শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জুন, ২০২১ ২৩:০৪

বা জে ট প্র তি ক্রি য়া

আবাসনে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ফলপ্রসূ : রিহ্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

সরকার ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের যে সুবিধা অব্যাহত রেখেছে, তা এ খাতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে মনে করেন আবাসন খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল। তিনি বলেন, ‘সরকারি হিসাবেই এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা অর্থনীতির মূল স্রোতধারায় এসেছে। সরকার রাজস্ব পেয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা, যা কভিড পরিস্থিতিতে অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্য ফেরাতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। আমরা  দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই নীতি অব্যাহত থাকলে আরও বহুগুণ অর্থ অর্থনীতির মূলধারায় যোগ হবে, যা রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়ক হবে।’

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সভাপতি বলেন, ‘প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে সরকার আবাসন খাত-সংশ্লিষ্ট নির্মাণসামগ্রী, বিশেষ করে রড, সিমেন্ট, টাইলসসহ বিভিন্ন কাঁচামালে যে বিশেষ শুল্ক ছাড় দিয়েছে, এর জন্য আমরা অভিনন্দন জানাই। জীবন ও জীবিকার বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়ে সংসদে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জনকল্যাণমুখী জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ বাজেট প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। করোনার মতো ভয়াবহ বৈশি^ক মহামারীর মধ্যে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার সুচিন্তিত সময়োপযোগী বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে অনেকদূর এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’ তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট এবং বার্ষিক টার্নওভার করহার কমানো হয়েছে, যা খুবই ইতিবাচক। এ বাজেট যেমনটা ব্যবসাবান্ধব, তেমনি বাস্তবোচিত এবং জনবান্ধব। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সব মিলিয়ে সমগ্র নির্মাণ খাতে ৫০ লাখ জনশক্তি জড়িত। রিয়েল এস্টেট খাত ঘিরে গড়ে ওঠা লিংকেজ শিল্প ঘূর্ণায়মান রেখেছে আমাদের অর্থনীতি। প্রতি বছর বিভিন্ন খাত-উপখাত মিলে এই রিয়েল এস্টেট সেক্টর থেকে সরকারের কোষাগারে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জমা হয় প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব। এ জন্য এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। দেশবাসী যাতে ভাড়ার টাকায় মাথা গোঁজার একটা ঠিকানা খুঁজে পান, সে জন্য স্বল্প সুদের দীর্ঘমেয়াদি একটি তহবিল গঠন আমাদের প্রাণের দাবি। অন্যান্য দেশের তুলনায় এ খাতে নিবন্ধনব্যয় আরও কমানোর সুযোগ রয়েছে। রিহ্যাবের অন্যান্য দাবি ভবিষ্যতে সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা আশা করি।’