শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৭
প্রিন্ট করুন printer

ইসরায়েলের সাহায্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারই লক্ষ্য আমিরাতের

অনলাইন ডেস্ক

ইসরায়েলের সাহায্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারই লক্ষ্য আমিরাতের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাস উদ্বোধন করেছে ইসরায়েল। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে চারটি আরব দেশ অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুদান, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে সমঝোতা পত্রে সই করেছিল। সংযুক্ত আরব আমিরাতই প্রথম দেশ যে কিনা গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে চুক্তিতে সই করেছিল।

সেপ্টেম্বরে সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকেই আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয় এবং দু'পক্ষের বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদের সফর বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত ইসরায়েলের হাজার হাজার পর্যটক সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছে। ইসরায়েল আবুধাবিতে দূতাবাস স্থাপন করা ছাড়াও দুবাইতে কনস্যুলেট স্থাপনের চেষ্টা করছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সর্বাত্মক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিস্তারের এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তারা সম্পর্ক আরও গভীর করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার কারণে ইসরায়েলের সাথে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু সুদান ও মরক্কোর তুলনায় মানামা ও আবুধাবি সরকারের এ ব্যাপারে অতি উৎসাহের পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

যদিও ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের প্রধান শরীক হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের জন্য রিয়াদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতে পরিণত হয়েছে আবুধাবি। প্রকৃতপক্ষে আমিরাত দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মাধ্যমে একদিকে সৌদি আরবের ওপর তাদের নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে অন্যদিকে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন ইস্যুতে ইসরায়েলের সমর্থন নিয়ে এ অঞ্চলে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে আবুধাবি।

আমিরাত এমন সময়ে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা বিস্তারের চেষ্টা করছে যখন দখলদার ইসরায়েল গত দুই বছর ধরে চরম অভ্যন্তরীণ সংকটে জর্জরিত। ৩১ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নাগরিকরা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে বিরতিহীনভাবে বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমেরিকার বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের শুরু থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাত আবুধাবিতে ইসরায়েলি দূতাবাস স্থাপন অন্যদিকে তেল আবিবে আবুধাবির দূতাবাস স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছে যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বলা যায় এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমিরাত প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজর কাড়ার চেষ্টা করছেন এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রকে এ বার্তা দিতে চায় যে ট্রাম্প ক্ষমতায় না থাকলেও আবুধাবি চিন্তিত নয়।

এদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর তুরস্কে বসবাসকারী আমিরাতের রাজনৈতিক কর্মী হামাদ আলে শামস বলেছেন, আমিরাতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে যারাই বিরোধিতা করবে তাদেরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে কেউ প্রতিবাদ করতে না পারে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৫:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

এবার ধর্ষণ মামলায় বিপাকে ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক

এবার ধর্ষণ মামলায় বিপাকে ট্রাম্প!

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপদ যেন পিছু ছাড়ছে না। সিনেটে অভিশংসনের হাত থেকে রক্ষা পেলেও সুপ্রিম কোর্টে আয়কর রিটার্নের মামলায় হেরে গেছেন। এবার ধর্ষণ মামলায়ও তাকে আদালতে যেতে হচ্ছে। লেখিকা ই জিন ক্যারোলের করা ধর্ষণ মামলায় ট্রাম্পকে আদালতে গিয়ে জবাব দিতে হবে। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট এমনটাই জানিয়েছে।

ক্যারোলের আইনজীবীরা মামলাটি পুনরায় সচল করতে জোর তত্পরতা শুরু করছেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউ ইয়র্কের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ট্রাম্প কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন ক্যারোল। ২০১৯ সালের নভেম্বরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এ নিয়ে মানহানির মামলা করেছিলেন ক্যারোল।

তখন ট্রাম্প এই তথ্যকে মিথ্যা দাবি করেছিলেন। আর তার আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ট্রাম্প এসব অভিযোগ থেকে মুক্ত। কিন্তু এখন ট্রাম্প আর প্রেসিডেন্ট পদে নেই। তাই ক্যারোলের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই এ নিয়ে জোর তত্পরতা শুরু করছেন। এমনকি ক্যারোলের সেই পোশাক ও ট্রাম্পের ডিএনএ পরীক্ষা করারও দাবি করেছেন আইনজীবীরা। ক্যারোল সেই পোশাক এখনো সংরক্ষিত রেখেছেন।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৫:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

ভারত-চীন সীমান্ত পরিস্থিতিতে নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

ভারত-চীন সীমান্ত পরিস্থিতিতে নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র
ফাইল ছবি

ভারত ও চীনের সীমান্ত পরিস্থিতি ওপর নজর রাখছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। লাদাখের প্যাংগং লেক এলাকা থেকে প্রতিবেশী দুই দেশ সরিয়ে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ মন্তব্য করলো।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস জানান, শান্তিপূর্ণ সমাধানে দুই দেশের কাজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, ‘আমরা সেনা প্রত্যাহারের খবর নিবিড়ভাবে দেখছি এবং পরিস্থিতি প্রশমণের চলমান প্রচেষ্টাকে আমরা স্বাগত জানাই। উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানে কাজ করায় আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখব।’


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

আলোচনার প্রয়োজন নেই, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: ইরান

অনলাইন ডেস্ক

আলোচনার প্রয়োজন নেই, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: ইরান
মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি বলেছেন, ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ'র মহাপরিচালকের সঙ্গে তেহরানের যে সমঝোতা সংযুক্ত হয়েছে সে অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে আগামী তিন মাসের মধ্যে ওয়াশিংটনকে অবশ্যই এই সমঝোতায় ফিরে আসতে হবে। 

কাতারভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরার আরবি বিভাগকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি এসব কথা বলেন। তিনি সুস্পষ্ট করে বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের ধারায় আমেরিকার ফেরার জন্য কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। 

তিনি বলেন, আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর একতরফাভাবে ইরানের উপর যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা যদি আগামী তিন মাসের মধ্যে ওয়াশিংটন প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে ইরানও তার প্রতিশ্রতি অনুযায়ী কাজ করবে। মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি বলেন, ২০১৮ সালের মে মাসে আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরান যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে উত্তেজনা বাড়ার কোনো কারণ নেই।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:১২
প্রিন্ট করুন printer

লিবিয়া উপকূলে জাহাজডুবিতে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূলে জাহাজডুবিতে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু

লিবিয়া উপকূলে একটি জাহাজডুবির ঘটনায় কমপক্ষে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এ কথা জানিয়েছে।

ইউএনএইচসিআর ও আইওএমের বিবৃতিতে বলা হয়, বাণিজ্যিক একটি জাহাজের সাহায্যে উদ্ধার করা ৭৭ অভিবাসন প্রত্যাশীর ভাষ্য অনুযায়ী, নৌযানটিতে মোট ১২০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। এদের মধ্যে ছয় নারী ও চার শিশু রয়েছে।

ছয় নারীর মধ্যে একজন গর্ভবতী বলে জানা যায়। নৌযানটি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি লিবিয়া থেকে রওনা দেয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে এ পথে ভ্রমণ করা হাজার হাজার মানুষকে মানব পাচারকারী চক্রের ও মিলিশিয়াদের হাতে পড়ে অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়।’

২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার এ দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলার কারণে হাজার হাজার অভিবাসী লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের কোনো দেশে চলে যেতে চান । এসব অভিবাসন প্রত্যাশীর বেশির ভাগই আফ্রিকান।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছরের এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ১৬০ জন অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছে এবং তিন হাজার পাঁচশ’র বেশি মানুষকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৯
প্রিন্ট করুন printer

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা চীনের

অনলাইন ডেস্ক

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা চীনের
গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস কার্টিজ উইলবার

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা জানিয়ে চীনের সামরিক বাহিনী বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে আমেরিকা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

বৃহস্পতিবার চীনের সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পরিচালনার নিন্দা জানান। 

গতকাল মার্কিন সামরিক বাহিনী তাইওয়ান প্রণালীতে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস কার্টিজ উইলবার নিয়ে চীনকে শক্তি প্রদর্শন করে। চীনা সামরিক বাহিনী মার্কিন তৎপরতার নিন্দা জানালেও আমেরিকা বলছে নিয়মিত রুটিনের আওতায় তারা তাইওয়ান প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে।

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনী তাইওয়ান প্রণালীতে ইউএসএস ম্যাককেইন ডেস্ট্রয়ার পাঠায়। এরপর গতকাল আবার যুদ্ধজাহাজ পাঠালো। তাইওয়ান প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে দিন দিন দ্বন্দ্ব জোরদার হচ্ছে। তাইওয়ান প্রণালী চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে তাইওয়ানকে আলাদা করেছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর