শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৩৩

ঝালকাঠি বিএনপি অফিস এখন হোটেল

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি বিএনপি অফিস এখন হোটেল

ঝালকাঠিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের আসবাবপত্র বের করে দিয়ে তালা মেরে দিয়েছেন ভবনের মালিক পক্ষ। ফলে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার মতো অফিস না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছে নেতা-কর্মীরা।

গত শুক্রবার বিকালে শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড়ে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে মালিক পক্ষ মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম আসবাবপত্র বের করে তালা মেরে দেয়। রবিবার দুপুরে দখল করা ওই অফিসের সামনে আরাফাত হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ড লাগালে বিষয়টি নজরে আসে। এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে সদর থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপি অফিসের তত্ত্বাবধায়ক ফরিদ হোসেন জানান, শুক্রবার জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা মিঞা আহমেদ কিবরিয়া ফোন করে অফিসের চাবি মালিক পক্ষের লোকজনের কাছে দিতে বলেন। আমি সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে মালিক পক্ষ তালা ভাঙার চেষ্টা করে। পরে মালিক পক্ষের সাইফুলকে চাবি দিলে তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন অফিসের মালামাল বের করে তালা মেরে দেয়। বিএনপির কার্যালয় ভবনটি কিবরিয়ার নামে চুক্তি করা ছিল। এই ভবনের মালিক কিবরিয়ার বড় ভাইয়ের শশুর।

নেতা-কর্মীরা জানান, কার্যালয়টি মূলত মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহসভাপতি মিঞা আহমেদ কিবরিয়ার উদ্যোগেই কয়েক বছর আগে তার এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এতদিন কিবরিয়াই ভাড়া পরিশোধ করেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের ধারণা এবার মনোনয়ন না পেয়ে কিবরিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে অফিস ছেড়ে দিয়েছেন।

জেলা বিএনপি সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, কিবরিয়া সাহেব ফোন করে বলেছেন, আমি অফিস ছেড়ে দিয়েছি, মালিক পক্ষকে ভবন বুঝিয়ে দিতে হবে। এ সময় আমি কিবরিয়াকে বলি, সাধারণ সম্পাদক যেহেতু জেলে রয়েছে, তিনি বের হলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হবে। পরে শুনি অফিসের মালামাল বের করে তালা মেরে দিয়েছে। আমরা অফিসের মালামাল বুঝে রাখিনি।

এ বিষয়ে মিঞা আহমেদ কিবরিয়া বলেন, আমার আত্মীয়ের কাছ থেকে অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলাম। এখন পারিবারিক সমস্যার কারণে অফিসটি ছেড়ে দিতে হয়েছে। অফিসের মালামাল আমার হেফাজতে রয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর