শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩৫

‘শান্তিচুক্তির পর পাহাড়ে সম্প্রীতি অটুট হয়েছে’

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

‘শান্তিচুক্তির পর পাহাড়ে সম্প্রীতি অটুট হয়েছে’

পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, শান্তিচুক্তির পর পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরে এসেছে। অটুট হয়েছে সম্প্রীতি। স্বাভাবিক হয়েছে এ অঞ্চলের পরিস্থিতি। তারা বলেন, শান্তিচুক্তির বেশির ভাগ সরকার বাস্তবায়ন করেছে। ওই চুক্তির ৭২ ধারার মধ্যে ৪৮ ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে, এ সরকারই শান্তিচুক্তির পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে। গতকাল রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, ডিজিএফআইয়ের রাঙামাটির অধিনায়ন কর্নেল মো. শামসুল আলম, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদুওয়ান ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম শফি কামাল, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহম্মদ প্রমুখ।

অন্যদিকে জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার এমপি পৃথক সভায় বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার দুই মেয়াদে ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। সরকারের সদিচ্ছা না থাকায় ২১ বছরেও ওই চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে চুক্তিবিরোধীরা। সকালে রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসংহতি সমিতির জেলা শাখার সহ-সভাপতি কিশোর কুমার চাকমার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গুণেন্দু বিকাশ চাকমা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুণ কান্তি চাকমা প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর