শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২৫

কম জনপ্রিয় প্রেসিডেন্টদের কাতারে বাইডেন

প্রতিদিন ডেস্ক

কম জনপ্রিয় প্রেসিডেন্টদের কাতারে বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি শপথ নেন জো বাইডেন। ৩০ এপ্রিল তাঁর প্রশাসন প্রথম ১০০ দিন পার করবে। শততম দিনের আগে নিজ দেশের নাগরিকরাই বাইডেনের কাজ নিয়ে দোলাচলে রয়েছেন। ১০০ দিনের উদ্যোগ ও কাজের নিরিখে বাইডেনকে সমর্থন জুগিয়েছেন অর্ধেকের কিছু বেশি মার্কিনি। অজনপ্রিয় প্রেসিডেন্টদের কাতারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেরাল্ড ফোর্ডের ওপরে রয়েছে বাইডেনের নাম। সাম্প্রতিক জরিপের ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রশাসনের প্রথম ১০০ দিন সামনে রেখে এবিসি নিউজ ও ওয়াশিংটন পোস্টের যৌথ জরিপে বলা হয়েছে, বাইডেনের ১০০ দিনের কাজ সমর্থন করেছেন ৫২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক। সেই হিসাবে, গত ১০০ বছরে দায়িত্ব পালন করা মার্কিন প্রেসিডেন্টদের মধ্যে বাইডেনের জনপ্রিয়তা তৃতীয় সর্বনিম্নে। ১৮ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে ১ হাজার সাতজন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের ওপর টেলিফোনে জরিপটি চালানো হয়েছে।  -প্রতিদিন ডেস্ক

জরিপের ফলাফল বলছে, গত ১০০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ জন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় ছিলেন। প্রথম ১০০ দিনের কাজের নিরিখে সবচেয়ে কম সমর্থন পেয়েছিলেন ট্রাম্প, মাত্র ৪২ শতাংশ। ১৯৭৪ সালে ৩৮তম প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডকে সমর্থন করেছিলেন ৪৮ শতাংশ মার্কিন।

সাম্প্রতিক সময়ের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে বারাক ওবামার প্রথম ১০০ দিনের কাজে সবচেয়ে বেশি ৬৯ শতাংশ মার্কিনি সমর্থন জুগিয়েছিলেন। বিল ক্লিনটন ও জর্জ ডবিøউ বুশের সমর্থন ছিল যথাক্রমে ৫৯ ও ৬৩ শতাংশ। তবে সিবিএস-ইউগভের অন্য একটি জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। এ জরিপে বাইডেনের প্রথম ১০০ দিনের কাজে সমর্থন জুগিয়েছেন ৫৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী। জরিপে অংশ নেওয়াদের ৬৫ শতাংশ মনে করছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে বাইডেন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। ৪৪ শতাংশ মনে করছেন, বাইডেনের হাত ধরে আগামী চার বছর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকতে পারে। আর ৬৬ শতাংশ মনে করছেন, করোনা প্রণোদনা প্যাকেজ মার্কিন অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বাইডেন এমন এক সময় ক্ষমতা নিয়েছেন, যখন করোনা মহামারীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কুপোকাত যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্ব। বিপর্যয়ের মুখে অর্থনীতি। জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসনসহ নানা বিষয়ে পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি থেকে দেশকে সরিয়ে এনে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ফেরানোর চ্যালেঞ্জ ছিল তাঁর সামনে।