শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৫, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫

শ্বাসকষ্ট : সমস্যা ফুসফুসের নাকি হৃৎপিণ্ডের?

প্রিন্ট ভার্সন
শ্বাসকষ্ট : সমস্যা ফুসফুসের নাকি হৃৎপিণ্ডের?
হার্ট প্রয়োজনীয় পরিমাণ রক্ত পাম্প করতে অপারগ হয়ে পড়ে ফলশ্রুতিতে হার্ট পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত পাম্পের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রেরণ করতে না পারায় ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে যায়। যার ফলে সারা শরীরে অক্সিজেন ঘাটতি দেখা দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড জমা হতে থাকে

শ্বাসকষ্টের রোগীরা প্রায়ই একটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে থাকেন, উনি কোন ধরনের চিকিৎসকের চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ না হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। সাধারণভাবে চিন্তা করলে এটাই সঠিক মনে হয় যে, শ্বাসকষ্ট যেহেতু ফুসফুসের মাধ্যমে পরিচালিত হয় তাই বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করলেই ভালো হবে। তবে একথাও সত্য, সাধারণভাবে যেসব শ্বাসকষ্ট হয় তার বেশির ভাগই হার্টের অসুস্থতার জন্য হয়ে থাকে এবং বাচ্চাদের বেলায় এবং শেষ বয়সে ফুসফুসের সমস্যা বেশি দেখা যায়।

আমরা প্রায় সবাই গরু-ছাগলের ফেপরা বা ফুসফুস দেখেছি এক একটি স্পঞ্জের মতো বস্তু, যার মধ্যে অনেক ফাঁপা অংশ থাকে এর একটি কিন্তু চুপসে যায় না যদি সিদ্ধ বা রান্নাও করা হয় তবুও কিন্তু ফেপরা চুপসে যায় না, এর প্রধান কারণ হলো ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুভর্তি ছোট ছোট বেলুনের মতো জায়গা থাকে, এদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এলভিওলি বলা হয়। মানুষ শ্বাসকার্যের মাধ্যমে যখন বাতাস গ্রহণ করে তখন এসব বেলুন স্ফীত হয় বা বড় আকার ধারণ করে মানে, এতে বেশি পরিমাণ বাতাস ভর্তি হয়ে যায়। কিন্তু একইভাবে যখন মানুষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে বা বাতাস বের করে দেয় তখন বেলুনগুলো থেকে বাতাস বেরিয়ে যায়। ফলে বেলুনের আকার ছোট হয়ে যায়।

এলভিওলিগুলোতে বাতাস ঢোকা এবং বের হওয়ার জন্য একটি নালি থাকে যার মাধ্যমে প্রতিবার নিঃশ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার সময় বাতাস আসা যাওয়া করে এই বায়ু নালিগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে যুক্ত হতে হতে এক সময় একটি বড় শ্বাসনালিতে পরিণত হয়, যাকে আমরা গলার সামনের অংশে শ্বাসনালি হিসাবে চিনে থাকি। এলভিওলিগুলোর বাইরের দিকে এবং এর দেয়ালে প্রচুর পরিমাণ রক্তনালি বিদ্যমান থাকে এতবেশি রক্তনালি দ্বারা এলভিওলি আরও থেকে থাকে আমরা বলতে পারি যে, এলভিওলি রক্তের সাগরে ডুবে আছে। এসব এলভিওলির মাধ্যমে রক্ত থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য দূষিত গ্যাস বেলুনের (এলভিওলির) বাতাসে প্রবেশ করে শরীর থেকে দূষিত গ্যাস শ্বাসকার্যের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। অপরদিকে বেলুনের বাতাসে থাকা অক্সিজেন রক্তে মিশে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন বাতাস থেকে রক্তের মাধ্যমে শ্বাস শরীরে সরবরাহ হয়ে থাকে মানব দেহে ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে রক্ত কিন্তু সদাসর্বদাই চলমান থাকে এবং একটি হার্ট দ্বারা প্রতিনিয়ত রক্ত পাম্পের মাধ্যমে করে থাকে, মজার ব্যাপার হলো যেহেতু ফুসফুস একটি আবদ্ধ জায়গার মধ্যে বাতাস থাকে এবং রক্তের সাগর থাকে তাই প্রায়ই ফুসফুসের জায়গা দখলের জন্য রক্ত এবং বাতাসের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা পরিলক্ষিত হয়। শ্বাসকার্য সঠিকভাবে সম্পাদন করার জন্য ফুসফুসে রক্ত এবং বাতাস একটা অনুপাত রক্ষা করে চলে। যদি কোনো কারণে এই অনুপাত নষ্ট হয়ে যায় মানে যদি বাতাস বেশি এবং রক্ত কমে যায় অথবা রক্ত বেশি এবং বাতাস কমে যায় তবে শ্বাসকার্য ব্যাহত হবে এবং ব্যক্তি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হবে। ফুসফুসে বাতাস কিন্তু একই নালি দিয়ে আসা-যাওয়া করে থাকে অপরদিকে রক্ত এর পাশ দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং অন্য পাশ দিয়ে ফুসফুস থেকে বের হয়ে যায়।

এখানে হার্টের ডানপাশ সারা শরীর থেকে দূষিত রক্ত সংগ্রহ করে পরিশোধনের জন্য ফুসফুসে প্রেরণ করে এবং ফুসফুসে পরিশোধিত রক্ত হার্টের বাম পাশের মাধ্যমে সারা শরীরে সরবরাহ করে থাকে। ফুসফুসের যেসব সমস্যার জন্য শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফুসফুসে বায়ুনালি চেপে যাওয়া। যার ফলে ফুসফুসে বায়ু চলাচল ব্যাহত হয়, যাকে আমরা সাধারণভাবে অ্যাজমা বলে থাকি। যা অনেক সময়ই বংশগত প্রবণতা থেকে হয়ে থাকে। ব্যক্তি প্রায় সময়ই ছোটবেলা থেকেই এ ধরনের শ্বাসকষ্টে ভুগে থাকেন। এলার্জির কারণে বা জীবাণু সংক্রমণের জন্য অ্যাজমার শ্বাসকষ্ট মাঝে মাঝে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

সালবিউটামল বা অনুরূপ অন্যান্য ওষুধ মুখে খেলে বা ইনহেলারের মাধ্যমে গ্রহণ করলে বায়ুনালি প্রসারিত হয়ে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ও সিওপিডিতে আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস ও বায়ুনালিতে প্রদাহ হওয়ার জন্য ফুসফুসে বায়ু চলাচল ব্যাহত হয়ে, শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়ে থাকে এক্ষেত্রেও জীবাণুর সংক্রমণ অসুস্থতার মাত্রা বৃদ্ধি করে শ্বাসকষ্ট তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এ ক্ষেত্রে অ্যান্ট্রিবায়োটিক এবং সালবিউটামল জাতীয় ওষুধ বেশ কার্যকরী। অনেক সময় ফুসফুসে জীবাণু সংক্রমণের জন্য এলভিওলিতে পুঁজ জাতীয় জমা হয়ে এলভিওলি ভর্তি হয়ে যায় এবং বাতাস প্রবেশ করতে না পারায় কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। জীবাণু সংক্রমণের জন্য কাশি ও জ্বর হয়ে থাকে এবং ফুসফুসের গ্যাস অদল বদল হতে না পারায় শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, এই অসুস্থতাকে নিউমোনিয়া বলা হয়। শিশু ও বয়ঃবৃদ্ধ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকে।

উপরে উল্লেখিত অসুস্থতাগুলো যেহেতু জীবাণু সংক্রমণের মাধ্যমে ঘটে থাকে তাই কাশি এবং জ্বর প্রায় সব ক্ষেত্রেই বিদ্যমান থাকে। হার্টে যেহেতু তার মাংসপেশি সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত পাম্প করে শরীরের প্রতিটি কোনায় কোনায় রক্ত প্রবাহ (সরবরাহ) নিশ্চিত করে, তাই হার্টের যে কোনো ধরনের অসুস্থতা রক্ত সরবরাহের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টে ভাল্বের সমস্যা হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ায় শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় আর কোনো ক্ষেত্রে ফুসফুসে অধিক রক্ত সরবরাহের ফলে ফুসফুসের বায়ুপ্রবাহ কমে গিয়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়ে থাকে। পূর্বে আলোচনা করেছি, রক্ত এবং বাতাসের মধ্যে সব সময় একটা প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। ছোট বাচ্চাদের বেলায় যাদের হার্টে জন্মগত সমস্যা থাকে তাদেরও ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কখনো প্রয়োজনের চেয়ে কম এবং কখনো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হওয়ায় দুই ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যেসব ব্যক্তির হার্ট দুর্বল হতে হতে এমন এক মারাত্মক পর্যায়ে উপনীত হয় যে, হার্ট প্রয়োজনীয় পরিমাণ রক্ত পাম্প করতে অপারগ হয়ে পড়ে ফলশ্রুতিতে হার্ট পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত পাম্পের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রেরণ করতে না পারায় ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে যায়। যার ফলে সারা শরীরে অক্সিজেন ঘাটতি দেখা দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড জমা হতে থাকে। এ অবস্থায়ও রোগী সারাক্ষণ শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকে।

যারা উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেসারে ভুগছেন তাদের হার্ট বাম পাশে ঠিকমতো কাজ না করতে পারায় ফুসফুস থেকে রক্ত অল্প মাত্রায় বেড় হয়ে হার্টে বামপাশে প্রবেশ করায় ফুসফুসে অধিক পরিমাণে রক্ত জমা হতে থাকে ফলশ্রুতিতে ব্যক্তি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে প্রাণঘাতী রোগ ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ বা হার্টের রক্তনালিতে ব্লক হওয়ার ফলে হার্টের পাম্পিং পাওয়ার কমে যায় বিশেষ করে বাম পাশে এবং প্রায় ক্ষেত্রেই হার্টের ডান পাশের পাম্পিং পাওয়ার ঠিক থাকে। এই কারণে ফুসফুসে রক্ত প্রবেশ ঠিক থাকে কিন্তু বাম পাশে কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় রক্ত অধিক পরিমাণে জমা হয়ে শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে প্রায়ই তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। হার্ট ব্লকের রোগীরা যখন বিশ্রামে থাকেন, তখন সাধারণত শ্বাসকষ্ট থাকে না কিন্তু রোগী যখনই কোনো কাজ যেমন হাঁটাহাঁটি সিঁড়িতে উপরে উঠা ও শক্তি প্রয়োগের কোনো কাজ করতে যান তখনই শরীরে অক্সিজেনের প্রয়োজন বেশি হয় এবং রোগী বুকব্যথা, বুকচেপে আসা, শরীরে ঘাম সৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন এবং রোগী বিশ্রাম গ্রহণ করলে শরীরে অক্সিজেন চাহিদা কমে যায় এবং তার সঙ্গে শারীরিক অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট কষ্ট ও দূরীভূত হয়ে যায়।

পরিশেষে এটা বলা যায়, ফুসফুসজনিত কারণে বাচ্চা এবং বয়ঃবৃদ্ধ ব্যক্তিরা বেশির ভাগ সময় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন এর সঙ্গে সঙ্গে প্রায় সময়ই জ্বর-কাশি বিদ্যমান থাকে। হার্টজনিত কারণে সাধারণত মাঝবয়সী ব্যক্তি ও প্রবীণরা শ্বাসকষ্টে বেশি আক্রান্ত হন এবং তাদের জ্বর থাকে না খুব বেশি, কাশিতেও আক্রান্ত হতে দেখা যায় না কারও কারও শুকনা কাশি থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই হার্টজনিত শ্বসকষ্ট পরিশ্রমকালীন দেখা দেয় এবং বিশ্রাম গ্রহণে নিবারণ হয়ে যায়।

-ডা. এম শমশের আলী, চিফ কনসালটেন্ট, শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

এই বিভাগের আরও খবর
হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নিয়ে কিছু কথা
হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নিয়ে কিছু কথা
মৌসুমি ফলের আদ্যোপান্ত
মৌসুমি ফলের আদ্যোপান্ত
এ সময়ে হৃদ্‌রোগীদের জন্য পরামর্শ
এ সময়ে হৃদ্‌রোগীদের জন্য পরামর্শ
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস নিয়ে কিছু কথা
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস নিয়ে কিছু কথা
বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ
বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ
ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা
ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা
কবজির ব্যথায় কী করবেন?
কবজির ব্যথায় কী করবেন?
বুকে ব্যথা নিয়ে কিছু কথা
বুকে ব্যথা নিয়ে কিছু কথা
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
হৃদরোগের সাতকাহন
হৃদরোগের সাতকাহন
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া
আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ
শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা
আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী
খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে
পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শনির দশা কাটছে না
শনির দশা কাটছে না

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট
নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আশুরের গোলে মিসরের লিড
আশুরের গোলে মিসরের লিড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার
নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু
চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা
পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার
লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের
ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত
কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল
জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ
হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের
৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর মিরপুর ও মুগদায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৫৪
রাজধানীর মিরপুর ও মুগদায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৫৪

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর, নিরাপদ আশ্রয়ে মাছ ধরার ট্রলার
বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর, নিরাপদ আশ্রয়ে মাছ ধরার ট্রলার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় স্কুল ছাত্রীকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি
খুলনায় স্কুল ছাত্রীকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের
ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান
খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল
নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?
ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?
কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা
শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!
কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী
বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর
ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব
ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব

১৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে
‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী
ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী
শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ
স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো
মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি
খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি
ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক
রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ
এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা
চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ
যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

মাঠে ময়দানে

স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম
স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা
স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা

দেশগ্রাম

বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?
বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?

টেকনোলজি

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’
প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’

শোবিজ

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

সম্পাদকীয়

নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’
নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’

শোবিজ

ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না
ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না

নগর জীবন

আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স
আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স

নগর জীবন

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড
বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড

নগর জীবন

তিমির মহাসমাবেশ
তিমির মহাসমাবেশ

পরিবেশ ও জীবন

শাহজাহান চৌধুরী
শাহজাহান চৌধুরী

শোবিজ

জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প
জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প

নগর জীবন

ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও
ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও

পরিবেশ ও জীবন

চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম
চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম

পরিবেশ ও জীবন

খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন
খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন

শোবিজ

১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস
১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস

নগর জীবন

চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক
চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক

সম্পাদকীয়

গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার
গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার

পরিবেশ ও জীবন

আলুবোখারা চাষে বাজিমাত
আলুবোখারা চাষে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

টি স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে

ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!
ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!

নগর জীবন

ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম
একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম

দেশগ্রাম

জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’
জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’

শোবিজ

মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি
সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি

দেশগ্রাম

ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা

দেশগ্রাম