Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২৭

নৌকার প্রার্থীর নাম প্রকাশ আরও ১২২ উপজেলায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌকার প্রার্থীর নাম প্রকাশ আরও ১২২ উপজেলায়

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ১২২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। গতকাল দুপুরে ধানমন্ডিতে দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্র্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।   দ্বিতীয় ধাপে ১২৯ উপজেলায় আগামী ১৮ মার্চ ভোট গ্রহণ করা হবে। তবে দ্বিতীয় ধাপের সাতটি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নাম ঘোষণা বাকি আছে। এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯ সদস্যের মনোনয়ন বোর্ড এই তালিকা চূড়ান্ত করেছে। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আগামী ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা হবে। প্রথম ধাপে ৮৭ জন প্রার্থীর নাম গত শনিবার প্রকাশ করা হয়। উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ রেখেছে। দ্বিতীয় ধাপের ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা হলেন :

রংপুর বিভাগ : ঠাকুরগাঁও সদরে অরুণাশু দত্ত টিটো, পীরগঞ্জে আখতারুল ইসলাম, রানীশংকৈলে সাইফুল হক, হরিপুরে জিয়াউল হাসান, বালিয়াডাঙ্গীতে আহসান হাবীব বুলবুল। রংপুরের পীরগাছায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন, তারাগঞ্জ মো. আনিছুর রহমান, বদরগঞ্জে ফজলে রাব্বি, কাউনিয়া আনোয়ারুল ইসলাম, পীরগঞ্জে নূর মোহাম্মদ ম ল, গঙ্গাচড়ায় মো. রুহুল আমিন। গাইবান্ধা সদরে শাহ সারোয়ার কবীর, সাদুল্যাপুরে মো. সাহারিয়া খান, গোবিন্দগঞ্জে মো. আবদুল লতিফ প্রধান, ফুলছড়ির জি এম সেলিম পারভেজ, সাঘাটা এস এম সামশীল আরেফিন, পলাশবাড়ীতে এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী। দিনাজপুরের দিনাজপুর সদরে ইমদাদ সরকার, কাহারোলে এ কে এম ফারুক, বিরলে এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, বোচাগঞ্জে মো. আফছার আলী, চিরিরবন্দরে মো. আহসানুল হক, ফুলবাড়ীতে মো. আতাউর রহমান মিল্টন, বিরামপুরে পারভেজ কবীর, হাকিমপুরে হারুন উর রশীদ, বীরগঞ্জে আমিনুল ইসলাম, নবাবগঞ্জে আতাউর রহমান, পার্বতীপুরে হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, খানসামার সফিউল আযম চৌধুরী, ঘোড়াঘাটের আবদুর রাফে খন্দকার।

রাজশাহী বিভাগ : বগুড়ার বগুড়া সদরে মো. আবু সুফিয়ান, নন্দীগ্রামে মো. রেজাউল আশরাফ, সারিয়াকান্দিতে অধ্যক্ষ মুহম্মদ মুনজিল আলী সরকার, আদমদীঘি মো. সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, দুপচাঁচিয়া মো. মিজানুর রহমান খান, ধুনটে মো. আবদুল হাই (খোকন), শাজাহানপুর মো. সোহরাব হোসেন, শেরপুরে মো. মজিবর রহমান মজনু, শিবগঞ্জে মো. আজিজুল হক, কাহালুতে মো. আবদুল মান্নান, গাবতলীতে এ এইচ এম আজম খান এবং সোনাতলায় মো. মিনহাদুজ্জামান লিটন। নওগাঁর নওগাঁ সদরে মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক), আত্রাইয়ে মো. এবাদুর রহমান প্রামাণিক, নিয়ামতপুরে ফরিদ আহমেদ, সাপাহারে মো. শামছুল আলম শাহ্ চৌধুরী, পোরশায় মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ধামইরহাটে মো. আজাহার আলী, বদলগাছীতে মো. আবু খালেদ বুলু, রানীনগরে মো. আনোয়ার হোসেন, মহাদেবপুরে মো. আহসান হাবীব, পতœীতলায় মো. আবদুল গাফফার, মান্দায় মো. জসিম উদ্দীন। পাবনার পাবনা সদর উপজেলায় মো. মোশারফ হোসেন, আটঘরিয়ায় মো. মোবারক হোসেন, বেড়ায় আবদুল কাদের, ভাঙ্গুড়ায় মো. বাকি বিল্লাহ, চাটমোহরে সাখাওয়াত হোসেন সাখো, ঈশ্বরদীতে মো. নুরুজ্জামান বিশ্বাস, সাঁথিয়ায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সুজানগরে শাহীনুজ্জামান এবং ফরিদপুরে মো. খলিলুর রহমান সরকার। 

ঢাকা বিভাগ : ফরিদপুরের ফরিদপুর সদর উপজেলায় মো. আবদুর রাজ্জাক মোল্লা, বোয়ালমারীতে এম এম মোশাররফ হোসেন, চরভদ্রাসনে মো. কাউছার, সদরপুরে এইচ এম শায়েদীদ গামাল লিপু, সালথায় মো. দেলোয়ার হোসেন, আলফাডাঙ্গায় এস এম আকরাম হোসেন, মধুখালীতে মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু, নগরকান্দায় মো. মনিরুজ্জামান সরদার এবং ভাঙ্গায় মো. জাকির হোসেন মিয়া।

সিলেট বিভাগ : সিলেটের সিলেট সদর উপজেলায় আশফাক আহমেদ, বিশ্বনাথে মো. নুনু মিয়া, দক্ষিণ সুরমায় মো. আবু জাহিদ, বালাগঞ্জে মো. মোস্তাকুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জে মো. জাহাঙ্গীর আলম, গোয়াইনঘাটে মো. গোলাম কিবরিয়া হেলাল,

জৈন্তাপুরে লিয়াকত আলী, কানাইঘাটে আবদুল মোমিন চৌধুরী, গোলাপগঞ্জে ইকবাল আহমেদ চৌধুরী, বিয়ানীবাজারে আতাউর রহমান খান।

চট্টগ্রাম বিভাগ : নোয়াখালীর হাতিয়ায় মাহবুব মোর্শেদ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মো. শাহজাহান, সীতাকুে র এস এম আল মামুন, রাঙ্গুনিয়ায় খলিলুর রহমান চৌধুরী, ফটিকছড়ির মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মীরসরাইয়ে জসিম উদ্দিন, রাউজানে এ কে এম এহেছানুল হায়দর চৌধুরী, হাটহাজারীতে এস এম রাশেদুল আলম। রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় সামশু দোহা চৌধুরী, রাঙামাটি সদরে শহীদুজ্জামান মহসীন, রাজস্থলীর উবাচ মারমা, লংগদুর আবদুল বারেক সরকার, বিলাইছড়ির জয় সেন তঞ্চঙ্গ্যা, কাপ্তাইয়ে মো. মফিজুল হক, বরকলের সবির কুমার চাকমা, জুড়াছড়ি রূপ কুমার চাকমা, বাঘাইছড়ির মো. ফয়েজ আহমেদ। খাগড়াছড়ির সদরে মো. শানে আলম, মানিকছড়িতে জয়নাল আবেদনী, লক্ষ্মীছড়িতে বাবুল চৌধুরী,  দীঘিনালায় মো. কাশেম, মহালছড়িতে ক্যজাই মার্মা, পানছড়িতে বিজয় কুমার দেব, মাটিরাঙাতে মো. রফিকুল ইসলাম, রামগড়ে বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী। বান্দরবানের সদরে এ কে এম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে চহাইমং মারমা, আলীকদমে জামাল উদ্দিন, থানছিতে থোয়াই হলা মং মারমা, লামাতে মো. ইসমাইল, রুমাতে উহলাচিং মার্মা, লাইক্ষ্যংছড়িতে মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। কক্সবাজারের চকরিয়ায় গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী।

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ : পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে ৮৭ উপজেলায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ। মনোনয়নপত্র বাছাই আগামীকাল, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ ফেব্রুয়ারি। রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগের ১২ জেলার ৮৭ উপজেলায় প্রথম ধাপের ১০ মার্চ ভোট হবে। চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে এ ভোট হবে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, প্রথম ধাপের ভোটে অংশ নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আজ ১১ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ ফেব্রুয়ারি, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ ফেব্রুয়ারি এবং ভোট ১০ মার্চ। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (দেশের অর্ধেক উপজেলায়) এবং জেলা নির্বাচন অফিসার (অর্ধেক উপজেলায়) রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকারের দলীয় প্রতীকের এ নির্বাচনে সব দলকে ভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

এর আগে সিইসি কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বিকালে কমিশন সভা হয়। পরে ইসির সিদ্ধান্ত ব্রিফিংয়ে জানান সচিব। চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে। এ তিনটি পদে দল মনোনীতরা দলীয় প্রতীকে ও অন্যরা স্বতন্ত্রভাবে ভোট করার সুযোগ পাবে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের মার্চ-মে মাসে ছয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন হয়েছিল। আইনে মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ চালু হওয়ার পর ১৯৯০ ও ২০০৯ সালে একদিনেই ভোট হয়েছিল। ২০১৪ সালে ছয় ধাপে ভোট করেছিল তৎকালীন ইসি।


আপনার মন্তব্য