শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫০

গুজব না ছড়িয়ে সহযোগিতার আহ্বান পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক

গুজব না ছড়িয়ে সহযোগিতার আহ্বান পুলিশের

দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে গুজব ছড়ানো ও মিথ্যাচার বন্ধ করে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

গতকাল পুলিশ সদর দফতরের এআইজি মিডিয়া অ্যান্ড পিআর মো. সোহেল রানা এক বার্তায় বলেন, ‘অন্যথায় গুজব ছড়িয়ে ও মিথ্যাচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ালে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশের সাইবার টিমগুলো গুজব ও মিথ্যা রটনাকারীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে।’ পুলিশ সদর দফতরের ওই বার্তায় বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধ এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ ও জাতির কল্যাণ নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই বাংলাদেশ পুলিশের ২ লক্ষাধিক সদস্য বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। করোনার বিস্তার রোধে সারা দেশে লাখো কোটি মানুষের সঙ্গে পুলিশের ইন্টারঅ্যাকশন বা সাক্ষাৎ হচ্ছে প্রতিদিন। এর মধ্যে গুটিকয় ঘটনা বা ইন্টারঅ্যাকশনের সময় পুলিশের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে অনাকাক্সিক্ষত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়গুলো নিউজ মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য যে কোনো উপায়ে পুলিশ সদর দফতরের দৃষ্টিতে আসা মাত্রই মাঠ পর্যায়ে ইউনিট কমান্ডারদের তৎক্ষণাৎ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) ব্যক্তিগতভাবে ভিডিওবার্তায় ও মোবাইল ফোনে অপারেশনাল সব কমান্ডারের সঙ্গে কথা বলেছেন। অপারেশনাল ইউনিট কমান্ডারও মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের একইভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার পরও কিছু নিউজ মিডিয়ায় নতুন করে পুরনো অভিযোগগুলো নিয়ে এমনভাবে নিউজ ছাপছে যাতে মনে হচ্ছে এখনো বলপ্রয়োগ অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া একটি দুষ্ট চক্র অতীতের বিভিন্ন সময়ের পুরনো ছবি ও ভিডিও যেগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে সেই সময়ই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা এডিট করে বা কৌশলে ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে পোস্ট দিচ্ছে। এমনকি ২০১১ সালে পুলিশ কর্তৃক বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস দমনের ছবিও ফটোশপ করে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ সেগুলো সহজেই বিশ্বাস করে তার বিপরীতে তাদের উষ্মা প্রকাশ করছে এবং তা শেয়ার করছে। এ ধরনের মিথ্যাচারের ফলে পুলিশের প্রায় শতভাগ সদস্য যারা দেশ ও জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ সৎকারসহ নানা উপায়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন, তারা মানসিকভাবে ডিমোটিভেটেড হচ্ছেন।


আপনার মন্তব্য