শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ জুন, ২০২১ ২৩:২১

মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র

অপশক্তি রুখতে ভূমিকা রাখবে

Google News

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলার ৫০টি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন। সারা দেশে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয় বর্তমান সরকারের আমলে। এসব মসজিদের ১০০টি উদ্বোধন করা হবে মুজিববর্ষে। ৫০টি মসজিদ ওই ১০০টিরই অংশ। বিশ্ব ইতিহাসে একসঙ্গে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ সম্ভবত এটিই প্রথম। উল্লেখ্য, দৃষ্টিনন্দন প্রতিটি মসজিদে নারী ও পুরুষের অজু-নামাজের পৃথক কক্ষ, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হেফজখানা, গণশিক্ষা কেন্দ্র, গবেষণা কেন্দ্র, পাঠাগার, মৃতদেহ গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন, অটিজম কর্নার ও ই-কর্নার থাকবে। এ ছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আর বিশেষ সুবিধা হিসেবে থাকছে বিদেশি পর্যটকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা। প্রতিটি মসজিদে একসঙ্গে ১ হাজার ২০০ মানুষ জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদগুলো তৈরি হলে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৪৪০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ নারী একসঙ্গে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাবেন। এসব মসজিদের লাইব্রেরিতে ৩৪ হাজার পাঠক বসে বই পড়তে পারবেন। একসঙ্গে গবেষণার সুযোগ পাবেন ৬ হাজার ৮০০ জন। দৈনিক ৫৬ হাজার মুসল্লি দাওয়াতি কার্যক্রম, প্রতি বছর ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর হেফজ পড়া, ১৬ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, ২ হাজার ২৪০ জন অতিথির আবাসনের সুবিধা থাকবে। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক ইসলামের প্রতিনিধিত্বকারী জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ ইত্যাদি সাম্প্রদায়িক দলের বকধার্মিকরা পাকিস্তানি হানাদারদের পদলেহী ভূমিকা পালন করেছে এটি এক সত্যি। এর পাশাপাশি আরও একটি সত্য হলো, দেশের সাধারণ মানুষের মতো আলেমসমাজের বৃহদাংশ ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। তাদের অনেকে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। দেশজুড়ে ৫৬০টি মসজিদ এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জঙ্গিবাদী তথা উগ্রবাদী চক্রকে রোখা এবং শান্তির ধর্ম ইসলামের সঠিক ধারণা প্রচারে সহায়তা করবে। দেশে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টিতেও রাখবে অবদান।