শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:০৭

গাম্বিয়া গাম্বিয়া স্লোগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

আয়ুবুল ইসলাম, কক্সবাজার

গাম্বিয়া গাম্বিয়া স্লোগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ‘গাম্বিয়া’র নামে স্লোগান উঠেছে। গতকাল সকালে নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে গণহত্যার বিচারের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ‘গাম্বিয়া, গাম্বিয়া’ স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন মিয়ানমারের উদ্বাস্তুরা। আইসিজেতে গণহত্যার বিচারের আগে সাইফুর রহমান নামে এক ব্যক্তি তার টুইটে এ স্লোগানের ভিডিও তুলে ধরেন। তবে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা ও নিরাপত্তা থাকায় ছোট্ট পরিসরে জমায়েত হলেও সংক্ষিপ্ত সময়ে তা শেষ করে ক্যাম্পের মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন রোহিঙ্গারা।

নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার শুনানিকে কেন্দ্র করে মিছিল-সমাবেশের অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছিল আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটস (এআরএসপিএইচ) নামে একটি রোহিঙ্গা সংগঠন। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে বড় ধরনের সমাবেশ করার অনুমতি দেননি সংশ্লিষ্টরা। তাই ক্যাম্পগুলোয় ছোট পরিসরে মসজিদ ও মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়, জেলা পুলিশ ও এআরএসপিএইচের নেতারা।

রোহিঙ্গা নেতারা জানান, গতকাল সকাল থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে উখিয়ার কুতুপালং, লম্বাশিয়া, সীমান্তের শূন্যরেখা, বালুখালী, তাজনিরমারখোলা, ময়নারঘোনা, শফিউল্লাহ কাটাসহ বেশ কিছু ক্যাম্পের মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত রোহিঙ্গা অংশ নেন। বালুখালী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা নুরুল বাশার বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের এটি একটি বড় অর্জন, গণহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচারে মিয়ানমার স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে কাঠগড়ায় বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’ তার জন্য গাম্বিয়াকে তিনি সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল মিয়ানমারের অপরাধ ও নির্যাতনের বিচার। আজ তা হতে হচ্ছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে মিছিল-সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন কিন্তু দেওয়া হয়নি। এ বিচার নিয়ে যাতে ক্যাম্পে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্টরা সতর্ক রয়েছেন।


আপনার মন্তব্য