বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ টা

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২০ প্রকল্প উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

আজ রাজশাহী সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুরে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জেলা ও নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। এ ছাড়া রাজশাহী নগর ও জেলায় ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আরও ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানাবে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে যারপরনাই চেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতারা। পিছিয়ে নেই মুক্তিযোদ্ধারাও।

রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনসভায় ভাষণ দেওয়ার আগে ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। সেগুলো হলো—

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও  এক হাজার শয্যার আধুনিক হাসপাতালের উদ্বোধন, চন্দ্রিমা, কাশিয়াডাঙা, কাটাখালী, এয়ারপোর্ট, পবা, কর্ণহার, দামকুড়া ও বেলপুকুর থানার উদ্বোধন, মেহেরচণ্ডি ও কাশিয়াডাঙার দুটি উপ বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান ডিগ্রি কলেজ, দামকুড়া হাট কলেজ, আড়ানী ডিগ্রি কলেজ, আবদুল করিম সরকার ডিগ্রি কলেজ, বাগমারা কলেজ ও বিড়ালদহ কলেজের চতুর্থ তলা ভবন উদ্বোধন এবং রাজশাহী মহিলা কলেজের একাডেমিক ভবনের ষষ্ঠ তলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। এ ছাড়া রাজশাহী-নওগাঁ প্রধান সড়ক হতে মোহনপুর রাজশাহী-নাটোর সড়কে ৩২৪ দশমিক ৫০ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পুঠিয়ায় বারনই নদীতে রাবার ড্যাম, রাজশাহী নর্থ জোন স্টেশন ও নওহাটা ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন। পাশাপাশি রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট উদ্বোধন, গোদাগাড়ী উপজেলার বড়গাছী ও রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং চারঘাট উপজেলায় চারঘাট ও নন্দনগাছি ভূমি অফিস, চারঘাট উপজেলার কৃষ্ণপুর থেকে জাহাঙ্গীরাবাদ সড়কে ২৩০ মিটার চেইনেজে বড়াল নদীর ওপরে ৯৬ মিটার পিএসসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ। উদ্বোধন করা হবে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হল রুম। লিটন জানান, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। নগরীতে গেট, ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। আলোকসজ্জা করা হয়েছে। জনসভাস্থল মাদ্রাসা ময়দানে নৌকাসদৃশ বিশালাকার মঞ্চ নির্মাণ শুরু হয়েছে। জনসভায় প্রায় ৫ লাখ মানুষ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটির মহাসচিব ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বিরোচিত সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন। রাজশাহী মহানগর কমান্ডার ডা. আবদুল মন্নান ও জেলার ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মাস্টার সাহাদুলের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বিশেষ পোশাকে জনসভাস্থলে উপস্থিত থেকে সংবর্ধনা জানাবেন। কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ শরীফ উদ্দিন বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। অন্যদিকে গতকালই মঞ্চ বুঝে নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জনসভাকে ঘিরে নগরীজুড়ে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নগর পুলিশ কমিশনার মাহাবুবর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভার কারণে তারা গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন। চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর