শিরোনাম
সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা
মানব পাচার মামলা

কুয়েতে পাপুলের সাত বছর জেল

প্রতিদিন ডেস্ক

কুয়েতে পাপুলের সাত বছর জেল

অর্থ পাচারের মামলার পর মানব পাচার মামলায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে সাত বছরের কারাদন্ড ও ২৭ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করেছে কুয়েতের  সর্বোচ্চ আদালত। এর আগে অর্থ ও ঘুষের মামলায় তাকে চার বছরের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়।

কুয়েতের             স্থানীয় মিডিয়ার বরাত দিয়ে গালফ নিউজের খবরে বলা হয়, পাপুল ছাড়াও আদালত একই মামলায় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল মাজেন আল-জাররাহ, জনশক্তি পরিচালক হাসান আল খিদরকেও সাত বছরের কারাদন্ড দিয়েছে। কুয়েতের এসব সরকারি কর্মকর্তাকে নিজ নিজ পদ থেকে বহিষ্কারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুয়েতের সাবেক এমপি সালাহ খুরশিদকেও সাত বছরের কারাদন্ড এবং প্রায় সাড়ে সাত লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে। মামলার এটাই চূড়ান্ত রায়। গত ফেব্রুয়ারিতে কুয়েতের অপরাধ আদালত পাপলুকে চার বছরের কারাদন্ড এবং ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করে। পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েতের সরকারি কৌঁসুলিরা মানব পাচার, অবৈধ মুদ্রা পাচার এবং স্বদেশি কর্মীদের কাছে রেসিডেন্ট পারমিট বিক্রির অভিযোগ তুলেছিল। পাপুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কুয়েতি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে কয়েক ডজন শ্রমিক পাঠানোর জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। পাঁচ বাংলাদেশি তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলার পর পাপুলকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বাংলাদেশিরা জানান, পাপুল তাদের কুয়েতে পাঠানোর জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে সোয়া ৮ লাখ টাকারও বেশি অর্থ নিয়েছেন। এ ছাড়া রেসিডেন্সি ভিসা নবায়নের জন্য প্রতি বছর পাপুলকে নতুন করে অর্থ দিতে হতো তাদের। পাপুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি কুয়েতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ হিসেবে পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি সরবরাহ করেছিলেন, যাতে তিনি সেখানে যে সংস্থাটি চালাচ্ছিলেন তার চুক্তি পেতে পারেন। জানা গেছে, উপসাগরীয় এই দেশটিতে পাপুলের ৫০ লাখ কুয়েতি দিনারের সমপরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে।

সর্বশেষ খবর