ্তানির সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করতে হবে। ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পে বিনিয়োগ-তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামাল ও উপকরণ দেশেই উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমাতে হবে। এ ছাড়া বাজার সম্প্রসারণসহ আরো নানা পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
 
নীতিগতভাবে সরকার কী করতে পারে?

বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক নীতিগত ও কাঠামোগত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সরকার। শুল্ক সংস্কার, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশ সরকার আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত শুল্ক ও অশুল্ক বাধা হ্রাসে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ব্যাবসায়িক খরচ কমাতে এবং রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে; নির্দিষ্ট পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে; শুল্ক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।

ট্রাম্পের শুল্কনীতি বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার ও ব্যাংক ব্যবসায় কেমন প্রভাব ফেলবে?

ট্রাম্প প্রশাসনের পারস্পরিক শুল্কনীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি রপ্তানির ওপর প্রস্তাবিত ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে এর গভীর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই সিদ্ধান্ত শুধু রপ্তানি প্রবাহকে বিঘ্নিত করবে না, বরং ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতেও নেতিবাচক চাপ তৈরি করবে।

ব্যাংকঋণের সুদহার বৃদ্ধি পেলে রপ্তানিতে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

ব্যাংকঋণে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে রপ্তানিকারকদের ঋণ গ্রহণের খরচ বৃদ্ধি পায়, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতা এবং পরিমাণ হ্রাসের কারণ হতে পারে। এই প্রভাব প্রশমিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ভর্তুকিযুক্ত রপ্তানি ঋণ, বিকল্প অর্থায়নের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধির জন্য একটি স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মতো লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে। উচ্চ সুদের হার রপ্তানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে, কারণ মূলধন ব্যয় বেড়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ বিলম্বিত হয়। এ ছাড়া সুদের হার পরিবর্তন বিনিময় হারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা রপ্তানির প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত করে। যেমন- উচ্চ সুদের হার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করলে স্থানীয় মুদ্রার মূল্য বেড়ে যায় এবং রপ্তানি পণ্য আরো দামি হয়ে পড়ে।

এ ক্ষেত্রে করণীয় কী হতে পারে?

বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য ভর্তুকিযুক্ত সুদের হার প্রণোদনা দিতে পারে, যা রপ্তানিকারকদের ঋণ খরচ কমিয়ে তাঁদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্ত করবে। যেমন-মার্কিন ডলারে ইডিএফ সুবিধা পূর্বের অবস্থায় নিয়ে যাওয়া। বিকল্প অর্থায়নের প্রচার- রপ্তানি ফ্যাক্টরিং, ফোরফাইটিংয়ের মতো বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থা উৎসাহিত করতে হবে, যা ঐতিহ্যবাহী ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা কমাবে। এ ছাড়া মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং পূর্বাভাসযোগ্য বিনিময় হার নিশ্চিত করে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি, যা রপ্তানিকারকদের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগে সহায়ক হবে। সর্বোপরি রপ্তানি খাতে সুদের হার ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে মুদ্রানীতিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা যেতে পারে।
 
সৌজন্যে- কালের কণ্ঠ।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
সর্বশেষ খবর
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

৪৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন