শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মার্চ, ২০২০ ০০:০২

মানবতত্ত্ব

আল কোরআনে ভ্রূণ

আল কোরআনে ভ্রূণ

আল কোরআন ও রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণীর মাধ্যমে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ‘নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্রিত শুক্রবিন্দু থেকে। আমি তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছি। এরপর আমি তাকে বানিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তিসম্পন্ন।’ সূরা দাহর।

‘একদা এক ইহুদি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি সাহাবিদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় কোরাইশদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলে উঠল, হে ইহুদি! এই লোকটা নিজেকে নবী বলে দাবি করছে। ইহুদি বলল, আমি তাকে এমন প্রশ্ন করব যা নবী ছাড়া অন্য কারও জানা নেই। সে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করলÑ হে মুহাম্মদ! মানুষ কী থেকে তৈরি হয়েছে? তিনি বললেন, মানুষ পুরুষের তরল (বীর্য) ও নারীর পানি থেকে তৈরি। ইহুদি বলল, তোমার আগের নবীরাও এ কথা বলেছে।’ মুসনাদ।

আল কোরআনে বর্ণনা করা হয়েছে, মানুষকে ‘নুতফা’ থেকে তৈরি করা হয়েছে। নুতফা শব্দের অর্থ খুব অল্প পরিমাণ পানি। এখানে নুতফা বলতে পুরুষের বীর্যের কথা বোঝানো হয়েছে। বীর্য হচ্ছে অল্প পরিমাণ পানি এবং লম্বা মাছের মতো অসংখ্য শুক্রাণুর সমষ্টি। ‘যিনি তার প্রতিটি সৃষ্টিকে সুন্দর করেছেন। তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন কাদা থেকে আর তার বংশধরদের সৃষ্টি করলেন এক তুচ্ছ তরল পদার্থের নির্যাস (সুলাল) থেকে।’ সূরা সিজদাহ, আয়াত ৭-৮। বীর্য থেকে মানুষ তৈরি সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন, ‘সুতরাং মানুষ ভেবে দেখুক কী থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে তীব্র বেগে স্খলিত পানি থেকে।’ সূরা তারিক, আয়াত ৫-৬।       ডা. আলমগীর মতি।


আপনার মন্তব্য