শিরোনাম
সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা

মুশফিকের দিনেও বাংলাদেশের হার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মুশফিকের দিনেও বাংলাদেশের হার

সিরিজে ফিরতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। বিপরীতে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছিল ‘দ্বীপরাষ্ট্র’ শ্রীলঙ্কা। এমন সমীকরণের ম্যাচে তামিম, মুশফিকদের দাঁড়াতেই দেননি আভিস্কা ফার্নান্দো, অ্যাঞ্জেলি ম্যাথিউসরা। প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি ৩২ বল হাতে রেখে শ্রীলঙ্কা তুলে নেয় ৭ উইকেটের জয় এবং নিশ্চিত করে সিরিজ। এ নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে টানা তিন ম্যাচে হারল বাংলাদেশ। ৩১ জুলাই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। ম্যাচটি আবার টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর। তিন অংকের জাদুকরী ইনিংস খেলতে মুশফিকুর রহিমের দরকার ছিল শেষ দুই বলে ৩ রান। ৯৭ রানে ব্যাট করতে থাকা মুশফিকুর রহিম সেই সুযোগ হাত ছাড়া করেন পঞ্চম বলে সিঙ্গেল নিয়ে। সিঙ্গেল না নিয়ে শেষ বলে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখতে পারতেন ম্যাচটিকে। কিন্তু সিঙ্গেল নিয়ে ৯৮ রানে থেমে পড়েন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিক। সেঞ্চুরি না পেলেও রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পর তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬ হাজারি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে মুশফিকের অপরাজিত ৯৮ রানে উপর ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৩৮ রানের লড়াকু ইনিংস গড়ে বাংলাদেশ। ২৩৯ রানের টার্গেট স্বাগতিকরা টপকে যায় ম্যাচসেরা ফার্নান্দোর ৮২ ও ম্যাথিউসের অপরাজিত ৫২ রানে ভর করে।  প্রথম ম্যাচে ৯১ রানে হেরে পিছিয়ে পড়েছিল সিরিজে। গতকালের ম্যাচটি ছিল সিরিজে ফেরার। কিন্তু পুরোপুরি ব্যর্থ ছিল তামিম বাহিনীর ব্যাটিং লাইন। প্রমাণের ম্যাচ ছিল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তামিমেরও। পারেননি তামিম। যদিও ১৯ রানের ইনিংস খেলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। মুশফিক ও মেহেদী হাসান মিরাজ ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা লড়াইয়ে মেতেছিলেন সাজঘরে ফেরার। নুয়ান প্রদীপ, ইসুরু উদানা ও আকিলা ধনাঞ্জয়ার সাঁড়াশি আক্রমণে এক পর্যায়ে ১১৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে। সেখান থেকে মিরাজকে সঙ্গী করে মুশফিক সপ্তম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৮৪। মিরাজ ৪৩ রান করলেও অষ্টম সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২ রানে দূরে থেমে যান মুশফিক।

 মুশফিক ক্যারিয়ারের ৩৭ নম্বর হাফসেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেন ১১০ বলে ৬ চার ও এক ছক্কায়। মুশফিকের রান ২১৫ ম্যাচের ২০১ ইনিংসে ৩৪.৪৬ গড়ে ৬০৯০। সেঞ্চুরি ৭টি এবং হাফসেঞ্চুরি ৩৭টি।  

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর