শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ জুন, ২০১৯ ১৭:০২

বৃষ্টি উপেক্ষা করে শোলাকিয়ায় তিন লক্ষাধিক মুসল্লির নামাজ আদায়

সাইফউদ্দীন আহমেদ লেনিন, কিশোরগঞ্জ

বৃষ্টি উপেক্ষা করে শোলাকিয়ায় তিন লক্ষাধিক মুসল্লির নামাজ আদায়

বৃষ্টি উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহে এবার তিন লক্ষাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন। সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সময় যত বাড়তে থাকে বৃষ্টির পরিমাণও বাড়তে থাকে। জামাত শুরু হওয়ার আগে মুষলধারে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মুসল্লিরা দলে দলে ঈদগাহে আসতে থাকেন।

সকাল ১০ টায় ঈদ জামাত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইমাম দেরিতে আসায় জামাত শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের ২২ মিনিট পর। ফলে মুসল্লিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বেশ কিছুক্ষণ হৈ চৈ ও চিৎকার করে প্রতিবাদ জানান। এবারের ১৯২ তম ঈদুল ফিতরের জামাতে ইমামতি করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।
শোলাকিয়া ঈদগাহের রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরু হওয়ার আগে শটগানের গুলি ফুটিয়ে জামাত শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ আকাশে শট গানের ফাঁকা গুলি ছুড়েন। জামাত শেষে দেশের সমৃদ্ধি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত, বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য ও নাজাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এবার শোলাকিয়ায় ঈদজামাত আদায় করেছেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহদী হাসান, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

ঈদজামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদগাহ ও এর আশপাশে বিজিবি, র‌্যাব ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে শোলাকিয়ায় উড়ানো হয় ড্রোন। প্রত্যেক মুসল্লিকে একাধিক স্থানে তল্লাশি করে ঈদগাহে প্রবেশ করানো হয়।

ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, বৈরী আবহাওয়া না থাকলে মুসল্লির সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত। এরপরও উপচে পড়া ভিড় হয়েছে।

 

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য